ময়মনসিংহ , মঙ্গলবার, ২৬ মে ২০২৬, ১১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
কুয়েতে বিশেষ খাদ্য সহায়তা পাঠাচ্ছে বাংলাদেশ আজ বিকেলে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে বিশেষ সংবাদ সম্মেলন ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনের প্রধান অনুপ্রেরণা ছিলেন নজরুল বলে মন্তব্য করেছেন রিজভী ঈদে মুক্তির অপেক্ষায় শাকিব-সাবিলার ‘রকস্টার’, পেল আনকাট সেন্সর ছাড়পত্র ঈদ ফেরত যাত্রার শেষ দিনের টিকিট বিক্রির শেষ সুযোগ আজ ​ইরান-যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধ শেষ হওয়ার ইঙ্গিত, এক ধাক্কায় কমল তেলের দাম ​ফসল হারিয়ে দিশেহারা সিলেটের কৃষক: ঈদের আগে সরকারি সহায়তার আশা ক্ষীণ ​মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় সাংবাদিক রাশিদুল হাসান গুরুতর আহত মহাপরিচালকের ঈদ উপহার পেলেন আনসার-ভিডিপির ভাতাভোগী সদস্য-সদস্যারা পাবনা জেলার ফরিদপুর উপজেলায় কোরবানির পশুর চামড়া সংরক্ষণে প্রশিক্ষণ
নোটিশ :
প্রতিটি জেলা- উপজেলায় একজন করে ভিডিও প্রতিনিধি আবশ্যক। যোগাযোগঃ- Email- matiomanuss@gmail.com. Mobile No- 017-11684104, 013-03300539.

আজ তত্ত্বাবধায়ক সরকার ফেরাতে রিভিউ আবেদনের আবার শুনানি

  • ডিজিটাল ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১০:৪৭:২০ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৭ অগাস্ট ২০২৫
  • ১০১ বার পড়া হয়েছে

তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বাতিলের রায় পুনর্বিবেচনা (রিভিউ) চেয়ে রাজনৈতিক দল ও ছয় ব্যক্তির করা চারটি আবেদনের শুনানি আজ বুধবার (২৭ আগস্ট) অনুষ্ঠিত হবে।

প্রধান বিচারপতি ড. সৈয়দ রেফাত আহমেদের নেতৃত্বাধীন সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের সাত সদস্যের বেঞ্চে এ শুনানি শুরু হবে।

২০১১ সালের ৬ এপ্রিল আপিল বিভাগের শুনানি শেষে বিষয়টি রায়ের জন্য অপেক্ষমাণ রাখা হয়। একই বছরের ১০ মে আদালত সংবিধানের ত্রয়োদশ সংশোধনীকে অবৈধ ঘোষণা করে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বাতিল করেন। তবে আদালত মত দিয়েছিল, দশম ও একাদশ সংসদ নির্বাচন তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে হতে পারে এবং প্রধান উপদেষ্টা নির্বাচনে সংসদে ঐকমত্যে সিদ্ধান্ত নেওয়া সম্ভব। তৎকালীন প্রধান বিচারপতি এবিএম খায়রুল হকের নেতৃত্বে পূর্ণাঙ্গ বেঞ্চ এ রায় দেন।

এরপর ১৬ অক্টোবর বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের পক্ষে আরেকটি রিভিউ আবেদন করেন আইনজীবী জয়নুল আবেদীন। সর্বশেষ ২৩ অক্টোবর বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামি রিভিউ আবেদন দাখিল করে। জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার এ আবেদন করেন বলে জানান দলের আইনজীবী শিশির মনির।

প্রসঙ্গত, তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা অন্তর্ভুক্ত করে সংবিধানের ত্রয়োদশ সংশোধনী জাতীয় সংসদে পাস হয় ১৯৯৬ সালে। এ সংশোধনীর বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে তিন আইনজীবী হাইকোর্টে রিট করেন। ৪ আগস্ট হাইকোর্ট রিট খারিজ করে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থাকে বৈধ ঘোষণা করে।

