ময়মনসিংহ , মঙ্গলবার, ০৭ জুলাই ২০২৬, ২৩ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
​আলিমে রেজিস্ট্রেশন বঞ্চিত শিক্ষার্থীদের জন্য সুখবর: সময় বাড়ালো মাদ্রাসা বোর্ড স্বাস্থ্যখাতে জনবল সংকট মোকাবিলায় তরুণদের এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন অক্টোবর থেকে স্থানীয় সরকার নির্বাচন শুরু জানিয়েছেন তথ্য উপদেষ্টা সরকারি চাকরিতে নতুন পে-স্কেল: বেতন ১০০ শতাংশ পর্যন্ত বৃদ্ধির সম্ভাবনা স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করার প্রতিশ্রুতি পূরণে সরকার কাজ করছে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী কৃষক ১০ হাজার টাকার কৃষি ঋণের জন্য কোমরে দড়ি পড়ে, আর হাজার কোটি টাকার ক্ষমতাশালী গ্রহীতাদের বেলায় আইন তার নিজের গতি হারিয়ে ফেলে? এনসিপির সমাবেশে হামলা: দোষীদের শাস্তির দাবি গোলাম পরওয়ারের কলেজগুলোর জন্য জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন নিয়ম ৬ দিনের বিরতি শেষে আজ ফের বসছে জাতীয় সংসদ অধিবেশন ​ঢাকাসহ ১৭ জেলায় ঝড়ের পূর্বাভাস: দুপুরের মধ্যেই বজ্রবৃষ্টির শঙ্কা
নোটিশ :
প্রতিটি জেলা- উপজেলায় একজন করে ভিডিও প্রতিনিধি আবশ্যক। যোগাযোগঃ- Email- matiomanuss@gmail.com. Mobile No- 017-11684104, 013-03300539.

৫টা বিয়ে, ১২টা প্রেমের পরেও নিঃসঙ্গ মৃত্যু বলিউডের দুর্ধর্ষ ভিলেন

  • ডিজিটাল ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১০:৩২:৩১ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৬ নভেম্বর ২০২৫
  • ১৬৪ বার পড়া হয়েছে

বলিউডের একসময়ের আলোচিত অভিনেতা মহেশ আনন্দ। ১৯৮০ ও ৯০–এর দশকে বড় পর্দায় যতটা দুর্ধর্ষতা দেখিয়েছেন এ খলনায়ক। বাস্তব জীবনে ততটাই নিঃসঙ্গ ছিলেন তিনি। 

ব্যক্তিজীবনের টানাপোড়েন, ব্যর্থ বিয়ে আর অবসাদে ভরা শেষ জীবন—সব মিলিয়ে তার গল্প যেন সিনেমাকেও হার মানায়।

জীবনের শেষ প্রান্তে এসে যেন সব আলো নিভে যায়। বলিউডে শত শত ছবিতে কাজ করেও জীবনের শেষ দিকে তিনি নিদারুণ দারিদ্র্য আর একাকিত্বে ভুগছিলেন।

নিজের ফেসবুকে তিনি একবার লিখেছিলেন, ‘আমার বন্ধুরা বলে আমি মদ্যপ। আমার কোনো পরিবার নেই। সৎভাই আমাকে ৬ কোটি রুপি প্রতারণা করে নিয়ে গেছে। আমি ৩০০–এর বেশি সিনেমায় কাজ করেছি, কিন্তু এখন পানির বোতল কেনারও টাকা নেই। পৃথিবীতে আমার কোনো বন্ধু নেই। খুব কষ্ট লাগে।’

কারাতে ব্ল্যাক বেল্টধারী মহেশ প্রথমে মডেলিং ও নাচের মাধ্যমে কর্মজীবন শুরু করেন। ১৯৮২ সালের ‘সনম তেরি কসম’ ছবির শিরোনাম গানে ব্যাকগ্রাউন্ড ডান্সার হিসেবে তাকে দেখা যায়। ১৯৮৪ সালে ‘করিশমা’ দিয়ে অভিনয়ে পা রাখলেও প্রথম দিকে তার কাজ তেমন নজর কাড়েনি। ‘শাহেনশাহ’ই তাকে আলোচনায় আনে।
এরপর তিনি অমিতাভ বচ্চনের সঙ্গে ‘গঙ্গা যমুনা সরস্বতী’ ও ‘তুফান’-এ অভিনয় করেন। প্রায় ৩০০ বেশি ছবিতে কাজ করেছেন তিনি, যার মধ্যে আছেন সঞ্জয় দত্ত, গোবিন্দ, অক্ষয় কুমার, সালমান খান, সানি দেওল, শশী কাপুরসহ অনেক তারকা।

সাফল্যের পেছনে লুকিয়ে ছিল গভীর ব্যক্তিগত অস্থিরতা। মহেশ আনন্দের পাঁচটি বিয়ে ও অন্তত এক ডজন প্রেমের সম্পর্ক ছিল বলে জানা যায়।

