ময়মনসিংহ , মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬, ৮ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
পাবনা জেলার ফরিদপুর উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও সাব-রেজিস্ট্রার দুটি গুরুত্বপূর্ণ পদ শূন্য থাকায় ভূমি সেবা ব্যাহত শিক্ষামন্ত্রীর ঝটিকা অভিযান: না জানিয়েই কেন্দ্র পরিদর্শনে যাওয়ার ঘোষণা জ্বালানি দামের সঙ্গে সমন্বয় করে পরিবহন ভাড়া নির্ধারণ হবে জানিয়েছেন ডা. জাহেদ আদালতে হাজির না হওয়ায় মুফতি আমির হামজার বিরুদ্ধে পরোয়ানা তৌকীর আমার জীবনের ‘প্রথম ভিলেন’ জানিয়েছেন আবুল হায়াত ​বাংলাদেশ থেকে কর্মী নিতে পর্তুগালের প্রতি আহ্বান প্রশাসনহীন নালিতাবাড়ী: থেমে ছে উন্নয়ন : বেড়েছে ভোগান্তি ” ট্রাম্পের আক্রমণাত্মক বক্তব্যে পাকিস্তানের তীব্র প্রতিবাদ ও সতর্কতা পূর্বধলায় মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসারের বিরুদ্ধে দায়িত্ব অবহেলার অভিযোগ, কারণ দর্শানোর নোটিশ দেশজুড়ে শুরু হলো এসএসসি ও সমমান পরীক্ষা
নোটিশ :
প্রতিটি জেলা- উপজেলায় একজন করে ভিডিও প্রতিনিধি আবশ্যক। যোগাযোগঃ- Email- matiomanuss@gmail.com. Mobile No- 017-11684104, 013-03300539.

ভাষা আন্দোলনই ছিল মহান মুক্তিযুদ্ধের মূল সূচনাবিন্দু বলে মন্তব্য করেছেন মুক্তিযুদ্ধ প্রতিমন্ত্রী

  • ডিজিটাল রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ০২:০৩:৫৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ২১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • ৬১ বার পড়া হয়েছে

মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে ভাষা শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়ে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেন মন্তব্য করেছেন যে, ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলন থেকেই বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের প্রকৃত সূচনা হয়েছিল। 

আজ শনিবার (২১ ফেব্রুয়ারি) সকালে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এই মন্তব্য করেন। প্রতিমন্ত্রী জোর দিয়ে বলেন যে, ভাষা আন্দোলনের মাধ্যমেই বাঙালি জাতির স্বাধিকার আন্দোলনের বীজ রোপিত হয়েছিল, যা পরবর্তীতে একাত্তরের সশস্ত্র সংগ্রামের মধ্য দিয়ে পূর্ণতা পায়।

এই লক্ষ্য বাস্তবায়নেই নতুন সরকার নিরলসভাবে কাজ করে যাবে বলে তিনি প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেন। তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, বাংলাদেশকে একটি গণতান্ত্রিক, স্বাধীন ও সার্বভৌম রাষ্ট্র হিসেবে গড়ে তোলার লড়াইয়ে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল সব সময় সম্মুখভাগে ছিল।

তিনি অভিযোগ করেন, যারা এতদিন নিজেদের মুক্তিযুদ্ধের একমাত্র দাবিদার হিসেবে পরিচয় দিত, তারা আসলে মুক্তিযুদ্ধকে ব্যক্তিগত স্বার্থে ব্যবহার করেছে এবং ক্ষমতায় থেকে দেশকে লুটপাট ও গুম-খুন-হত্যার রাজ্যে পরিণত করেছিল। তবে বর্তমান নির্বাচনের মাধ্যমে দেশ পুনরায় একটি প্রকৃত গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় ফিরে এসেছে এবং জনগণ একটি নির্বাচিত সরকার পেয়েছে বলে তিনি আনন্দ প্রকাশ করেন।

