গত রোববার (২৫ জানুয়ারি) বিকেলে নগরীর রাধাবল্লভ এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
এই ঘটনার জেরে স্থানীয়দের সঙ্গে ছাত্রশিবিরের নেতাকর্মীদের দফায় দফায় সংঘর্ষ হয়। এতে ছাত্রশিবিরের দুই কর্মী—আলিফ ইমরান ও সিহাব ইসলাম আহত হন। পাশাপাশি কয়েকজন স্থানীয় বাসিন্দাও আহত হয়ে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা নেন।
ঘটনার পর বিকেলে রাধাবল্লভ প্রাইমারি স্কুলের সামনে ছাত্রশিবিরের নেতাকর্মীরা জড়ো হয়ে বিভিন্ন স্লোগান দেন। এ সময় পরিস্থিতি জানতে গেলে গণমাধ্যমকর্মীদের সঙ্গে তাদের বাক্বিতণ্ডা হয়। একপর্যায়ে সাংবাদিকদের ওপর হামলা চালানো হয়।
এ ঘটনায় আহত চার সাংবাদিক হলেন, দীপ্ত টিভির রংপুর জেলা প্রতিনিধি ফেরদৌস জয়, দেশ নিউজ বিডির বিশেষ প্রতিবেদক মেহেদি হাসান, চ্যানেল ওয়ানের চিত্র সাংবাদিক সাইফুল ইসলাম মুকুল এবং একাত্তর টেলিভিশনের রংপুর সদর প্রতিনিধি মাহবুব হোসেন সুমন।
পরে ঘটনার প্রতিবাদে সাংবাদিকেরা তাৎক্ষণিকভাবে রংপুর জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে অবস্থান কর্মসূচি পালন করেন।
ঘণ্টাব্যাপী এই কর্মসূচিতে সাংবাদিকেরা বলেন, দীর্ঘদিন ধরে স্বাধীনভাবে প্রশ্ন করার পরিবেশ নেই। এ ঘটনায় তাঁরা গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেন এবং দোষীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান।
এসময় তিন দফা দাবি জানান সাংবাদিকরা ৩ দফা দাবি জানায়- ১.সকল দলকে গণমাধ্যমর স্বাধীনতা নিশ্চিতে বিবৃতি দিতে হবে ; ২.নির্বাচন কমিশনের কাছে গণমাধ্যমকর্মীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহন করতে হবে; ৩.গনমাধ্যম কর্মীদের হামলার ঘটনায় দ্রুত সময়ের মধ্যে দোষীদের আইনের আওতায় আনতে হবে।
এ বিষয়ে শিবিরের রংপুর মহানগর সাভাপতি নুরুল হুদাকে মুঠোফোনে একাধিকবার কল করা হলেও কোন সাড়া মেলেনি।

স্টাফ রিপোর্টার 





















