ময়মনসিংহ , বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬, ১৭ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
​হু হু করে বাড়ছে নদ-নদীর পানি: বন্যার আশঙ্কায় ৪ জেলা পূর্বধলায় আইনশৃঙ্খলা সভায় নবাগত ওসির ঘোষণা: মাদক ও অপরাধ দমনে ‘জিরো টলারেন্স’ গৌরীপুরে ‘মিথ্যা মামলা’ প্রত্যাহারের দাবিতে বিক্ষোভ, এলাকাবাসীর নিন্দা চট্টগ্রামে নবনির্মিত নেভি মেডিকেল কলেজের উদ্বোধন বিশ্ববাজারে হু হু করে বাড়ছে জ্বালানি তেলের দাম আবারও গাজা অভিমুখী গ্লোবাল সুমুদ ফ্লোটিলায় ইসরায়েলের হামলা পেনাল্টি ভাগ্যে সমতা: আর্সেনাল বনাম অ্যাতলেটিকো দ্বৈরথের ফয়সালা দ্বিতীয় লেগে কামরুল-মেননের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের আদেশ আজ ট্রাম্পের দাবি: ইরানের পরমাণু সংকট সমাধানে ওয়াশিংটনকে সাহায্য করতে আগ্রহী পুতিন যুক্তরাষ্ট্রের হাতে আটক ইরানি জাহাজের ৬ নাবিক মুক্ত, ফিরলেন দেশে
নোটিশ :
প্রতিটি জেলা- উপজেলায় একজন করে ভিডিও প্রতিনিধি আবশ্যক। যোগাযোগঃ- Email- matiomanuss@gmail.com. Mobile No- 017-11684104, 013-03300539.

ট্রাম্পের দাবি: ইরানের পরমাণু সংকট সমাধানে ওয়াশিংটনকে সাহায্য করতে আগ্রহী পুতিন

  • ডিজিটাল ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১০:৩১:৫২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬
  • ১৩ বার পড়া হয়েছে

রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন এক টেলিফোন আলাপে ইরানের ইউরেনিয়াম মজুত সংক্রান্ত সংকট নিরসনে যুক্ত্রাষ্ট্রের সহায়তার করতে চান।

গত বুধবার (২৯ এপ্রিল) ওভাল অফিসে সিএনএন-এর কেইটলান কলিন্সকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প একথা বলেন।

টেলিফোন সংলাপটিকে অত্যন্ত ফলপ্রসূ হিসেবে বর্ণনা করে ট্রাম্প বলেন, ইউক্রেন সংঘাতের একটি সমাধান ‘তুলনামূলক দ্রুতই’ চলে আসবে। পুতিনের প্রস্তাবের প্রসঙ্গ টেনে তিনি উল্লেখ করেন, রুশ প্রেসিডেন্ট ইরানের ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ প্রক্রিয়ার সঙ্গে যুক্ত হতে চান এবং সেই মজুত সরিয়ে নিতে আমাদের সাহায্য করতে পারেন।

প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প দীর্ঘদিনের পরিচিত পুতিনের সঙ্গে তার ব্যক্তিগত সম্পর্কের কথা উল্লেখ করে বলেন, রুশ প্রেসিডেন্ট অনেক আগেই একটি চুক্তিতে পৌঁছাতে প্রস্তুত ছিলেন। ট্রাম্পের মতে, কিছু মানুষের কারণে পুতিনের পক্ষে তখন সমঝোতা করা কঠিন হয়ে পড়েছিল।ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান ও রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন।

এখন সেই বাধা কাটিয়ে দ্রুত একটি সমাধানে পৌঁছানোর ব্যাপারে ট্রাম্প আশাবাদী। ট্রাম্প প্রশাসন মনে করছে, ইরান যাতে ভবিষ্যতে পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি করতে না পারে, সেজন্য তাদের ইউরেনিয়াম মজুত তৃতীয় কোনো দেশে সরিয়ে নেওয়া একটি কার্যকর সমাধান হতে পারে, আর রাশিয়া এই ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ মধ্যস্থতাকারী হিসেবে আবির্ভূত হতে চায়।

বিশ্লেষকদের মতে, ট্রাম্পের এই কৌশলটি একই সঙ্গে দুটি বড় বৈশ্বিক যুদ্ধের লাগাম টেনে ধরার একটি প্রয়াস। একদিকে পুতিনের সহায়তা নিয়ে ইরানের পারমাণবিক উচ্চাকাঙ্ক্ষা নিয়ন্ত্রণ করা এবং অন্যদিকে সেই সহায়তার বিনিময়ে ইউক্রেন যুদ্ধের একটি সম্মানজনক সমাপ্তি নিশ্চিত করা।

