ময়মনসিংহ , শনিবার, ২১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ৯ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
সংসদে বসা মাত্রই ‘হ্যাঁ’ অটোমেটিক কার্যকর হবে জানিয়েছেন পানিসম্পদ মন্ত্রী ভাষা আন্দোলনই ছিল মহান মুক্তিযুদ্ধের মূল সূচনাবিন্দু বলে মন্তব্য করেছেন মুক্তিযুদ্ধ প্রতিমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান প্রথমবারের মতো তেজগাঁও কার্যালয়ে অফিস করছেন বিনিয়োগ বাড়বে ব্যবসাবাণিজ্যে:আমীর খসরু সরকারী-বেসরকারী সকল অফিস আদালতে প্রজ্ঞাপন, বিজ্ঞাপন, আদেশসহ যাবতীয় দাপ্তরিক কাজ মাতৃভাষা বাংলা করা হউক কঠিন চ্যালেঞ্জ মাদক নিয়ন্ত্রণ করা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সর্বস্তরের মানুষের উপচেপড়া ভিড় শহীদ মিনারে, ভাষাশহীদদের প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা দুর্নীতি ও ধর্মান্ধতা একুশের চেতনার পরিপন্থী বলে মন্তব্য করেছেন ড. ইফতেখারুজ্জামান অর্থমন্ত্রী চট্টগ্রাম বন্দর থেকে চার দিনের মধ্যে পণ্য শুল্কায়নের নির্দেশ দিলেন ১৯৫২ সালে মাতৃভাষা পেলেও নাগরিকদের অধিকার আজও অধরা রয়ে গেছে বলে মন্তব্য করেছেন জামায়াত আমির
নোটিশ :
প্রতিটি জেলা- উপজেলায় একজন করে ভিডিও প্রতিনিধি আবশ্যক। যোগাযোগঃ- Email- matiomanuss@gmail.com. Mobile No- 017-11684104, 013-03300539.

সংরক্ষিত নারী আসনে সুমাইয়াকে সংসদে দেখতে চান শেরপুরবাসী

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনে সম্ভাব্য প্রার্থী হয়েছেন শেরপুর জেলা মহিলা দলের সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সুমাইয়া আলম। তিনি দীর্ঘদিন ধরে বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত রয়েছেন।

সুমাইয়া আলমের বাবা শফিকুল ইসলামও দীর্ঘদিন ধরে বিএনপি ও এর অঙ্গ সংগঠনের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। তিনি জাসাস, যুবদল, কৃষকদলসহ জেলা ও উপজেলা বিএনপির বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদে দায়িত্ব পালন করেছেন।

এবারের সংসদে শেরপুর-জামালপুর অঞ্চল থেকে সংরক্ষিত আসনের প্রার্থী সুমাইয়া আলম ইতিমধ্যে বেশ আলোচনায় এসেছেন। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ও স্থানীয় কর্মীসমর্থকদের মাঝে তার ব্যাপক প্রচারণা লক্ষ্য করা যাচ্ছে। শেরপুর জেলার বিভিন্ন পর্যায়ের মানুষের দাবি এই প্রার্থী সংসদে গিয়ে তাদের প্রতিনিধিত্ব করুক।

ছাত্রদল নেতা মুস্তাফিজুর রহমান মুক্তার বলেন, ‘সুমাইয়া আপু বিএনপির দুর্দিনে অনেক কাজ করেছে তাই তাকে সংরক্ষিত আসনের এমপি হিসেবে দেখতে চাই।’

রহিম আলী নামে এক রিকশাচালক বলেন, ‘মেয়েটিকে আমি চিনি, ভালো পরিবারের সন্তান। তার মতো মানুষেরই সংসদে যাওয়া প্রয়োজন।’

প্রার্থী সুমাইয়া আলম বলেন, ‘আমাদের শেরপুর জেলা একটি অবহেলিত অঞ্চল। ১৭ বছরে এখানে উন্নয়নের কোন ধারাবাহিকতা ছিল না। অতীতে আমাদের শেরপুরে নারীদের নিয়ে তেমন কোন কাজ করার সুযোগ হয়নি। আমি সুযোগ পেলে শেরপুরের পিছিয়ে পড়া নারীদের নিয়ে কাজ করবো। আমার বেড়ে উঠা যেহেতু শেরপুরেই তাই কি করলে এখানকার জনগণের কল্যান হবে তা আমার ভালো জানা আছে।’

তিনি আরো বলেন, ‘আমাদের সীমান্তবর্তী পাহাড়ি এই অঞ্চলে নারীদের তেমন কর্মসংস্থান নেই, আমি সংসদে যেতে পারলে নারীদের আত্মকর্মসংস্থানের সুযোগ করে দেবো। বাল্যবিবাহ বন্ধ থেকে শুরু করে নারীদের স্বাস্থ্য সুরক্ষায় কাজ করবো।

