ময়মনসিংহ , বুধবার, ০৮ জুলাই ২০২৬, ২৪ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
​সমুদ্র বন্দরে ৩ নম্বর সতর্ক সংকেত, মাছ ধরার নৌকায় সতর্কতা জুলাই নিয়ে কটূক্তিকারীদের বিচার করতে হবে বললেন আখতার হোসেন জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী মিশনে বড় রদবদল: স্থায়ী প্রতিনিধি আইরিন খান, উপ-স্থায়ী প্রতিনিধি ওয়াহিদুজ্জামান ​জাতীয় নির্বাচনের পাঠ নিয়ে স্থানীয় নির্বাচনে নামছে নির্বাচন কমিশন পঞ্চদশ সংশোধনী মামলার রায় বৃহস্পতিবার জনদুর্ভোগ লাঘবে নারী এমপির অনুদান; সড়ক সংস্কারে যুবদল, ছাত্রদল ও স্বেচ্ছাসেবক দল ​আর্জেন্টিনার প্রতি শুভকামনা মোস্তফা জিকোর, প্রত্যাশা আরও এক বিশ্বকাপের রেফারিং নিয়ে ক্ষোভ: ‘টাকার বিনিময়ে ম্যাচ হেরেছি’, অভিযোগ মিশর কোচের নিউইয়র্কে বাংলাদেশ-পাকিস্তান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী পর্যায়ের দ্বিপাক্ষিক বৈঠক অনুষ্ঠিত ​কারবালার পথে আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির মরদেহ
নোটিশ :
প্রতিটি জেলা- উপজেলায় একজন করে ভিডিও প্রতিনিধি আবশ্যক। যোগাযোগঃ- Email- matiomanuss@gmail.com. Mobile No- 017-11684104, 013-03300539.

চট্টগ্রামে জঙ্গল সলিমপুরে চার হাজার সদস্যের যৌথ বাহিনীর অভিযান, ঘিরে ফেলা হয়েছে পুরো এলাকা

চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ড উপজেলার জঙ্গল সলিমপুর এলাকায় বড় পরিসরে সাঁড়াশি অভিযান শুরু করেছে যৌথ বাহিনী। সেনাবাহিনীর নেতৃত্বে পরিচালিত এই অভিযানে প্রায় চার হাজার সদস্য অংশ নিচ্ছেন। সোমবার (৯ মার্চ) ফজরের নামাজের পর বিভিন্ন প্রবেশপথ দিয়ে এলাকায় প্রবেশ করে বাহিনীর সদস্যরা।

জানা যায়, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী এরই মধ্যে জঙ্গল সলিমপুরের সব প্রবেশ ও বাহিরের পথ ঘিরে ফেলেছে। গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টগুলোতে তল্লাশিচৌকি বসানো হয়েছে, যাতে অভিযান চলাকালে কেউ এলাকা ছেড়ে পালাতে না পারে। বাহিনীর সদস্যরা কয়েকটি দলে বিভক্ত হয়ে পাহাড়ি ও দুর্গম এলাকাজুড়ে অভিযান পরিচালনা করছেন।

সাম্প্রতিক সময়ে একটি নির্দিষ্ট এলাকাকে কেন্দ্র করে এটিই আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সবচেয়ে বড় সমন্বিত অভিযান বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনায় পরিচালিত এ অভিযান আগামীকাল বিকাল পর্যন্ত চলতে পারে।

পুলিশের তথ্যমতে, প্রায় ৩ হাজার একর পাহাড়ি এলাকাজুড়ে বিস্তৃত জঙ্গল সলিমপুরে প্রায় ২০ হাজার বসতিতে প্রায় দুই লাখ মানুষের বসবাস। দীর্ঘদিন ধরে সরকারি পাহাড় দখল করে সেখানে অবৈধ বসতি গড়ে ওঠার পাশাপাশি প্লট বাণিজ্য ও আধিপত্যকে কেন্দ্র করে বিভিন্ন সন্ত্রাসী গ্রুপ সক্রিয় রয়েছে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, রোকন উদ্দিন ও মোহাম্মদ ইয়াসিনের নেতৃত্বে কয়েকটি গ্রুপ এলাকায় প্রভাব বিস্তার করে আসছে। পাহাড়ি ও দুর্গম ভৌগোলিক অবস্থানের কারণে এলাকাটি দীর্ঘদিন ধরেই সন্ত্রাসীদের নিরাপদ আশ্রয়স্থল হিসেবে পরিচিত।

