ময়মনসিংহ , শুক্রবার, ১০ এপ্রিল ২০২৬, ২৭ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
অনলাইন-অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি ঘোষণা করল ঢাকার নির্দিষ্ট কিছু শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান শান্তিপূর্ণ নির্বাচন দেখাতে চাই বলেছেন সিইসি পহেলা বৈশাখে কৃষকদের নতুন উপহার: ১০ জেলায় ‘কৃষক কার্ড’ বিতরণের উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী বেরোবির দুই শিক্ষক ও শাখা ছাত্রলীগ সভাপতির ১০ বছরের কারাদণ্ড সংসদে হাসনাত: মানবাধিকার কমিশন আইন দিয়ে বিরোধী দল দমনের অভিযোগ সংসদে সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় অধ্যাদেশ রহিতকরণ বিল পাস রামেক হাসপাতালে হামের উপসর্গ নিয়ে ৫০ শিশুর মৃত্যু রাজনৈতিক আক্রমণ’ নিয়ে অবশেষে নীরবতা ভাঙলেন থালাপতি বিজয় কর্ম হারিয়ে দেশে আসা প্রবাসীদের নতুন কর্মসংস্থানের চেষ্টা করছি জানিয়েছেন শামা ওবায়েদ শিশু বলাৎকারের অভিযোগ
নোটিশ :
প্রতিটি জেলা- উপজেলায় একজন করে ভিডিও প্রতিনিধি আবশ্যক। যোগাযোগঃ- Email- matiomanuss@gmail.com. Mobile No- 017-11684104, 013-03300539.

১২ আইনজীবী জেলহাজতে বরগুনায় বিএনপি অফিস ভাঙচুর মামলায়

  • অনলাইন ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০১:২৮:৫০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২ সেপ্টেম্বর ২০২৫
  • ৯৬ বার পড়া হয়েছে

বরগুনা জেলা বিএনপির অফিস ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ মামলায় ১২ জন আইনজীবীর জামিন নামঞ্জুর করে জেলহাজতে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

১২ আইনজীবী হলেন— বরগুনা আইনজীবী সমিতির সাবেক সভাপতি মাহবুবুল বারি আসলাম, মো. মজিবর রহমান, মো. হুমায়ুন কবির, মো. নুরুল ইসলাম, মো. মজিবুল হক, হুমায়ুন কবির পল্টু, জুনায়েত হোসেন জুয়েল, আবদুল্লাহ আল মামুন, ইমরান হোসাইন, সাইমুল ইসলাম রাব্বি, আবদুর রহমান জুয়েল ও আমিরুল ইসলাম মিলন।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) মো. নুরুল আমীন।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, বরগুনা জেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক এসএম নজরুল ইসলামের ছেলে এসএম নঈমুল ইসলাম ২০২৩ সালের ১৭ মার্চের ঘটনা দেখিয়ে প্রায় দুই বছর পর চলতি বছরের ৩০ এপ্রিল বরগুনা থানায় মামলা দায়ের করেন। তার অভিযোগ, ওই দিন সকাল ১১টার দিকে বরগুনা জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সাবেক সংসদ সদস্য ধীরেন্দ্র দেবনাথ শমভু, সাধারণ সম্পাদক মো. জাহাঙ্গীর কবীর, সাবেক এমপি গোলাম সরোয়ার টুকু ও সাবেক এমপি শওকত হাচানুর রহমান রিমনের নেতৃত্বে ১৫৮ জন নেতাকর্মী জেলা বিএনপির কার্যালয়ে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করে প্রায় ৯ লাখ ৪৫ হাজার টাকার ক্ষতি সাধন করেন।

আসামিরা চলতি বছরের গত ২ জুলাই হাইকোর্ট থেকে আট সপ্তাহের আগাম জামিন পান এবং ২১ জুলাই বরগুনার জেলা ও দায়রা জজ আদালতে জামানতের নথি দাখিল করেন। জামিনের মেয়াদ শেষ হওয়ার আগেই ২৪ জুলাই তারা পুনরায় একই আদালতে হাজির হয়ে জামিনের আবেদন করেন। নথি তলবের পর মঙ্গলবার জামিন শুনানি অনুষ্ঠিত হয়। শুনানি শেষে আদালত ১২ আইনজীবীর জামিন নামঞ্জুর করে তাদের জেলহাজতে পাঠানোর আদেশ দেন।

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

অনলাইন-অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি ঘোষণা করল ঢাকার নির্দিষ্ট কিছু শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান

১২ আইনজীবী জেলহাজতে বরগুনায় বিএনপি অফিস ভাঙচুর মামলায়

আপডেট সময় ০১:২৮:৫০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২ সেপ্টেম্বর ২০২৫

বরগুনা জেলা বিএনপির অফিস ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ মামলায় ১২ জন আইনজীবীর জামিন নামঞ্জুর করে জেলহাজতে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

১২ আইনজীবী হলেন— বরগুনা আইনজীবী সমিতির সাবেক সভাপতি মাহবুবুল বারি আসলাম, মো. মজিবর রহমান, মো. হুমায়ুন কবির, মো. নুরুল ইসলাম, মো. মজিবুল হক, হুমায়ুন কবির পল্টু, জুনায়েত হোসেন জুয়েল, আবদুল্লাহ আল মামুন, ইমরান হোসাইন, সাইমুল ইসলাম রাব্বি, আবদুর রহমান জুয়েল ও আমিরুল ইসলাম মিলন।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) মো. নুরুল আমীন।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, বরগুনা জেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক এসএম নজরুল ইসলামের ছেলে এসএম নঈমুল ইসলাম ২০২৩ সালের ১৭ মার্চের ঘটনা দেখিয়ে প্রায় দুই বছর পর চলতি বছরের ৩০ এপ্রিল বরগুনা থানায় মামলা দায়ের করেন। তার অভিযোগ, ওই দিন সকাল ১১টার দিকে বরগুনা জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সাবেক সংসদ সদস্য ধীরেন্দ্র দেবনাথ শমভু, সাধারণ সম্পাদক মো. জাহাঙ্গীর কবীর, সাবেক এমপি গোলাম সরোয়ার টুকু ও সাবেক এমপি শওকত হাচানুর রহমান রিমনের নেতৃত্বে ১৫৮ জন নেতাকর্মী জেলা বিএনপির কার্যালয়ে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করে প্রায় ৯ লাখ ৪৫ হাজার টাকার ক্ষতি সাধন করেন।

আসামিরা চলতি বছরের গত ২ জুলাই হাইকোর্ট থেকে আট সপ্তাহের আগাম জামিন পান এবং ২১ জুলাই বরগুনার জেলা ও দায়রা জজ আদালতে জামানতের নথি দাখিল করেন। জামিনের মেয়াদ শেষ হওয়ার আগেই ২৪ জুলাই তারা পুনরায় একই আদালতে হাজির হয়ে জামিনের আবেদন করেন। নথি তলবের পর মঙ্গলবার জামিন শুনানি অনুষ্ঠিত হয়। শুনানি শেষে আদালত ১২ আইনজীবীর জামিন নামঞ্জুর করে তাদের জেলহাজতে পাঠানোর আদেশ দেন।