প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেন তার বক্তব্যের শেষাংশে জনগণের প্রত্যাশা পূরণের অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন। তিনি বলেন যে, স্বাধীন দেশের নাগরিক হিসেবে বিভিন্ন অঞ্চলের এবং নানা শ্রেণি-পেশার মানুষের প্রত্যাশা ভিন্ন ভিন্ন হতে পারে, কিন্তু নির্বাচিত সরকারের দায়িত্ব হলো সেই সব ছোট-বড় সকল প্রত্যাশাকে গুরুত্ব দিয়ে কাজ করা।

গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ সমুন্নত রেখে একটি বৈষম্যহীন বাংলাদেশ বিনির্মাণই হবে এই সরকারের প্রধান লক্ষ্য। ভাষা আন্দোলনের চেতনাকে ধারণ করেই নতুন প্রজন্মের জন্য একটি সমৃদ্ধ রাষ্ট্র গড়ে তোলা হবে বলে তিনি দৃঢ় আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

পাবনা জেলার ফরিদপুর উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও সাব-রেজিস্ট্রার দুটি গুরুত্বপূর্ণ পদ শূন্য থাকায় ভূমি সেবা ব্যাহত

ভাষা আন্দোলনই ছিল মহান মুক্তিযুদ্ধের মূল সূচনাবিন্দু বলে মন্তব্য করেছেন মুক্তিযুদ্ধ প্রতিমন্ত্রী

আপডেট সময় ০২:০৩:৫৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ২১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে ভাষা শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়ে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেন মন্তব্য করেছেন যে, ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলন থেকেই বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের প্রকৃত সূচনা হয়েছিল। 

আজ শনিবার (২১ ফেব্রুয়ারি) সকালে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এই মন্তব্য করেন। প্রতিমন্ত্রী জোর দিয়ে বলেন যে, ভাষা আন্দোলনের মাধ্যমেই বাঙালি জাতির স্বাধিকার আন্দোলনের বীজ রোপিত হয়েছিল, যা পরবর্তীতে একাত্তরের সশস্ত্র সংগ্রামের মধ্য দিয়ে পূর্ণতা পায়।

এই লক্ষ্য বাস্তবায়নেই নতুন সরকার নিরলসভাবে কাজ করে যাবে বলে তিনি প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেন। তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, বাংলাদেশকে একটি গণতান্ত্রিক, স্বাধীন ও সার্বভৌম রাষ্ট্র হিসেবে গড়ে তোলার লড়াইয়ে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল সব সময় সম্মুখভাগে ছিল।

তিনি অভিযোগ করেন, যারা এতদিন নিজেদের মুক্তিযুদ্ধের একমাত্র দাবিদার হিসেবে পরিচয় দিত, তারা আসলে মুক্তিযুদ্ধকে ব্যক্তিগত স্বার্থে ব্যবহার করেছে এবং ক্ষমতায় থেকে দেশকে লুটপাট ও গুম-খুন-হত্যার রাজ্যে পরিণত করেছিল। তবে বর্তমান নির্বাচনের মাধ্যমে দেশ পুনরায় একটি প্রকৃত গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় ফিরে এসেছে এবং জনগণ একটি নির্বাচিত সরকার পেয়েছে বলে তিনি আনন্দ প্রকাশ করেন।

প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেন তার বক্তব্যের শেষাংশে জনগণের প্রত্যাশা পূরণের অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন। তিনি বলেন যে, স্বাধীন দেশের নাগরিক হিসেবে বিভিন্ন অঞ্চলের এবং নানা শ্রেণি-পেশার মানুষের প্রত্যাশা ভিন্ন ভিন্ন হতে পারে, কিন্তু নির্বাচিত সরকারের দায়িত্ব হলো সেই সব ছোট-বড় সকল প্রত্যাশাকে গুরুত্ব দিয়ে কাজ করা।

গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ সমুন্নত রেখে একটি বৈষম্যহীন বাংলাদেশ বিনির্মাণই হবে এই সরকারের প্রধান লক্ষ্য। ভাষা আন্দোলনের চেতনাকে ধারণ করেই নতুন প্রজন্মের জন্য একটি সমৃদ্ধ রাষ্ট্র গড়ে তোলা হবে বলে তিনি দৃঢ় আশাবাদ ব্যক্ত করেন।