ময়মনসিংহ , বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬, ৯ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
এসএসসির ফল প্রকাশ ২০ জুলাই জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী কৈলাটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটি গঠনে অনিয়মের অভিযোগ বিআইডব্লিউটিএ পরিচালক আরিফ উদ্দিনকে সাময়িক বরখাস্ত জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে জোর দিচ্ছে সরকার বললেন চিফ হুইপ ডিজিটাল ‘নকল’কে প্রতিহত করতে হবে বলেছেন শিক্ষামন্ত্রী আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধের সিদ্ধান্ত নেবে আদালত জানিয়েছেন তথ্য উপদেষ্টা আদ-দ্বীন হাসপাতাল চালুর দাবিতে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ে বিদেশি ইন্টার্ন চিকিৎসকদের স্মারকলিপি বিশ্ববাজারে কমলো জ্বালানি তেলের দাম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ঘিরে পুলিশি সতর্কতা: যেকোনো পরিস্থিতি মোকাবিলায় বিশেষ নজরদারি ​ঢাকাসহ ১৫ জেলায় ঝোড়ো হাওয়ার পূর্বাভাস: দুপুরের মধ্যে বৃষ্টির সতর্কতা
নোটিশ :
প্রতিটি জেলা- উপজেলায় একজন করে ভিডিও প্রতিনিধি আবশ্যক। যোগাযোগঃ- Email- matiomanuss@gmail.com. Mobile No- 017-11684104, 013-03300539.

৩০ মে থেমে যাওয়া এক স্বপ্নযাত্রা, নিভে যাওয়া আনসার ভিডিপির এক দূরদর্শী আলোকবর্তিকা

ভোর তখনও পুরোপুরি জেগে ওঠেনি। চট্টগ্রামের আকাশে ছিল এক অদ্ভুত নীরবতা। ১৯৮১ সালের ৩০ মে। সেদিন শুধু একজন রাষ্ট্রপতির জীবন কেড়ে নেয়নি; থমকে দিয়েছিল একটি জাতির স্বপ্ন, একটি দীর্ঘমেয়াদি রাষ্ট্রদর্শনের যাত্রা এবং জনগণের শক্তিকে রাষ্ট্রগঠনের মূলধারায় আনার এক সাহসী উদ্যোগকে।

সেদিন শাহাদাতবরণ করেন বাংলাদেশের সপ্তম রাষ্ট্রপতি, মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সেক্টর কমান্ডার, স্বাধীনতার ঘোষক এবং আধুনিক বাংলাদেশের রূপকারদের একজন শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান। কিন্তু ইতিহাসের গভীরে তাকালে দেখা যায়, তাঁর মৃত্যুতে এর চেয়েও বড় কিছু হারিয়েছিল বাংলাদেশ।

হারিয়েছিল এমন একজন রাষ্ট্রনায়ককে, যিনি বিশ্বাস করতেন। একটি দেশের সবচেয়ে বড় শক্তি অস্ত্রাগারে নয়, প্রান্তিক জনগণের সম্মিলিত উন্নয়ন অংশীদারত্বের মাঝে। বাংলাদেশ যখন যুদ্ধবিধ্বস্ত, অর্থনৈতিক সংকটাপন্ন এবং অনিশ্চয়তার পথে হাঁটছে, তখন জিয়াউর রহমান ভিন্ন এক দর্শনের কথা বলেছিলেন। তিনি উপলব্ধি করেছিলেন, গ্রামের মাটিতে, কৃষকের ঘামে, যুবকের শ্রমে এবং সাধারণ মানুষের অংশগ্রহণের মাঝেই রয়েছে বাংলাদেশের প্রকৃত সার্বিক নিরাপত্তা। ৩০ মে এলে তাই শুধু একজন রাষ্ট্রপতিকে স্মরণ করা হয় না। স্মরণ করা হয় একটি স্বপ্নকে। একটি দর্শনকে। একটি বিশ্বাসকে। যে বিশ্বাস বলেছিল আনসার ভিডিপি পরিবারের ৩ কোটি সদস্যের সক্ষমতা ও সম্ভাবনাকে কাজে লাগিয়ে যদি জনগণের শক্তিকে জাগিয়ে তুলতে পারে, সেই জাতিকেই থামিয়ে রাখা যায় না।

শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের শাহাদাত বার্ষিকীতে গভীর শ্রদ্ধা। শ্রদ্ধা তাঁর দূরদর্শী নেতৃত্বের প্রতি। শ্রদ্ধা তাঁর জনগণকেন্দ্রিক রাষ্ট্রচিন্তার প্রতি। আর শ্রদ্ধা সেই আত্মনির্ভরশীল বাংলাদেশের স্বপ্নের প্রতি, যা এখনও কোটি মানুষের হৃদয়ে বেঁচে আছে।

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

এসএসসির ফল প্রকাশ ২০ জুলাই জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী

৩০ মে থেমে যাওয়া এক স্বপ্নযাত্রা, নিভে যাওয়া আনসার ভিডিপির এক দূরদর্শী আলোকবর্তিকা

আপডেট সময় ০৯:৩৭:১৪ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১ জুন ২০২৬

ভোর তখনও পুরোপুরি জেগে ওঠেনি। চট্টগ্রামের আকাশে ছিল এক অদ্ভুত নীরবতা। ১৯৮১ সালের ৩০ মে। সেদিন শুধু একজন রাষ্ট্রপতির জীবন কেড়ে নেয়নি; থমকে দিয়েছিল একটি জাতির স্বপ্ন, একটি দীর্ঘমেয়াদি রাষ্ট্রদর্শনের যাত্রা এবং জনগণের শক্তিকে রাষ্ট্রগঠনের মূলধারায় আনার এক সাহসী উদ্যোগকে।

সেদিন শাহাদাতবরণ করেন বাংলাদেশের সপ্তম রাষ্ট্রপতি, মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সেক্টর কমান্ডার, স্বাধীনতার ঘোষক এবং আধুনিক বাংলাদেশের রূপকারদের একজন শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান। কিন্তু ইতিহাসের গভীরে তাকালে দেখা যায়, তাঁর মৃত্যুতে এর চেয়েও বড় কিছু হারিয়েছিল বাংলাদেশ।

হারিয়েছিল এমন একজন রাষ্ট্রনায়ককে, যিনি বিশ্বাস করতেন। একটি দেশের সবচেয়ে বড় শক্তি অস্ত্রাগারে নয়, প্রান্তিক জনগণের সম্মিলিত উন্নয়ন অংশীদারত্বের মাঝে। বাংলাদেশ যখন যুদ্ধবিধ্বস্ত, অর্থনৈতিক সংকটাপন্ন এবং অনিশ্চয়তার পথে হাঁটছে, তখন জিয়াউর রহমান ভিন্ন এক দর্শনের কথা বলেছিলেন। তিনি উপলব্ধি করেছিলেন, গ্রামের মাটিতে, কৃষকের ঘামে, যুবকের শ্রমে এবং সাধারণ মানুষের অংশগ্রহণের মাঝেই রয়েছে বাংলাদেশের প্রকৃত সার্বিক নিরাপত্তা। ৩০ মে এলে তাই শুধু একজন রাষ্ট্রপতিকে স্মরণ করা হয় না। স্মরণ করা হয় একটি স্বপ্নকে। একটি দর্শনকে। একটি বিশ্বাসকে। যে বিশ্বাস বলেছিল আনসার ভিডিপি পরিবারের ৩ কোটি সদস্যের সক্ষমতা ও সম্ভাবনাকে কাজে লাগিয়ে যদি জনগণের শক্তিকে জাগিয়ে তুলতে পারে, সেই জাতিকেই থামিয়ে রাখা যায় না।

শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের শাহাদাত বার্ষিকীতে গভীর শ্রদ্ধা। শ্রদ্ধা তাঁর দূরদর্শী নেতৃত্বের প্রতি। শ্রদ্ধা তাঁর জনগণকেন্দ্রিক রাষ্ট্রচিন্তার প্রতি। আর শ্রদ্ধা সেই আত্মনির্ভরশীল বাংলাদেশের স্বপ্নের প্রতি, যা এখনও কোটি মানুষের হৃদয়ে বেঁচে আছে।