ময়মনসিংহ , বুধবার, ১০ জুন ২০২৬, ২৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
পরীক্ষায় স্বচ্ছতা ফেরাতে উদ্যোগ: আলিমের সব কেন্দ্রে সিসি ক্যামেরা বাধ্যতামূলক জুলাই থেকেই কার্যকর হতে যাচ্ছে নবম পে-স্কেল! প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে চলছে একনেক সভা: অনুমোদনের অপেক্ষায় ৮,১০৬ কোটি টাকার ১২ প্রকল্প বাংলাদেশী শান্তিরক্ষীরা জীবনের ঝুঁকি নিয়ে কাজ করে যাচ্ছেন বলেছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী কর্মবিরতি শেষে কাজে যোগ দিচ্ছেন ইন্টার্ন চিকিৎসকরা দুই পয়েন্ট থেকে ২১ বাংলাদেশিকে ফেরত দিল বিএসএফ পূর্বধলায় ৪৫০ পিস ইয়াবাসহ মাদক কারবারি গ্রেফতার ​টাইগারদের বড় পরীক্ষা: আজ অস্ট্রেলিয়ার মুখোমুখি বাংলাদেশ সাময়িক যুদ্ধবিরতি: ইসরায়েলের সঙ্গে হামলা বন্ধে একমত ইরান ভয়াবহ কম্পন ইরানে: আঘাত হানল ৫ মাত্রার ভূমিকম্প
নোটিশ :
প্রতিটি জেলা- উপজেলায় একজন করে ভিডিও প্রতিনিধি আবশ্যক। যোগাযোগঃ- Email- matiomanuss@gmail.com. Mobile No- 017-11684104, 013-03300539.

হেফাজতকে ঘিরে তৎপরতা নির্বাচনী রাজনীতিতে

  • ডিজিটাল রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ১১:৪২:১২ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৫
  • ১১১ বার পড়া হয়েছে

অরাজনৈতিক সংগঠন হলেও আগামী জাতীয় নির্বাচন সামনে রেখে হেফাজতে ইসলামকে ঘিরে রাজনৈতিক অঙ্গনে তৎপরতা বেড়েছে। কওমি মাদ্রাসাভিত্তিক এই সংগঠনকে কাছে টানতে বিএনপিসহ বিভিন্ন দল সক্রিয় ভূমিকা নিচ্ছে।

রাজনৈতিক সূত্রগুলো বলছে, জামায়াতে ইসলামী ও ইসলামী আন্দোলনসহ কয়েকটি ইসলামপন্থী দল ইতিমধ্যে নির্বাচনী সমঝোতার পথে এগোচ্ছে। এসব দলের মধ্যে অন্তত চারটি সরাসরি হেফাজত-সংশ্লিষ্ট। অভিন্ন কর্মসূচিও পালন করছে তারা। এ প্রেক্ষাপটে হেফাজতের শীর্ষ নেতৃত্ব বিএনপির কাছে বিশেষ গুরুত্ব পেয়েছে।

রাজধানীর বসুন্ধরা আবাসিক এলাকায় অবস্থিত ইসলামিক রিসার্চ সেন্টার বাংলাদেশে গত বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় হেফাজতের আমিরের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন জাতীয় নাগরিক পার্টির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম

এই অবস্থান বিএনপির জন্য সহায়ক বলে মনে করছেন পর্যবেক্ষকরা। কারণ, বর্তমানে জামায়াতের সঙ্গে একযোগে আন্দোলনে থাকা পাঁচটি কওমি মাদ্রাসাভিত্তিক দলের মধ্যে চারটির সঙ্গে হেফাজতের সম্পর্ক রয়েছে।

তবে বাবুনগরীর এসব বক্তব্য নিয়ে হেফাজতের ভেতরে মিশ্র প্রতিক্রিয়া আছে। কেউ কেউ মনে করেন, একটি অরাজনৈতিক সংগঠনের নেতৃত্ব থেকে কোনো রাজনৈতিক দলকে সরাসরি আক্রমণ করা বা নির্বাচনী জোট নিয়ে মন্তব্য করা বিতর্ক সৃষ্টি করতে পারে। তবে সংগঠনের আমির দেশের প্রবীণ আলেম হওয়ায় প্রকাশ্যে কেউ আপত্তি তুলছেন না।

