ময়মনসিংহ , রবিবার, ২৬ এপ্রিল ২০২৬, ১৩ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
সাবেক শিক্ষা উপমন্ত্রী গোলাম সারোয়ার মারা গেছেন সরকারের দ্বিতীয় একনেক বৈঠক আজ: অনুমোদনের অপেক্ষায় ১৭ প্রকল্প এসএসসির প্রশ্নফাঁসের সংবাদ ভিত্তিহীন বলে জানিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয় আদালতে আজ নানক-তাপসসহ ২৮ আসামির অভিযোগ গঠনের দিন ধার্য কমতে পারে তাপদাহ, ঢাকায় বৃষ্টির পূর্বাভাস আবহাওয়া অফিসের কাশিপুর হইতে গোপালনগর এলাকায় স্থানীয়দের যাতায়াতের সুবিধার্থে একটি ব্রিজ নির্মাণ অত্যন্ত জরুরি শিক্ষার মানোন্নয়নে শিক্ষকদের দায়িত্বশীল হতে হবে: দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী এমপির গাড়িতে হামলা: বিএনপির শতাধিক ব্যক্তির বিরুদ্ধে মামলা, গ্রেফতার ৯ উপায় না পেয়েই তেলের দাম সমন্বয় করা হয়েছে বলেছেন পরিবহনমন্ত্রী সীতাকুণ্ডে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে তুলার গুদামসহ তিন দোকান পুড়ে ছাই
নোটিশ :
প্রতিটি জেলা- উপজেলায় একজন করে ভিডিও প্রতিনিধি আবশ্যক। যোগাযোগঃ- Email- matiomanuss@gmail.com. Mobile No- 017-11684104, 013-03300539.

ছাত্রদলের দু’পক্ষের হাতাহাতি, পরে বিস্ফোরণ

আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে মুখোমুখি হয়েছে রাজধানীর শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে (শেকৃবি) ছাত্রদলের দুই গ্রুপ। শুক্রবার (১০ মে) বিকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের টিচার্স ক্লাবে ছাত্রদলের আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে আমন্ত্রিত অতিথি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য, উপ-উপাচার্য, প্রক্টর এবং ছাত্রপরামর্শকের উপস্থিতিতে এ ঘটনা ঘটেছে।

‎জানা গেছে, ছাত্রদলের ৪৬তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত ক্রীড়া প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে ওই দুই গ্রুপের হাতাহাতির ঘটনা ঘটেছে।

‎প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, অনুষ্ঠানের শুরুতে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের সভাপতি আহমেদুল কবির তাপস এবং সাধারণ সম্পাদক আলমগীর কবিরসহ ছাত্রদলের এক গ্রুপের নেতাকর্মীরা। পরে বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. আব্দুস সামাদ, সিনিয়র সহসভাপতি মো. তারিফুল ইসলাম তারিফ, সাংগঠনিক সম্পাদক মোহাম্মদ ফরহাদ হোসেন গ্রুপের নেতাকর্মীরা অনুষ্ঠানস্থলে উপস্থিত হলে দু’পক্ষের মধ্যে বাকবিতণ্ডা ও হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের অনুরোধে পরে সামাদ-তারিফ-ফরহাদ গ্রুপ ঘটনাস্থল ত্যাগ করে।

‎তবে রাত ৯টা ১৫ মিনিটের দিকে সভাপতি-সাধারণ সম্পাদকের গ্রুপ একটি মিছিল বের করে, যা বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় গেটে শেষ হয়। এ সময় ক্যাম্পাসে বিকট শব্দে কয়েকটি বিস্ফোরণের শব্দ শোনা যায়।

‎অন্যদিকে সামাদ-ফরহাদ-তারিফ গ্রুপ বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় খেলার মাঠে অবস্থান নেন। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, তাদের হাতে লাঠি ও রড সদৃশ বস্তু দেখা গেছে।

