ময়মনসিংহ , বুধবার, ০৮ জুলাই ২০২৬, ২৪ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
​সমুদ্র বন্দরে ৩ নম্বর সতর্ক সংকেত, মাছ ধরার নৌকায় সতর্কতা জুলাই নিয়ে কটূক্তিকারীদের বিচার করতে হবে বললেন আখতার হোসেন জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী মিশনে বড় রদবদল: স্থায়ী প্রতিনিধি আইরিন খান, উপ-স্থায়ী প্রতিনিধি ওয়াহিদুজ্জামান ​জাতীয় নির্বাচনের পাঠ নিয়ে স্থানীয় নির্বাচনে নামছে নির্বাচন কমিশন পঞ্চদশ সংশোধনী মামলার রায় বৃহস্পতিবার জনদুর্ভোগ লাঘবে নারী এমপির অনুদান; সড়ক সংস্কারে যুবদল, ছাত্রদল ও স্বেচ্ছাসেবক দল ​আর্জেন্টিনার প্রতি শুভকামনা মোস্তফা জিকোর, প্রত্যাশা আরও এক বিশ্বকাপের রেফারিং নিয়ে ক্ষোভ: ‘টাকার বিনিময়ে ম্যাচ হেরেছি’, অভিযোগ মিশর কোচের নিউইয়র্কে বাংলাদেশ-পাকিস্তান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী পর্যায়ের দ্বিপাক্ষিক বৈঠক অনুষ্ঠিত ​কারবালার পথে আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির মরদেহ
নোটিশ :
প্রতিটি জেলা- উপজেলায় একজন করে ভিডিও প্রতিনিধি আবশ্যক। যোগাযোগঃ- Email- matiomanuss@gmail.com. Mobile No- 017-11684104, 013-03300539.

যৌথ বাহিনীর অভিযানে অস্ত্র, গুলি ও বিস্ফোরকসহ আটক ৬ বান্দরবানে

  • অনলাইন রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ০৯:৫০:৩৫ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২০ অক্টোবর ২০২৫
  • ১২৮ বার পড়া হয়েছে

বান্দরবানের থানচি ও আলীকদমে যৌথ বাহিনীর পৃথক অভিযানে অস্ত্র, গুলি ও বিস্ফোরকসহ ৬ জনকে আটক করা হয়েছে।

গত রোববার (১৯ অক্টোবর) আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তরের (আইএসপিআর) এক বার্তায় এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে। বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) ও সেনাবাহিনীর যৌথ অভিযানে এসব অস্ত্র উদ্ধার করা হয়।

এর মধ্যে শনিবার পার্বত্য চট্টগ্রামের বান্দরবান জেলার থানচি উপজেলায় অভিযান চালিয়ে অস্ত্র চোরাচালান চক্রের সঙ্গে জড়িত সন্দেহে ওয়াইবার ত্রিপুরাকে আটক করা হয়।

ওয়াইবার ত্রিপুরাকে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদের পর তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে সেনাবাহিনী ও বিজিবি সদস্যদের সমন্বয়ে থানচি উপজেলার রেমাক্রি ইউনিয়নের লিক্রি এলাকায় যৌথ অভিযান পরিচালিত হয়।

এছাড়া রোববার বান্দরবানের আলীকদম উপজেলার আগলা পাড়া এলাকায় সুনির্দিষ্ট গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে সেনাবাহিনীর একটি আভিযানিক দল বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানে মেনশন ম্রো নামক এক ব্যক্তির বাড়ি ঘেরাও করে তল্লাশি করা হয়। এসময় সেনাবাহিনীর উপস্থিতি টের পেয়ে ঘটনাস্থল থেকে সশস্ত্র সদস্যরা পালিয়ে যায়।