যদিও ইউক্রেন যুদ্ধের অবসান নিয়ে ট্রাম্পের পরিকল্পনা সম্পর্কে বিস্তারিত কিছু জানা যায়নি, তবে পুতিনের সঙ্গে তার এই কথোপকথন আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে নতুন সমীকরণের ইঙ্গিত দিচ্ছে। ১ মে’র সময়সীমার আগে ট্রাম্পের এই কূটনৈতিক তৎপরতা ইরান ও ইউক্রেন—উভয় সীমান্তের উত্তেজনা প্রশমনে কতটা কার্যকর হয়, সেদিকেই এখন তাকিয়ে বিশ্ববাসী।

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

​হু হু করে বাড়ছে নদ-নদীর পানি: বন্যার আশঙ্কায় ৪ জেলা

ট্রাম্পের দাবি: ইরানের পরমাণু সংকট সমাধানে ওয়াশিংটনকে সাহায্য করতে আগ্রহী পুতিন

আপডেট সময় ১০:৩১:৫২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬

রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন এক টেলিফোন আলাপে ইরানের ইউরেনিয়াম মজুত সংক্রান্ত সংকট নিরসনে যুক্ত্রাষ্ট্রের সহায়তার করতে চান।

গত বুধবার (২৯ এপ্রিল) ওভাল অফিসে সিএনএন-এর কেইটলান কলিন্সকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প একথা বলেন।

টেলিফোন সংলাপটিকে অত্যন্ত ফলপ্রসূ হিসেবে বর্ণনা করে ট্রাম্প বলেন, ইউক্রেন সংঘাতের একটি সমাধান ‘তুলনামূলক দ্রুতই’ চলে আসবে। পুতিনের প্রস্তাবের প্রসঙ্গ টেনে তিনি উল্লেখ করেন, রুশ প্রেসিডেন্ট ইরানের ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ প্রক্রিয়ার সঙ্গে যুক্ত হতে চান এবং সেই মজুত সরিয়ে নিতে আমাদের সাহায্য করতে পারেন।

প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প দীর্ঘদিনের পরিচিত পুতিনের সঙ্গে তার ব্যক্তিগত সম্পর্কের কথা উল্লেখ করে বলেন, রুশ প্রেসিডেন্ট অনেক আগেই একটি চুক্তিতে পৌঁছাতে প্রস্তুত ছিলেন। ট্রাম্পের মতে, কিছু মানুষের কারণে পুতিনের পক্ষে তখন সমঝোতা করা কঠিন হয়ে পড়েছিল।ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান ও রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন।

এখন সেই বাধা কাটিয়ে দ্রুত একটি সমাধানে পৌঁছানোর ব্যাপারে ট্রাম্প আশাবাদী। ট্রাম্প প্রশাসন মনে করছে, ইরান যাতে ভবিষ্যতে পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি করতে না পারে, সেজন্য তাদের ইউরেনিয়াম মজুত তৃতীয় কোনো দেশে সরিয়ে নেওয়া একটি কার্যকর সমাধান হতে পারে, আর রাশিয়া এই ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ মধ্যস্থতাকারী হিসেবে আবির্ভূত হতে চায়।

বিশ্লেষকদের মতে, ট্রাম্পের এই কৌশলটি একই সঙ্গে দুটি বড় বৈশ্বিক যুদ্ধের লাগাম টেনে ধরার একটি প্রয়াস। একদিকে পুতিনের সহায়তা নিয়ে ইরানের পারমাণবিক উচ্চাকাঙ্ক্ষা নিয়ন্ত্রণ করা এবং অন্যদিকে সেই সহায়তার বিনিময়ে ইউক্রেন যুদ্ধের একটি সম্মানজনক সমাপ্তি নিশ্চিত করা।

যদিও ইউক্রেন যুদ্ধের অবসান নিয়ে ট্রাম্পের পরিকল্পনা সম্পর্কে বিস্তারিত কিছু জানা যায়নি, তবে পুতিনের সঙ্গে তার এই কথোপকথন আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে নতুন সমীকরণের ইঙ্গিত দিচ্ছে। ১ মে’র সময়সীমার আগে ট্রাম্পের এই কূটনৈতিক তৎপরতা ইরান ও ইউক্রেন—উভয় সীমান্তের উত্তেজনা প্রশমনে কতটা কার্যকর হয়, সেদিকেই এখন তাকিয়ে বিশ্ববাসী।