‎পরে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর প্রফেসর ড. মো. আরফান আলী এবং সহকারী প্রক্টর ঘটনাস্থলে এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করেন। এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর বলেন, ছাত্রদলের অনুষ্ঠানে একটি গ্রুপ অন্য গ্রুপকে বাধা দিয়েছে। পরে দুটি গ্রুপের মধ্যে হাতাহাতির ঘটনা ঘটেছে। বিকট শব্দে বিস্ফোরণের সময় আমি ছিলাম না। এ বিষয়ে জানার চেষ্টা করছি। একটি গ্রুপ বহিরাগতদের নিয়ে ক্যাম্পাসে অবস্থান নিচ্ছে- এমন খবর শোনার পর ক্যাম্পাসের প্রধান গেটগুলো বন্ধ করতে বলেছি। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করছি।

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সাবেক শিক্ষা উপমন্ত্রী গোলাম সারোয়ার মারা গেছেন

ছাত্রদলের দু’পক্ষের হাতাহাতি, পরে বিস্ফোরণ

আপডেট সময় ১১:৩৫:০২ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১০ মে ২০২৫

আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে মুখোমুখি হয়েছে রাজধানীর শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে (শেকৃবি) ছাত্রদলের দুই গ্রুপ। শুক্রবার (১০ মে) বিকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের টিচার্স ক্লাবে ছাত্রদলের আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে আমন্ত্রিত অতিথি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য, উপ-উপাচার্য, প্রক্টর এবং ছাত্রপরামর্শকের উপস্থিতিতে এ ঘটনা ঘটেছে।

‎জানা গেছে, ছাত্রদলের ৪৬তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত ক্রীড়া প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে ওই দুই গ্রুপের হাতাহাতির ঘটনা ঘটেছে।

‎প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, অনুষ্ঠানের শুরুতে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের সভাপতি আহমেদুল কবির তাপস এবং সাধারণ সম্পাদক আলমগীর কবিরসহ ছাত্রদলের এক গ্রুপের নেতাকর্মীরা। পরে বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. আব্দুস সামাদ, সিনিয়র সহসভাপতি মো. তারিফুল ইসলাম তারিফ, সাংগঠনিক সম্পাদক মোহাম্মদ ফরহাদ হোসেন গ্রুপের নেতাকর্মীরা অনুষ্ঠানস্থলে উপস্থিত হলে দু’পক্ষের মধ্যে বাকবিতণ্ডা ও হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের অনুরোধে পরে সামাদ-তারিফ-ফরহাদ গ্রুপ ঘটনাস্থল ত্যাগ করে।

‎তবে রাত ৯টা ১৫ মিনিটের দিকে সভাপতি-সাধারণ সম্পাদকের গ্রুপ একটি মিছিল বের করে, যা বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় গেটে শেষ হয়। এ সময় ক্যাম্পাসে বিকট শব্দে কয়েকটি বিস্ফোরণের শব্দ শোনা যায়।

‎অন্যদিকে সামাদ-ফরহাদ-তারিফ গ্রুপ বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় খেলার মাঠে অবস্থান নেন। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, তাদের হাতে লাঠি ও রড সদৃশ বস্তু দেখা গেছে।

‎পরে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর প্রফেসর ড. মো. আরফান আলী এবং সহকারী প্রক্টর ঘটনাস্থলে এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করেন। এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর বলেন, ছাত্রদলের অনুষ্ঠানে একটি গ্রুপ অন্য গ্রুপকে বাধা দিয়েছে। পরে দুটি গ্রুপের মধ্যে হাতাহাতির ঘটনা ঘটেছে। বিকট শব্দে বিস্ফোরণের সময় আমি ছিলাম না। এ বিষয়ে জানার চেষ্টা করছি। একটি গ্রুপ বহিরাগতদের নিয়ে ক্যাম্পাসে অবস্থান নিচ্ছে- এমন খবর শোনার পর ক্যাম্পাসের প্রধান গেটগুলো বন্ধ করতে বলেছি। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করছি।