পরে ওই এলাকায় তল্লাশি চালিয়ে সেনাবাহিনী চারজন ব্যক্তিকে সন্দেহজনকভাবে আটক করে এবং ২৮ রাউন্ড এমজি বল অ্যামুনিশন, দুটি ওয়াকিটকি সেট, চারটি ওয়াকিটকি চার্জারসহ বিভিন্ন সরঞ্জাম উদ্ধার করে।

আইএসপিআর- এর ওই বার্তায় আরও জানানো হয়েছে, পার্বত্য চট্টগ্রামের বিভিন্ন এলাকায় সাধারণ জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিতে সশস্ত্র সদস্যদের বিরুদ্ধে সেনা ও বিজিবির যৌথ অভিযান অব্যাহত রয়েছে। দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষা এবং এ অঞ্চলের সব জাতিগোষ্ঠীর নিরাপত্তা নিশ্চিতে প্রয়োজনীয় যেকোনো পদক্ষেপ গ্রহণে সেনাবাহিনী ও বিজিবি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

​সমুদ্র বন্দরে ৩ নম্বর সতর্ক সংকেত, মাছ ধরার নৌকায় সতর্কতা

যৌথ বাহিনীর অভিযানে অস্ত্র, গুলি ও বিস্ফোরকসহ আটক ৬ বান্দরবানে

আপডেট সময় ০৯:৫০:৩৫ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২০ অক্টোবর ২০২৫

বান্দরবানের থানচি ও আলীকদমে যৌথ বাহিনীর পৃথক অভিযানে অস্ত্র, গুলি ও বিস্ফোরকসহ ৬ জনকে আটক করা হয়েছে।

গত রোববার (১৯ অক্টোবর) আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তরের (আইএসপিআর) এক বার্তায় এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে। বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) ও সেনাবাহিনীর যৌথ অভিযানে এসব অস্ত্র উদ্ধার করা হয়।

এর মধ্যে শনিবার পার্বত্য চট্টগ্রামের বান্দরবান জেলার থানচি উপজেলায় অভিযান চালিয়ে অস্ত্র চোরাচালান চক্রের সঙ্গে জড়িত সন্দেহে ওয়াইবার ত্রিপুরাকে আটক করা হয়।

ওয়াইবার ত্রিপুরাকে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদের পর তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে সেনাবাহিনী ও বিজিবি সদস্যদের সমন্বয়ে থানচি উপজেলার রেমাক্রি ইউনিয়নের লিক্রি এলাকায় যৌথ অভিযান পরিচালিত হয়।

এছাড়া রোববার বান্দরবানের আলীকদম উপজেলার আগলা পাড়া এলাকায় সুনির্দিষ্ট গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে সেনাবাহিনীর একটি আভিযানিক দল বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানে মেনশন ম্রো নামক এক ব্যক্তির বাড়ি ঘেরাও করে তল্লাশি করা হয়। এসময় সেনাবাহিনীর উপস্থিতি টের পেয়ে ঘটনাস্থল থেকে সশস্ত্র সদস্যরা পালিয়ে যায়।

পরে ওই এলাকায় তল্লাশি চালিয়ে সেনাবাহিনী চারজন ব্যক্তিকে সন্দেহজনকভাবে আটক করে এবং ২৮ রাউন্ড এমজি বল অ্যামুনিশন, দুটি ওয়াকিটকি সেট, চারটি ওয়াকিটকি চার্জারসহ বিভিন্ন সরঞ্জাম উদ্ধার করে।

আইএসপিআর- এর ওই বার্তায় আরও জানানো হয়েছে, পার্বত্য চট্টগ্রামের বিভিন্ন এলাকায় সাধারণ জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিতে সশস্ত্র সদস্যদের বিরুদ্ধে সেনা ও বিজিবির যৌথ অভিযান অব্যাহত রয়েছে। দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষা এবং এ অঞ্চলের সব জাতিগোষ্ঠীর নিরাপত্তা নিশ্চিতে প্রয়োজনীয় যেকোনো পদক্ষেপ গ্রহণে সেনাবাহিনী ও বিজিবি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।