সুমাইয়া আলম বলেন, ‘বিগত স্বৈরাচার আমলে আমি রাজপথে থেকে আওয়ামী লীগের কুকর্মের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করেছি। আমি ছোটবেলা থেকেই বিএনপি দলের সাথে সম্পৃক্ত। আওয়ামী লীগ আমলে যখন বিএনপি পরিবারগুলো বঞ্চিত হচ্ছিল তখন বিবেকের তাড়নায় আমি রাজপথে নামি। যখন পুরুষ মানুষ বিএনপি করতে ভয় পেত তখন আমি নারী হিসেবে সামনের সারিতে থেকে লড়াই করেছি। দুর্দিনে যেহেতু দলের সব কর্মসূচিতে আমি অংশ নিয়েছি, হামলা মামলার স্বীকার হয়েছি। সবমিলিয়ে আমি আশা করি দল আমাকে মূল্যায়ন করবে। দুর্দিনে যেহেতু পাশে ছিলাম সুতরাং আমি ও আমার সমর্থক আশাবাদী দল আমাদের নিরাশ করবে না।’

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক শেরপুর জেলা বিএনপির এক সিনিয়র নেতার ভাষ্যমতে, শেরপুর থেকে কেউ সংরক্ষিত আসনে সংসদ সদস্য হলে সুমাইয়া আলমই সেই যোগ্যতা রাখে।’

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সংসদে বসা মাত্রই ‘হ্যাঁ’ অটোমেটিক কার্যকর হবে জানিয়েছেন পানিসম্পদ মন্ত্রী

সংরক্ষিত নারী আসনে সুমাইয়াকে সংসদে দেখতে চান শেরপুরবাসী

আপডেট সময় ০৯:৪৫:০৭ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনে সম্ভাব্য প্রার্থী হয়েছেন শেরপুর জেলা মহিলা দলের সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সুমাইয়া আলম। তিনি দীর্ঘদিন ধরে বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত রয়েছেন।

সুমাইয়া আলমের বাবা শফিকুল ইসলামও দীর্ঘদিন ধরে বিএনপি ও এর অঙ্গ সংগঠনের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। তিনি জাসাস, যুবদল, কৃষকদলসহ জেলা ও উপজেলা বিএনপির বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদে দায়িত্ব পালন করেছেন।

এবারের সংসদে শেরপুর-জামালপুর অঞ্চল থেকে সংরক্ষিত আসনের প্রার্থী সুমাইয়া আলম ইতিমধ্যে বেশ আলোচনায় এসেছেন। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ও স্থানীয় কর্মীসমর্থকদের মাঝে তার ব্যাপক প্রচারণা লক্ষ্য করা যাচ্ছে। শেরপুর জেলার বিভিন্ন পর্যায়ের মানুষের দাবি এই প্রার্থী সংসদে গিয়ে তাদের প্রতিনিধিত্ব করুক।

ছাত্রদল নেতা মুস্তাফিজুর রহমান মুক্তার বলেন, ‘সুমাইয়া আপু বিএনপির দুর্দিনে অনেক কাজ করেছে তাই তাকে সংরক্ষিত আসনের এমপি হিসেবে দেখতে চাই।’

রহিম আলী নামে এক রিকশাচালক বলেন, ‘মেয়েটিকে আমি চিনি, ভালো পরিবারের সন্তান। তার মতো মানুষেরই সংসদে যাওয়া প্রয়োজন।’

প্রার্থী সুমাইয়া আলম বলেন, ‘আমাদের শেরপুর জেলা একটি অবহেলিত অঞ্চল। ১৭ বছরে এখানে উন্নয়নের কোন ধারাবাহিকতা ছিল না। অতীতে আমাদের শেরপুরে নারীদের নিয়ে তেমন কোন কাজ করার সুযোগ হয়নি। আমি সুযোগ পেলে শেরপুরের পিছিয়ে পড়া নারীদের নিয়ে কাজ করবো। আমার বেড়ে উঠা যেহেতু শেরপুরেই তাই কি করলে এখানকার জনগণের কল্যান হবে তা আমার ভালো জানা আছে।’

তিনি আরো বলেন, ‘আমাদের সীমান্তবর্তী পাহাড়ি এই অঞ্চলে নারীদের তেমন কর্মসংস্থান নেই, আমি সংসদে যেতে পারলে নারীদের আত্মকর্মসংস্থানের সুযোগ করে দেবো। বাল্যবিবাহ বন্ধ থেকে শুরু করে নারীদের স্বাস্থ্য সুরক্ষায় কাজ করবো।

সুমাইয়া আলম বলেন, ‘বিগত স্বৈরাচার আমলে আমি রাজপথে থেকে আওয়ামী লীগের কুকর্মের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করেছি। আমি ছোটবেলা থেকেই বিএনপি দলের সাথে সম্পৃক্ত। আওয়ামী লীগ আমলে যখন বিএনপি পরিবারগুলো বঞ্চিত হচ্ছিল তখন বিবেকের তাড়নায় আমি রাজপথে নামি। যখন পুরুষ মানুষ বিএনপি করতে ভয় পেত তখন আমি নারী হিসেবে সামনের সারিতে থেকে লড়াই করেছি। দুর্দিনে যেহেতু দলের সব কর্মসূচিতে আমি অংশ নিয়েছি, হামলা মামলার স্বীকার হয়েছি। সবমিলিয়ে আমি আশা করি দল আমাকে মূল্যায়ন করবে। দুর্দিনে যেহেতু পাশে ছিলাম সুতরাং আমি ও আমার সমর্থক আশাবাদী দল আমাদের নিরাশ করবে না।’

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক শেরপুর জেলা বিএনপির এক সিনিয়র নেতার ভাষ্যমতে, শেরপুর থেকে কেউ সংরক্ষিত আসনে সংসদ সদস্য হলে সুমাইয়া আলমই সেই যোগ্যতা রাখে।’