ময়মনসিংহ , বৃহস্পতিবার, ০৫ মার্চ ২০২৬, ২১ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
পাবনা জেলার ফরিদপুরে মরে যাচ্ছে বড়াল নদী, খনন না হলে হারিয়ে যেতে পারে ঐতিহ্য ও জীবিকা ময়মনসিংহ জেলায় ব্র্যাক এর বিভিন্ন কর্মসূচি ও এন্টারপ্রাইজ পরিদর্শন করেন ব্যারিস্টার জাইমা রহমান গৌরীপুরে থাইল্যান্ডের রঙিন বিটরুট চাষে কৃষক আজিজুলের বাজিমাত! নালিতাবাড়ীতে আকস্মিক হাসপাতাল পরিদর্শনে সংসদ সদস্য ফাহিম চৌধুরী ময়মনসিংহে বিভাগীয় পর্যায়ের ‘অদম্য নারী পুরস্কার’ পেলেন নুরুন নাহার আক্তার অফিসে নেই কোনো কর্মকর্তা ,সারপ্রাইজ ভিজিটে ভূমি প্রতিমন্ত্রী রংপুর ডিসি কার্যালয়ের কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা অফিসে আসতে ‘লেট’, সরকার রপ্তানি খাতে ২ হাজার ৫০০ কোটি টাকা ছাড় দিলো খামেনির মৃত্যুতে ইরানি শাসনব্যবস্থার পতন ঘটাবে না বলে মন্তব্য করেছেন ফারাহ পাহলভি ইরানিদের ভাগ্য নির্ধারণের অধিকার তাদেরই দিতে হবে বলেছেন ফারাহ পাহলভি
নোটিশ :
প্রতিটি জেলা- উপজেলায় একজন করে ভিডিও প্রতিনিধি আবশ্যক। যোগাযোগঃ- Email- matiomanuss@gmail.com. Mobile No- 017-11684104, 013-03300539.

ব্যারিস্টার ফুয়াদরা জানেন না কোথায় থামতে হবে বললেন হামিম

  • অনলাইন ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১২:৪৪:২৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৫
  • ৮২ বার পড়া হয়েছে

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচনের সময় ছাত্রদল সমর্থিত প্যানেলের জিএস প্রার্থী ছিলেন তানভীর বারী হামিম। নির্বাচনে জয় না পেলেও তিনি দলের পক্ষে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সক্রিয় রয়েছেন। গতকাল শনিবার এক ফেসবুক পোস্ট থেকে এবি পার্টির ব্যারিস্টার ফুয়াদকে টলস্টয়ের গল্প থেকে শিক্ষা নিতে বললেন দলের এই নেতা।

হামিম বলেন, ‘আমরা কথা বলতে বলতে কোথায় থামব আর কোন পর্যন্ত বললে সেটা গ্রহণযোগ‍্য হবে, মার্জিত হবে, এটা জানা অত‍্যন্ত জরুরি। খুব দুঃখের সঙ্গে খেয়াল করলাম, ব‍্যারিস্টার ফুয়াদ সাহেব ছাত্রদলের ছেলেদের দেখলে তার কেমন লাগে, সেটি তুলে ধরতে গিয়ে খারাপ কিছু বিশেষণ টেনে আনলেন। ব‍্যারিস্টার ফুয়াদদের এ দেশের জনগণ ফ‍্যাসিবাদবিরোধী শক্তি হিসেবে জানেন ও চেনেন।’

তিনি বলেন, ‘তার মুখ থেকে যখন এ ধরনের শব্দচয়ন হয়, এ জাতি থমকে দাঁড়ায়। ছাত্রদলের ছেলেদের দেখলে গাঁজাখোর লাগে কথাটি তিনি যখন উচ্চারণ করলেন তখন চোখের সামনে ভেসে উঠল গত জুলাই-আগস্টের সেই আওয়ামী বয়ান প্রথম শহীদ আবু সাঈদ নাকি টোকাই-গাঁজাখোর ছিল।’

হামিম বলেন,  ব‍্যারিস্টার ফুয়াদরা বিলেত থেকে ডিগ্রি এনেছেন ঠিকই, কিন্তু কতটুকুতে থামতে হয় সেই পরিসীমা সম্পর্কে ধারণা তৈরি করতে পারেননি। টলস্টয়ের কালজয়ী গল্প ‘সাড়ে তিন হাত জমি’র ঘটনাটি মনে পড়ে গেল। যে গল্পে পাখোম জানত না কতটুকু দৌড়ে তার থেমে যাওয়া উচিত, ব‍্যারিস্টার ফুয়াদ সাহেবকে সেই গল্প থেকে শিক্ষা নেওয়ার অনুরোধ করছি।

