ময়মনসিংহ , বুধবার, ১১ মার্চ ২০২৬, ২৬ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউট-এ দৈনিকভিত্তিক শ্রমিকদের কর্মবিরতি, ৮ দফা দাবি বাস্তবায়নের আহ্বান জ্বালানির দাম বাড়ানোর কোনো পরিকল্পনা নেই জানিয়েছেন বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী পাইপলাইনে আসছে ৫ হাজার টন ডিজেল ভারত থেকে এক মাসের কম সময়ে জনগণের কাছে দেওয়া প্রতিশ্রুতির কাজ শুরু করেছি বলেছেন প্রধানমন্ত্রী পূর্বধলায় গণহত্যা দিবস ও মহান স্বাধীনতা দিবস উদযাপনে প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলাম, কথা রেখেছি বলেছেন মির্জা ফখরুল পাবনা জেলার ফরিদপুরে মরে যাচ্ছে বড়াল নদী, খনন না হলে হারিয়ে যেতে পারে ঐতিহ্য ও জীবিকা প্রধানমন্ত্রী ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির উদ্বোধন করলেন গৌরীপুরে মাহে রমজানের তাৎপর্য শীর্ষক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত এনসিপির ৮৭ নেতাকর্মীর গণপদত্যাগ রাঙামাটির জুরাছড়িতে
নোটিশ :
প্রতিটি জেলা- উপজেলায় একজন করে ভিডিও প্রতিনিধি আবশ্যক। যোগাযোগঃ- Email- matiomanuss@gmail.com. Mobile No- 017-11684104, 013-03300539.

আর মাত্র ৩ দিন পরেই ১০টির বেশি সিম বন্ধ হয়ে যাবে

  • ডিজিটাল ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১০:০৫:১৮ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৫
  • ১১৮ বার পড়া হয়েছে

একটি জাতীয় পরিচয়পত্রের (এনআইডি) বিপরীতে সর্বোচ্চ ১০টি সিম নিবন্ধনের নিয়ম এবার কঠোরভাবে বাস্তবায়ন করতে যাচ্ছে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি)। কমিশন জানিয়েছে, আগামী ৩০ অক্টোবরের পর কোনো এনআইডিতে ১০টির বেশি সিম নিবন্ধিত থাকলে অতিরিক্ত সিমগুলো স্বয়ংক্রিয়ভাবে বন্ধ করে দেওয়া হবে।

বিটিআরসি সম্প্রতি জারি করা এক জরুরি বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে গ্রাহকরা তাদের পছন্দমতো সর্বোচ্চ ১০টি সিম রেখে অতিরিক্ত সিমগুলো সংশ্লিষ্ট মোবাইল অপারেটরের কাস্টমার কেয়ারে গিয়ে ডি-রেজিস্টার বা মালিকানা পরিবর্তন করতে পারবেন। সময়সীমা শেষে কমিশন দৈবচয়নের (র‍্যান্ডম সিলেকশন) মাধ্যমে অতিরিক্ত সিমগুলো স্বয়ংক্রিয়ভাবে বাতিল করবে।

এছাড়া, গ্রাহকরা সহজেই জানতে পারবেন তাদের এনআইডিতে কতটি সিম নিবন্ধিত আছে। এজন্য যেকোনো মোবাইল ফোন থেকে *16001# ডায়াল করে এনআইডির শেষ চারটি সংখ্যা পাঠালেই সংশ্লিষ্ট তথ্য পাওয়া যাবে।

বিটিআরসি জানিয়েছে, অবৈধ সিম ব্যবহার, প্রতারণা ও বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড রোধে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। কমিশনের ভাষ্য, সঠিক মালিকানা নিশ্চিত করতে ও সিম নিবন্ধন ব্যবস্থাকে আরও স্বচ্ছ ও নিরাপদ করতে গ্রাহকদের নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে হবে।

বিটিআরসির সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালের মার্চ পর্যন্ত দেশে সক্রিয় মোবাইল সিমের সংখ্যা ১৮ কোটি ৬২ লাখ। অথচ প্রকৃত মোবাইল গ্রাহক মাত্র ৬ কোটি ৭৫ লাখ। এর মধ্যে ৮০ শতাংশের বেশি গ্রাহকের নামে ৫টির কম সিম রয়েছে, প্রায় ১৬ শতাংশ গ্রাহকের নামে ৬ থেকে ১০টি সিম, আর মাত্র ৩ শতাংশ ব্যবহারকারী ১১টির বেশি সিম ব্যবহার করছেন।

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউট-এ দৈনিকভিত্তিক শ্রমিকদের কর্মবিরতি, ৮ দফা দাবি বাস্তবায়নের আহ্বান

আর মাত্র ৩ দিন পরেই ১০টির বেশি সিম বন্ধ হয়ে যাবে

আপডেট সময় ১০:০৫:১৮ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৫

একটি জাতীয় পরিচয়পত্রের (এনআইডি) বিপরীতে সর্বোচ্চ ১০টি সিম নিবন্ধনের নিয়ম এবার কঠোরভাবে বাস্তবায়ন করতে যাচ্ছে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি)। কমিশন জানিয়েছে, আগামী ৩০ অক্টোবরের পর কোনো এনআইডিতে ১০টির বেশি সিম নিবন্ধিত থাকলে অতিরিক্ত সিমগুলো স্বয়ংক্রিয়ভাবে বন্ধ করে দেওয়া হবে।

বিটিআরসি সম্প্রতি জারি করা এক জরুরি বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে গ্রাহকরা তাদের পছন্দমতো সর্বোচ্চ ১০টি সিম রেখে অতিরিক্ত সিমগুলো সংশ্লিষ্ট মোবাইল অপারেটরের কাস্টমার কেয়ারে গিয়ে ডি-রেজিস্টার বা মালিকানা পরিবর্তন করতে পারবেন। সময়সীমা শেষে কমিশন দৈবচয়নের (র‍্যান্ডম সিলেকশন) মাধ্যমে অতিরিক্ত সিমগুলো স্বয়ংক্রিয়ভাবে বাতিল করবে।

এছাড়া, গ্রাহকরা সহজেই জানতে পারবেন তাদের এনআইডিতে কতটি সিম নিবন্ধিত আছে। এজন্য যেকোনো মোবাইল ফোন থেকে *16001# ডায়াল করে এনআইডির শেষ চারটি সংখ্যা পাঠালেই সংশ্লিষ্ট তথ্য পাওয়া যাবে।

বিটিআরসি জানিয়েছে, অবৈধ সিম ব্যবহার, প্রতারণা ও বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড রোধে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। কমিশনের ভাষ্য, সঠিক মালিকানা নিশ্চিত করতে ও সিম নিবন্ধন ব্যবস্থাকে আরও স্বচ্ছ ও নিরাপদ করতে গ্রাহকদের নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে হবে।

বিটিআরসির সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালের মার্চ পর্যন্ত দেশে সক্রিয় মোবাইল সিমের সংখ্যা ১৮ কোটি ৬২ লাখ। অথচ প্রকৃত মোবাইল গ্রাহক মাত্র ৬ কোটি ৭৫ লাখ। এর মধ্যে ৮০ শতাংশের বেশি গ্রাহকের নামে ৫টির কম সিম রয়েছে, প্রায় ১৬ শতাংশ গ্রাহকের নামে ৬ থেকে ১০টি সিম, আর মাত্র ৩ শতাংশ ব্যবহারকারী ১১টির বেশি সিম ব্যবহার করছেন।