ময়মনসিংহ , মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৬ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
শেরপুরে মাইগভ ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম বিষয়ক প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত সাতক্ষীরার এমপির সঙ্গে সম্পর্কে জড়ানোর মূল হোতা শ্যালক ওবায়দুর বললেন মরিয়মের বাবা অন্য দেশের তুলনায় বাংলাদেশে তেলের দাম অনেক কম বলে মন্তব্য করেছেন রিজভী ​অপ্রতিম হত্যা মামলা: বাবার ব্যবসার ডেলিভারিম্যান ছিলেন প্রধান আসামি ফাহাদ এইচএসসি পাসেই আড়ংয়ে ৫০০ জনের চাকরির সুযোগ নাসের রিকাবদারসহ পুলিশের শীর্ষ ৪ কর্মকর্তা পদে রদবদল জাতিসংঘ অধিবেশনে যাচ্ছেন যারা: সফরসঙ্গীদের তালিকা প্রকাশ ইরানে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের যুদ্ধের প্রভাবকে ‘ভূমিকম্প’ : কাতারের প্রধানমন্ত্রী আজ ২১শে সেপ্টেম্বর, আন্তর্জাতিক শান্তি দিবস জ্বালানি তেলের নতুন দাম কার্যকর, লিটারে বাড়ল ২০ টাকা
নোটিশ :
প্রতিটি জেলা- উপজেলায় একজন করে ভিডিও প্রতিনিধি আবশ্যক। যোগাযোগঃ- Email- matiomanuss@gmail.com. Mobile No- 017-11684104, 013-03300539.

৩০ মে থেমে যাওয়া এক স্বপ্নযাত্রা, নিভে যাওয়া আনসার ভিডিপির এক দূরদর্শী আলোকবর্তিকা

ভোর তখনও পুরোপুরি জেগে ওঠেনি। চট্টগ্রামের আকাশে ছিল এক অদ্ভুত নীরবতা। ১৯৮১ সালের ৩০ মে। সেদিন শুধু একজন রাষ্ট্রপতির জীবন কেড়ে নেয়নি; থমকে দিয়েছিল একটি জাতির স্বপ্ন, একটি দীর্ঘমেয়াদি রাষ্ট্রদর্শনের যাত্রা এবং জনগণের শক্তিকে রাষ্ট্রগঠনের মূলধারায় আনার এক সাহসী উদ্যোগকে।

সেদিন শাহাদাতবরণ করেন বাংলাদেশের সপ্তম রাষ্ট্রপতি, মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সেক্টর কমান্ডার, স্বাধীনতার ঘোষক এবং আধুনিক বাংলাদেশের রূপকারদের একজন শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান। কিন্তু ইতিহাসের গভীরে তাকালে দেখা যায়, তাঁর মৃত্যুতে এর চেয়েও বড় কিছু হারিয়েছিল বাংলাদেশ।

হারিয়েছিল এমন একজন রাষ্ট্রনায়ককে, যিনি বিশ্বাস করতেন। একটি দেশের সবচেয়ে বড় শক্তি অস্ত্রাগারে নয়, প্রান্তিক জনগণের সম্মিলিত উন্নয়ন অংশীদারত্বের মাঝে। বাংলাদেশ যখন যুদ্ধবিধ্বস্ত, অর্থনৈতিক সংকটাপন্ন এবং অনিশ্চয়তার পথে হাঁটছে, তখন জিয়াউর রহমান ভিন্ন এক দর্শনের কথা বলেছিলেন। তিনি উপলব্ধি করেছিলেন, গ্রামের মাটিতে, কৃষকের ঘামে, যুবকের শ্রমে এবং সাধারণ মানুষের অংশগ্রহণের মাঝেই রয়েছে বাংলাদেশের প্রকৃত সার্বিক নিরাপত্তা। ৩০ মে এলে তাই শুধু একজন রাষ্ট্রপতিকে স্মরণ করা হয় না। স্মরণ করা হয় একটি স্বপ্নকে। একটি দর্শনকে। একটি বিশ্বাসকে। যে বিশ্বাস বলেছিল আনসার ভিডিপি পরিবারের ৩ কোটি সদস্যের সক্ষমতা ও সম্ভাবনাকে কাজে লাগিয়ে যদি জনগণের শক্তিকে জাগিয়ে তুলতে পারে, সেই জাতিকেই থামিয়ে রাখা যায় না।

শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের শাহাদাত বার্ষিকীতে গভীর শ্রদ্ধা। শ্রদ্ধা তাঁর দূরদর্শী নেতৃত্বের প্রতি। শ্রদ্ধা তাঁর জনগণকেন্দ্রিক রাষ্ট্রচিন্তার প্রতি। আর শ্রদ্ধা সেই আত্মনির্ভরশীল বাংলাদেশের স্বপ্নের প্রতি, যা এখনও কোটি মানুষের হৃদয়ে বেঁচে আছে।

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

শেরপুরে মাইগভ ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম বিষয়ক প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত

৩০ মে থেমে যাওয়া এক স্বপ্নযাত্রা, নিভে যাওয়া আনসার ভিডিপির এক দূরদর্শী আলোকবর্তিকা

আপডেট সময় ০৯:৩৭:১৪ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১ জুন ২০২৬

ভোর তখনও পুরোপুরি জেগে ওঠেনি। চট্টগ্রামের আকাশে ছিল এক অদ্ভুত নীরবতা। ১৯৮১ সালের ৩০ মে। সেদিন শুধু একজন রাষ্ট্রপতির জীবন কেড়ে নেয়নি; থমকে দিয়েছিল একটি জাতির স্বপ্ন, একটি দীর্ঘমেয়াদি রাষ্ট্রদর্শনের যাত্রা এবং জনগণের শক্তিকে রাষ্ট্রগঠনের মূলধারায় আনার এক সাহসী উদ্যোগকে।

সেদিন শাহাদাতবরণ করেন বাংলাদেশের সপ্তম রাষ্ট্রপতি, মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সেক্টর কমান্ডার, স্বাধীনতার ঘোষক এবং আধুনিক বাংলাদেশের রূপকারদের একজন শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান। কিন্তু ইতিহাসের গভীরে তাকালে দেখা যায়, তাঁর মৃত্যুতে এর চেয়েও বড় কিছু হারিয়েছিল বাংলাদেশ।

হারিয়েছিল এমন একজন রাষ্ট্রনায়ককে, যিনি বিশ্বাস করতেন। একটি দেশের সবচেয়ে বড় শক্তি অস্ত্রাগারে নয়, প্রান্তিক জনগণের সম্মিলিত উন্নয়ন অংশীদারত্বের মাঝে। বাংলাদেশ যখন যুদ্ধবিধ্বস্ত, অর্থনৈতিক সংকটাপন্ন এবং অনিশ্চয়তার পথে হাঁটছে, তখন জিয়াউর রহমান ভিন্ন এক দর্শনের কথা বলেছিলেন। তিনি উপলব্ধি করেছিলেন, গ্রামের মাটিতে, কৃষকের ঘামে, যুবকের শ্রমে এবং সাধারণ মানুষের অংশগ্রহণের মাঝেই রয়েছে বাংলাদেশের প্রকৃত সার্বিক নিরাপত্তা। ৩০ মে এলে তাই শুধু একজন রাষ্ট্রপতিকে স্মরণ করা হয় না। স্মরণ করা হয় একটি স্বপ্নকে। একটি দর্শনকে। একটি বিশ্বাসকে। যে বিশ্বাস বলেছিল আনসার ভিডিপি পরিবারের ৩ কোটি সদস্যের সক্ষমতা ও সম্ভাবনাকে কাজে লাগিয়ে যদি জনগণের শক্তিকে জাগিয়ে তুলতে পারে, সেই জাতিকেই থামিয়ে রাখা যায় না।

শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের শাহাদাত বার্ষিকীতে গভীর শ্রদ্ধা। শ্রদ্ধা তাঁর দূরদর্শী নেতৃত্বের প্রতি। শ্রদ্ধা তাঁর জনগণকেন্দ্রিক রাষ্ট্রচিন্তার প্রতি। আর শ্রদ্ধা সেই আত্মনির্ভরশীল বাংলাদেশের স্বপ্নের প্রতি, যা এখনও কোটি মানুষের হৃদয়ে বেঁচে আছে।