নিহত ব্যক্তি হলেন- মালয়েশিয়া প্রবাসী আরিফুল ইসলাম মাসুম। তিনি উপজেলার খুড়িয়াখালি গ্রামের মৃত আব্দুল মজিদ হাওলাদারের ছেলে। তিনি বিএনপি কর্মী ছিলেন।
পরিবারের সদস্যরা জানান, আরিফুল ইসলাম মাসুম রাত আটটার দিকে শ্বশুরবাড়ি থেকে খাবার খেয়ে বাড়ি ফিরছিলেন। পথিমধ্যে স্থানীয় আফজাল বয়াতি ও বারেক শরীফের নেতৃত্বে ২০-২৫ জনের একটি সংঘবদ্ধ দল তার গতিরোধ করে মারধর করে।
সাউথখালী ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি শহিদুল ইসলাম লিটন বলেন, তারাবির নামাজের পরে মাসুমকে মারধর করে আটকে রেখেছে এমন খবর পাই। পরে স্থানীয় তাফালবাড়ি পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ ও স্থানীয় সাউথখালী ইউনিয়ন জামায়াতের নেতাদের নিয়ে ঘটনাস্থলে যাই। সেখানে যাওয়ার পর অসুস্থ অবস্থায় মাসুমকে দুই -তিন জন ধরে আমাদের কাছে নিয়ে আসে। তার কাছে ঘটনা জানতে চাইলে হঠাৎ বমি করে। তাৎক্ষণিক শরনখোলা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসার জন্য পাঠানো হয়। এক পর্যায়ে তাকে ডাক্তার মৃত ঘোষণা করেন।
তিনি আরও বলেন, নির্বাচনের পূর্বে ও পরবর্তীতে ওই এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছিল। দুই দফায় হামলার ঘটনা ঘটে। জামায়াত ও বিএনপির উভয়পক্ষের লোকজন আহত হয়। ওই ঘটনার জের ধরে জামায়েত কর্মীরা মাসুমকে ধরে মারধর করে। তিনি এই ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়ার দাবি জানান।
ওসি মো. সামিনুল হক জানান, একটি হামলার খবর জানার পর ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়। সোমবার বাগেরহাট জেলা হাসপাতাল মর্গে নিহতের ময়নাতদন্ত সম্পন্ন হবে। ময়নাতদন্ত রিপোর্টের ভিত্তিতে প্রকৃত ঘটনা জানা যাবে। তবে নিহতের পরিবার ও রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দের অভিযোগের প্রেক্ষিতে পুলিশ ইতিমধ্যে তদন্ত নেমেছে।

ডিজিটাল রিপোর্ট 