অন্যদিকে জামায়াতের মহাসচিব মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেন, ‘হেফাজতের আমিরকে আমরা সম্মান করি। কিন্তু ইসলামি শক্তির ঐক্যের বিষয়ে এমন বক্তব্য কোনো খাঁটি মোমিনের কাছ থেকে কাম্য নয়।’ ইসলামী আন্দোলনের যুগ্ম মহাসচিব গাজী আতাউর রহমানও মন্তব্য করেন, হেফাজত নীতিগতভাবে নিরপেক্ষ থাকার কথা থাকলেও এখন মনে হচ্ছে তারা পক্ষ নিচ্ছে, যা ইসলামি ঐক্যের জন্য শুভ হবে না।

বিশ্লেষকদের মতে, হেফাজতের ‘ভোট ব্যাংক’কে কেন্দ্র করে বিএনপি তাদের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা বাড়াচ্ছে। তবে এ নিয়ে হেফাজতের ভেতরে বড় ধরনের মতবিরোধ তৈরি হলে সংগঠনটির অবস্থান আরও জটিল হতে পারে।

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

পরীক্ষায় স্বচ্ছতা ফেরাতে উদ্যোগ: আলিমের সব কেন্দ্রে সিসি ক্যামেরা বাধ্যতামূলক

হেফাজতকে ঘিরে তৎপরতা নির্বাচনী রাজনীতিতে

আপডেট সময় ১১:৪২:১২ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৫

অরাজনৈতিক সংগঠন হলেও আগামী জাতীয় নির্বাচন সামনে রেখে হেফাজতে ইসলামকে ঘিরে রাজনৈতিক অঙ্গনে তৎপরতা বেড়েছে। কওমি মাদ্রাসাভিত্তিক এই সংগঠনকে কাছে টানতে বিএনপিসহ বিভিন্ন দল সক্রিয় ভূমিকা নিচ্ছে।

রাজনৈতিক সূত্রগুলো বলছে, জামায়াতে ইসলামী ও ইসলামী আন্দোলনসহ কয়েকটি ইসলামপন্থী দল ইতিমধ্যে নির্বাচনী সমঝোতার পথে এগোচ্ছে। এসব দলের মধ্যে অন্তত চারটি সরাসরি হেফাজত-সংশ্লিষ্ট। অভিন্ন কর্মসূচিও পালন করছে তারা। এ প্রেক্ষাপটে হেফাজতের শীর্ষ নেতৃত্ব বিএনপির কাছে বিশেষ গুরুত্ব পেয়েছে।

রাজধানীর বসুন্ধরা আবাসিক এলাকায় অবস্থিত ইসলামিক রিসার্চ সেন্টার বাংলাদেশে গত বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় হেফাজতের আমিরের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন জাতীয় নাগরিক পার্টির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম

এই অবস্থান বিএনপির জন্য সহায়ক বলে মনে করছেন পর্যবেক্ষকরা। কারণ, বর্তমানে জামায়াতের সঙ্গে একযোগে আন্দোলনে থাকা পাঁচটি কওমি মাদ্রাসাভিত্তিক দলের মধ্যে চারটির সঙ্গে হেফাজতের সম্পর্ক রয়েছে।

তবে বাবুনগরীর এসব বক্তব্য নিয়ে হেফাজতের ভেতরে মিশ্র প্রতিক্রিয়া আছে। কেউ কেউ মনে করেন, একটি অরাজনৈতিক সংগঠনের নেতৃত্ব থেকে কোনো রাজনৈতিক দলকে সরাসরি আক্রমণ করা বা নির্বাচনী জোট নিয়ে মন্তব্য করা বিতর্ক সৃষ্টি করতে পারে। তবে সংগঠনের আমির দেশের প্রবীণ আলেম হওয়ায় প্রকাশ্যে কেউ আপত্তি তুলছেন না।

অন্যদিকে জামায়াতের মহাসচিব মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেন, ‘হেফাজতের আমিরকে আমরা সম্মান করি। কিন্তু ইসলামি শক্তির ঐক্যের বিষয়ে এমন বক্তব্য কোনো খাঁটি মোমিনের কাছ থেকে কাম্য নয়।’ ইসলামী আন্দোলনের যুগ্ম মহাসচিব গাজী আতাউর রহমানও মন্তব্য করেন, হেফাজত নীতিগতভাবে নিরপেক্ষ থাকার কথা থাকলেও এখন মনে হচ্ছে তারা পক্ষ নিচ্ছে, যা ইসলামি ঐক্যের জন্য শুভ হবে না।

বিশ্লেষকদের মতে, হেফাজতের ‘ভোট ব্যাংক’কে কেন্দ্র করে বিএনপি তাদের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা বাড়াচ্ছে। তবে এ নিয়ে হেফাজতের ভেতরে বড় ধরনের মতবিরোধ তৈরি হলে সংগঠনটির অবস্থান আরও জটিল হতে পারে।