পরে ২০০৫ সালে আপিলে রিটকারীরা আবার মামলাটি উত্থাপন করেন। আদালত এ মামলায় আটজন অ্যামিকাস কিউরি নিয়োগ করে। তাদের মধ্যে ড. কামাল হোসেন, টিএইচ খান, মাহমুদুল ইসলাম, ব্যারিস্টার আমীর-উল ইসলাম ও রোকনউদ্দিন মাহমুদ তত্ত্বাবধায়ক সরকারের পক্ষে মত দেন। ব্যারিস্টার আজমালুল হোসেন কেসি এর বিরোধিতা করেন, আর ব্যারিস্টার রফিক-উল-হক ও ড. এম জহির আমূল সংস্কারের প্রস্তাব দেন। তৎকালীন অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলমও তত্ত্বাবধায়ক সরকার রাখার পক্ষে মত দেন।

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

কুয়েতে বিশেষ খাদ্য সহায়তা পাঠাচ্ছে বাংলাদেশ

আজ তত্ত্বাবধায়ক সরকার ফেরাতে রিভিউ আবেদনের আবার শুনানি

আপডেট সময় ১০:৪৭:২০ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৭ অগাস্ট ২০২৫

তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বাতিলের রায় পুনর্বিবেচনা (রিভিউ) চেয়ে রাজনৈতিক দল ও ছয় ব্যক্তির করা চারটি আবেদনের শুনানি আজ বুধবার (২৭ আগস্ট) অনুষ্ঠিত হবে।

প্রধান বিচারপতি ড. সৈয়দ রেফাত আহমেদের নেতৃত্বাধীন সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের সাত সদস্যের বেঞ্চে এ শুনানি শুরু হবে।

২০১১ সালের ৬ এপ্রিল আপিল বিভাগের শুনানি শেষে বিষয়টি রায়ের জন্য অপেক্ষমাণ রাখা হয়। একই বছরের ১০ মে আদালত সংবিধানের ত্রয়োদশ সংশোধনীকে অবৈধ ঘোষণা করে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বাতিল করেন। তবে আদালত মত দিয়েছিল, দশম ও একাদশ সংসদ নির্বাচন তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে হতে পারে এবং প্রধান উপদেষ্টা নির্বাচনে সংসদে ঐকমত্যে সিদ্ধান্ত নেওয়া সম্ভব। তৎকালীন প্রধান বিচারপতি এবিএম খায়রুল হকের নেতৃত্বে পূর্ণাঙ্গ বেঞ্চ এ রায় দেন।

এরপর ১৬ অক্টোবর বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের পক্ষে আরেকটি রিভিউ আবেদন করেন আইনজীবী জয়নুল আবেদীন। সর্বশেষ ২৩ অক্টোবর বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামি রিভিউ আবেদন দাখিল করে। জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার এ আবেদন করেন বলে জানান দলের আইনজীবী শিশির মনির।

প্রসঙ্গত, তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা অন্তর্ভুক্ত করে সংবিধানের ত্রয়োদশ সংশোধনী জাতীয় সংসদে পাস হয় ১৯৯৬ সালে। এ সংশোধনীর বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে তিন আইনজীবী হাইকোর্টে রিট করেন। ৪ আগস্ট হাইকোর্ট রিট খারিজ করে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থাকে বৈধ ঘোষণা করে।

পরে ২০০৫ সালে আপিলে রিটকারীরা আবার মামলাটি উত্থাপন করেন। আদালত এ মামলায় আটজন অ্যামিকাস কিউরি নিয়োগ করে। তাদের মধ্যে ড. কামাল হোসেন, টিএইচ খান, মাহমুদুল ইসলাম, ব্যারিস্টার আমীর-উল ইসলাম ও রোকনউদ্দিন মাহমুদ তত্ত্বাবধায়ক সরকারের পক্ষে মত দেন। ব্যারিস্টার আজমালুল হোসেন কেসি এর বিরোধিতা করেন, আর ব্যারিস্টার রফিক-উল-হক ও ড. এম জহির আমূল সংস্কারের প্রস্তাব দেন। তৎকালীন অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলমও তত্ত্বাবধায়ক সরকার রাখার পক্ষে মত দেন।