তার প্রথম স্ত্রী ছিলেন অভিনেত্রী রীনা রায়ের বোন বরখা রায়। বিবাহবিচ্ছেদের পর তিনি বিয়ে করেন সাবেক মিস ইন্ডিয়া ইন্টারন্যাশনাল এরিকা মারিয়া ডি’সুজাকে, যার সঙ্গে তার এক পুত্রসন্তান রয়েছে। এরপর ১৯৯৯ সালে তিনি বিয়ে করেন মধু মালহোত্রাকে। চতুর্থ বিয়ে ছিল অভিনেত্রী ঊষা বচ্চনির সঙ্গে, যা বিচ্ছেদে গিয়ে শেষ হয়। শেষ জীবনে তিনি বিয়ে করেন এক রুশ নারী, লানাকে।

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

​আলিমে রেজিস্ট্রেশন বঞ্চিত শিক্ষার্থীদের জন্য সুখবর: সময় বাড়ালো মাদ্রাসা বোর্ড

৫টা বিয়ে, ১২টা প্রেমের পরেও নিঃসঙ্গ মৃত্যু বলিউডের দুর্ধর্ষ ভিলেন

আপডেট সময় ১০:৩২:৩১ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৬ নভেম্বর ২০২৫

বলিউডের একসময়ের আলোচিত অভিনেতা মহেশ আনন্দ। ১৯৮০ ও ৯০–এর দশকে বড় পর্দায় যতটা দুর্ধর্ষতা দেখিয়েছেন এ খলনায়ক। বাস্তব জীবনে ততটাই নিঃসঙ্গ ছিলেন তিনি। 

ব্যক্তিজীবনের টানাপোড়েন, ব্যর্থ বিয়ে আর অবসাদে ভরা শেষ জীবন—সব মিলিয়ে তার গল্প যেন সিনেমাকেও হার মানায়।

জীবনের শেষ প্রান্তে এসে যেন সব আলো নিভে যায়। বলিউডে শত শত ছবিতে কাজ করেও জীবনের শেষ দিকে তিনি নিদারুণ দারিদ্র্য আর একাকিত্বে ভুগছিলেন।

নিজের ফেসবুকে তিনি একবার লিখেছিলেন, ‘আমার বন্ধুরা বলে আমি মদ্যপ। আমার কোনো পরিবার নেই। সৎভাই আমাকে ৬ কোটি রুপি প্রতারণা করে নিয়ে গেছে। আমি ৩০০–এর বেশি সিনেমায় কাজ করেছি, কিন্তু এখন পানির বোতল কেনারও টাকা নেই। পৃথিবীতে আমার কোনো বন্ধু নেই। খুব কষ্ট লাগে।’

কারাতে ব্ল্যাক বেল্টধারী মহেশ প্রথমে মডেলিং ও নাচের মাধ্যমে কর্মজীবন শুরু করেন। ১৯৮২ সালের ‘সনম তেরি কসম’ ছবির শিরোনাম গানে ব্যাকগ্রাউন্ড ডান্সার হিসেবে তাকে দেখা যায়। ১৯৮৪ সালে ‘করিশমা’ দিয়ে অভিনয়ে পা রাখলেও প্রথম দিকে তার কাজ তেমন নজর কাড়েনি। ‘শাহেনশাহ’ই তাকে আলোচনায় আনে।
এরপর তিনি অমিতাভ বচ্চনের সঙ্গে ‘গঙ্গা যমুনা সরস্বতী’ ও ‘তুফান’-এ অভিনয় করেন। প্রায় ৩০০ বেশি ছবিতে কাজ করেছেন তিনি, যার মধ্যে আছেন সঞ্জয় দত্ত, গোবিন্দ, অক্ষয় কুমার, সালমান খান, সানি দেওল, শশী কাপুরসহ অনেক তারকা।

সাফল্যের পেছনে লুকিয়ে ছিল গভীর ব্যক্তিগত অস্থিরতা। মহেশ আনন্দের পাঁচটি বিয়ে ও অন্তত এক ডজন প্রেমের সম্পর্ক ছিল বলে জানা যায়।

তার প্রথম স্ত্রী ছিলেন অভিনেত্রী রীনা রায়ের বোন বরখা রায়। বিবাহবিচ্ছেদের পর তিনি বিয়ে করেন সাবেক মিস ইন্ডিয়া ইন্টারন্যাশনাল এরিকা মারিয়া ডি’সুজাকে, যার সঙ্গে তার এক পুত্রসন্তান রয়েছে। এরপর ১৯৯৯ সালে তিনি বিয়ে করেন মধু মালহোত্রাকে। চতুর্থ বিয়ে ছিল অভিনেত্রী ঊষা বচ্চনির সঙ্গে, যা বিচ্ছেদে গিয়ে শেষ হয়। শেষ জীবনে তিনি বিয়ে করেন এক রুশ নারী, লানাকে।