দীর্ঘ সময় পর চ্যাম্পিয়ন্স লিগের ফাইনাল খেলার স্বপ্নে বিভোর আর্সেনাল ও অ্যাতলেটিকো মাদ্রিদ। ২০০৬ সালে গানাররা এবং ২০১৬ সালে সবশেষ ফাইনাল খেলেছিল ডিয়েগো সিমিওনের দল। লম্বা সময়ের সেই আক্ষেপ ঘুচানোর সুযোগ এখন দুই দলের সামনেই। সেমিফাইনালের প্রথম লেগে পেনাল্টি থেকে পাওয়া গোলে ১-১ সমতায় থেকে মাঠ ছাড়ায় ফাইনালের আশা বেশ ভালোভাবেই টিকিয়ে রেখেছে আর্সেনাল ও অ্যাতলেটিকো।
গত বুধবার (৩০ এপ্রিল) দিবাগত রাতে মাদ্রিদের মেট্রোপলিটনে স্বাগতিক অ্যাতলেটিকো সবমিলিয়ে এগিয়ে ছিল গানারদের চেয়ে। প্রায় ৫২ শতাংশ পজেশন নিয়ে তারা ১৮টি শট নেয়, এর মধ্যে লক্ষ্যে ছিল ৪টি। বিপরীতে ১১ শটের ২টি লক্ষ্যে রাখতে পারে সফরকারী আর্সেনাল। ৪৪ মিনিটে স্পটকিকে প্রথমে আর্সেনালকে এগিয়ে দেন ভিক্টর গিওকেরেস, দ্বিতীয়ার্ধে একই কায়দায় গোল করে হুলিয়ান আলভারেজ অ্যাতলেটিকোকে সমতায় ফেরান।
বিরতির আগে আর্সেনাল লিড পাওয়ার উপলক্ষ্য পায় গিওকেরেসকে অ্যাতলেটিকো ডিফেন্ডার নিজেদের বক্সে ফেলে দেওয়ার সুবাদে। ইংলিশ ক্লাবটির এই সুইডিশ স্ট্রাইকার বুলেট গতির শটে পেনাল্টি ঠিকঠাক কাজে লাগিয়েছেন। পিছিয়ে পড়া অ্যাতলেটিকো মরিয়া হয়ে ওঠে বিরতির পর। মিনিট দুয়েকের মাথায় আলভারেজের ফ্রি-কিক বেরিয়ে যায় পোস্ট ঘেঁষে। মিনিট ছয়েক পর এই আর্জেন্টাইন তারকার কাছ থেকে বল পেয়ে আদেমোলা লুকমান শট নেন গোলরক্ষক বরাবর। ৫৬ মিনিটে পেনাল্টি পায় অ্যাতলেটিকো, আর্সেনাল ডিফেন্ডার বেন হোয়াইটের হাতে লাগার পর মনিটর দেখে পেনাল্টি দেন রেফারি।
চার মিনিট পরেই এবেরেচি এজে ফাউলের শিকার হলে রেফারি পেনাল্টির বাঁশি বাজান। কিন্তু ভিএআর দেখে সেই সিদ্ধান্ত বদলে যায়। ফলে অপরিবর্তিত থাকে স্কোরলাইন। ফিরতি লেগে আগামী মঙ্গলবার আর্সেনালের এমিরেটস স্টেডিয়ামে খেলতে নামবে অ্যাতলেটিকো।

ডিজিটাল ডেস্ক 
