ছাত্রদলের শিক্ষার্থীরা প্রয়োজনে ফের রক্ত দেবে কিন্তু পিআর পদ্ধতি চালু কায়েম করতে দেবে না বলে উল্লেখ করে হামিম বলেন,  গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠায় আবু সাঈদ যেমন বুক পেতে দুই হাত উঁচিয়ে জীবন দিয়েছিল, ঠিক তেমনই ছাত্রদলের দেশপ্রেমিক শিক্ষার্থীরা আবারও রক্ত দেবে কিন্তু পিআরের  মতো অসম ব‍্যবস্থা কায়েমের নামে জাতীয় নির্বাচনকে ব‍্যাহত করার পাঁয়তারা সফল হতে দেবে না,এটাও মনে রাখবেন।

 

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

পাবনা জেলার ফরিদপুরে মরে যাচ্ছে বড়াল নদী, খনন না হলে হারিয়ে যেতে পারে ঐতিহ্য ও জীবিকা

ব্যারিস্টার ফুয়াদরা জানেন না কোথায় থামতে হবে বললেন হামিম

আপডেট সময় ১২:৪৪:২৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৫

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচনের সময় ছাত্রদল সমর্থিত প্যানেলের জিএস প্রার্থী ছিলেন তানভীর বারী হামিম। নির্বাচনে জয় না পেলেও তিনি দলের পক্ষে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সক্রিয় রয়েছেন। গতকাল শনিবার এক ফেসবুক পোস্ট থেকে এবি পার্টির ব্যারিস্টার ফুয়াদকে টলস্টয়ের গল্প থেকে শিক্ষা নিতে বললেন দলের এই নেতা।

হামিম বলেন, ‘আমরা কথা বলতে বলতে কোথায় থামব আর কোন পর্যন্ত বললে সেটা গ্রহণযোগ‍্য হবে, মার্জিত হবে, এটা জানা অত‍্যন্ত জরুরি। খুব দুঃখের সঙ্গে খেয়াল করলাম, ব‍্যারিস্টার ফুয়াদ সাহেব ছাত্রদলের ছেলেদের দেখলে তার কেমন লাগে, সেটি তুলে ধরতে গিয়ে খারাপ কিছু বিশেষণ টেনে আনলেন। ব‍্যারিস্টার ফুয়াদদের এ দেশের জনগণ ফ‍্যাসিবাদবিরোধী শক্তি হিসেবে জানেন ও চেনেন।’

তিনি বলেন, ‘তার মুখ থেকে যখন এ ধরনের শব্দচয়ন হয়, এ জাতি থমকে দাঁড়ায়। ছাত্রদলের ছেলেদের দেখলে গাঁজাখোর লাগে কথাটি তিনি যখন উচ্চারণ করলেন তখন চোখের সামনে ভেসে উঠল গত জুলাই-আগস্টের সেই আওয়ামী বয়ান প্রথম শহীদ আবু সাঈদ নাকি টোকাই-গাঁজাখোর ছিল।’

হামিম বলেন,  ব‍্যারিস্টার ফুয়াদরা বিলেত থেকে ডিগ্রি এনেছেন ঠিকই, কিন্তু কতটুকুতে থামতে হয় সেই পরিসীমা সম্পর্কে ধারণা তৈরি করতে পারেননি। টলস্টয়ের কালজয়ী গল্প ‘সাড়ে তিন হাত জমি’র ঘটনাটি মনে পড়ে গেল। যে গল্পে পাখোম জানত না কতটুকু দৌড়ে তার থেমে যাওয়া উচিত, ব‍্যারিস্টার ফুয়াদ সাহেবকে সেই গল্প থেকে শিক্ষা নেওয়ার অনুরোধ করছি।

ছাত্রদলের শিক্ষার্থীরা প্রয়োজনে ফের রক্ত দেবে কিন্তু পিআর পদ্ধতি চালু কায়েম করতে দেবে না বলে উল্লেখ করে হামিম বলেন,  গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠায় আবু সাঈদ যেমন বুক পেতে দুই হাত উঁচিয়ে জীবন দিয়েছিল, ঠিক তেমনই ছাত্রদলের দেশপ্রেমিক শিক্ষার্থীরা আবারও রক্ত দেবে কিন্তু পিআরের  মতো অসম ব‍্যবস্থা কায়েমের নামে জাতীয় নির্বাচনকে ব‍্যাহত করার পাঁয়তারা সফল হতে দেবে না,এটাও মনে রাখবেন।