এর আগে ২০১৭ ও ২০২২ সালেও প্রশাসন সেখানে অভিযান চালানোর চেষ্টা করলেও নানা কারণে তা পুরোপুরি সফল হয়নি। তবে এবার সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নেওয়ার অংশ হিসেবে বড় পরিসরে অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

​সমুদ্র বন্দরে ৩ নম্বর সতর্ক সংকেত, মাছ ধরার নৌকায় সতর্কতা

চট্টগ্রামে জঙ্গল সলিমপুরে চার হাজার সদস্যের যৌথ বাহিনীর অভিযান, ঘিরে ফেলা হয়েছে পুরো এলাকা

আপডেট সময় ১০:২২:৫১ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৯ মার্চ ২০২৬

চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ড উপজেলার জঙ্গল সলিমপুর এলাকায় বড় পরিসরে সাঁড়াশি অভিযান শুরু করেছে যৌথ বাহিনী। সেনাবাহিনীর নেতৃত্বে পরিচালিত এই অভিযানে প্রায় চার হাজার সদস্য অংশ নিচ্ছেন। সোমবার (৯ মার্চ) ফজরের নামাজের পর বিভিন্ন প্রবেশপথ দিয়ে এলাকায় প্রবেশ করে বাহিনীর সদস্যরা।

জানা যায়, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী এরই মধ্যে জঙ্গল সলিমপুরের সব প্রবেশ ও বাহিরের পথ ঘিরে ফেলেছে। গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টগুলোতে তল্লাশিচৌকি বসানো হয়েছে, যাতে অভিযান চলাকালে কেউ এলাকা ছেড়ে পালাতে না পারে। বাহিনীর সদস্যরা কয়েকটি দলে বিভক্ত হয়ে পাহাড়ি ও দুর্গম এলাকাজুড়ে অভিযান পরিচালনা করছেন।

সাম্প্রতিক সময়ে একটি নির্দিষ্ট এলাকাকে কেন্দ্র করে এটিই আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সবচেয়ে বড় সমন্বিত অভিযান বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনায় পরিচালিত এ অভিযান আগামীকাল বিকাল পর্যন্ত চলতে পারে।

পুলিশের তথ্যমতে, প্রায় ৩ হাজার একর পাহাড়ি এলাকাজুড়ে বিস্তৃত জঙ্গল সলিমপুরে প্রায় ২০ হাজার বসতিতে প্রায় দুই লাখ মানুষের বসবাস। দীর্ঘদিন ধরে সরকারি পাহাড় দখল করে সেখানে অবৈধ বসতি গড়ে ওঠার পাশাপাশি প্লট বাণিজ্য ও আধিপত্যকে কেন্দ্র করে বিভিন্ন সন্ত্রাসী গ্রুপ সক্রিয় রয়েছে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, রোকন উদ্দিন ও মোহাম্মদ ইয়াসিনের নেতৃত্বে কয়েকটি গ্রুপ এলাকায় প্রভাব বিস্তার করে আসছে। পাহাড়ি ও দুর্গম ভৌগোলিক অবস্থানের কারণে এলাকাটি দীর্ঘদিন ধরেই সন্ত্রাসীদের নিরাপদ আশ্রয়স্থল হিসেবে পরিচিত।

এর আগে ২০১৭ ও ২০২২ সালেও প্রশাসন সেখানে অভিযান চালানোর চেষ্টা করলেও নানা কারণে তা পুরোপুরি সফল হয়নি। তবে এবার সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নেওয়ার অংশ হিসেবে বড় পরিসরে অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।