ময়মনসিংহ , বুধবার, ২৬ অগাস্ট ২০২৬, ১১ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
পুলিশের পাশাপাশি অন্য বাহিনীগুলোকেও জবাবদিহিতার মধ্যে আনা হবে বলেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রংপুরের ৪ খুনে অল্প সময়ে অপরাধী গ্রেপ্তার না হলে সুনাম ক্ষুণ্ন হতো বলে মন্তব্য করেছেন রিজভী সরকার ভুল করলে চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিন জানিয়েছেন আইনমন্ত্রী নওগাঁর পোরশায় প্রায় ২০ কেজি ওজনের কষ্টিপাথর সদৃশ মূর্তি উদ্ধার পাবনা জেলার সুজানগর উপজেলায় গ্যাসের অনুসন্ধান কার্যক্রমের শুভ সূচনা দুর্গাপুরে ১৯ লাখ টাকার ফেন্সিডিলসহ আটক ১ পাবনায় যথাযথ মর্যাদায় ঈদে মিলাদুন্নবী (সা:) পালিত ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উদযাপনে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে হাজারো মানুষের ঢল রংপুরের হত্যাকাণ্ডের আসামিরা দ্রুত সময়ে গ্রেপ্তার হয়েছে বললেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী নরসিংদীতে পুলিশের সাঁড়াশি অভিযান, মাদক-অস্ত্রসহ গ্রেপ্তার ২৩৭
নোটিশ :
প্রতিটি জেলা- উপজেলায় একজন করে ভিডিও প্রতিনিধি আবশ্যক। যোগাযোগঃ- Email- matiomanuss@gmail.com. Mobile No- 017-11684104, 013-03300539.

যৌথ বাহিনীর অভিযানে অস্ত্র, গুলি ও বিস্ফোরকসহ আটক ৬ বান্দরবানে

  • অনলাইন রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ০৯:৫০:৩৫ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২০ অক্টোবর ২০২৫
  • ১৪৩ বার পড়া হয়েছে

বান্দরবানের থানচি ও আলীকদমে যৌথ বাহিনীর পৃথক অভিযানে অস্ত্র, গুলি ও বিস্ফোরকসহ ৬ জনকে আটক করা হয়েছে।

গত রোববার (১৯ অক্টোবর) আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তরের (আইএসপিআর) এক বার্তায় এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে। বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) ও সেনাবাহিনীর যৌথ অভিযানে এসব অস্ত্র উদ্ধার করা হয়।

এর মধ্যে শনিবার পার্বত্য চট্টগ্রামের বান্দরবান জেলার থানচি উপজেলায় অভিযান চালিয়ে অস্ত্র চোরাচালান চক্রের সঙ্গে জড়িত সন্দেহে ওয়াইবার ত্রিপুরাকে আটক করা হয়।

ওয়াইবার ত্রিপুরাকে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদের পর তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে সেনাবাহিনী ও বিজিবি সদস্যদের সমন্বয়ে থানচি উপজেলার রেমাক্রি ইউনিয়নের লিক্রি এলাকায় যৌথ অভিযান পরিচালিত হয়।

এছাড়া রোববার বান্দরবানের আলীকদম উপজেলার আগলা পাড়া এলাকায় সুনির্দিষ্ট গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে সেনাবাহিনীর একটি আভিযানিক দল বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানে মেনশন ম্রো নামক এক ব্যক্তির বাড়ি ঘেরাও করে তল্লাশি করা হয়। এসময় সেনাবাহিনীর উপস্থিতি টের পেয়ে ঘটনাস্থল থেকে সশস্ত্র সদস্যরা পালিয়ে যায়।

পরে ওই এলাকায় তল্লাশি চালিয়ে সেনাবাহিনী চারজন ব্যক্তিকে সন্দেহজনকভাবে আটক করে এবং ২৮ রাউন্ড এমজি বল অ্যামুনিশন, দুটি ওয়াকিটকি সেট, চারটি ওয়াকিটকি চার্জারসহ বিভিন্ন সরঞ্জাম উদ্ধার করে।

আইএসপিআর- এর ওই বার্তায় আরও জানানো হয়েছে, পার্বত্য চট্টগ্রামের বিভিন্ন এলাকায় সাধারণ জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিতে সশস্ত্র সদস্যদের বিরুদ্ধে সেনা ও বিজিবির যৌথ অভিযান অব্যাহত রয়েছে। দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষা এবং এ অঞ্চলের সব জাতিগোষ্ঠীর নিরাপত্তা নিশ্চিতে প্রয়োজনীয় যেকোনো পদক্ষেপ গ্রহণে সেনাবাহিনী ও বিজিবি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

পুলিশের পাশাপাশি অন্য বাহিনীগুলোকেও জবাবদিহিতার মধ্যে আনা হবে বলেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

যৌথ বাহিনীর অভিযানে অস্ত্র, গুলি ও বিস্ফোরকসহ আটক ৬ বান্দরবানে

আপডেট সময় ০৯:৫০:৩৫ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২০ অক্টোবর ২০২৫

বান্দরবানের থানচি ও আলীকদমে যৌথ বাহিনীর পৃথক অভিযানে অস্ত্র, গুলি ও বিস্ফোরকসহ ৬ জনকে আটক করা হয়েছে।

গত রোববার (১৯ অক্টোবর) আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তরের (আইএসপিআর) এক বার্তায় এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে। বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) ও সেনাবাহিনীর যৌথ অভিযানে এসব অস্ত্র উদ্ধার করা হয়।

এর মধ্যে শনিবার পার্বত্য চট্টগ্রামের বান্দরবান জেলার থানচি উপজেলায় অভিযান চালিয়ে অস্ত্র চোরাচালান চক্রের সঙ্গে জড়িত সন্দেহে ওয়াইবার ত্রিপুরাকে আটক করা হয়।

ওয়াইবার ত্রিপুরাকে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদের পর তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে সেনাবাহিনী ও বিজিবি সদস্যদের সমন্বয়ে থানচি উপজেলার রেমাক্রি ইউনিয়নের লিক্রি এলাকায় যৌথ অভিযান পরিচালিত হয়।

এছাড়া রোববার বান্দরবানের আলীকদম উপজেলার আগলা পাড়া এলাকায় সুনির্দিষ্ট গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে সেনাবাহিনীর একটি আভিযানিক দল বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানে মেনশন ম্রো নামক এক ব্যক্তির বাড়ি ঘেরাও করে তল্লাশি করা হয়। এসময় সেনাবাহিনীর উপস্থিতি টের পেয়ে ঘটনাস্থল থেকে সশস্ত্র সদস্যরা পালিয়ে যায়।

পরে ওই এলাকায় তল্লাশি চালিয়ে সেনাবাহিনী চারজন ব্যক্তিকে সন্দেহজনকভাবে আটক করে এবং ২৮ রাউন্ড এমজি বল অ্যামুনিশন, দুটি ওয়াকিটকি সেট, চারটি ওয়াকিটকি চার্জারসহ বিভিন্ন সরঞ্জাম উদ্ধার করে।

আইএসপিআর- এর ওই বার্তায় আরও জানানো হয়েছে, পার্বত্য চট্টগ্রামের বিভিন্ন এলাকায় সাধারণ জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিতে সশস্ত্র সদস্যদের বিরুদ্ধে সেনা ও বিজিবির যৌথ অভিযান অব্যাহত রয়েছে। দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষা এবং এ অঞ্চলের সব জাতিগোষ্ঠীর নিরাপত্তা নিশ্চিতে প্রয়োজনীয় যেকোনো পদক্ষেপ গ্রহণে সেনাবাহিনী ও বিজিবি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।