ময়মনসিংহ , বুধবার, ১১ মার্চ ২০২৬, ২৭ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
নোটিশ :
প্রতিটি জেলা- উপজেলায় একজন করে ভিডিও প্রতিনিধি আবশ্যক। যোগাযোগঃ- Email- matiomanuss@gmail.com. Mobile No- 017-11684104, 013-03300539.

২৭ হাজার টন ডিজেলবাহী আরও একটি ট্যাংকার চট্টগ্রামে পৌঁছেছে

  • ডিজিটাল ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১০:১৮:০১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১১ মার্চ ২০২৬
  • ২২ বার পড়া হয়েছে

সিঙ্গাপুর থেকে ২৭ হাজার মেট্রিক টন ডিজেল নিয়ে লিয়ান হুয়ান হু নামক আরও একটি ট্যাংকার চট্টগ্রাম বন্দরের জলসীমায় এসে পৌঁছেছে। মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে জ্বালানি সংকটের যে আশঙ্কা তৈরি হয়েছিল, তার মধ্যে গত ১১ দিনের ব্যবধানে এটি দ্বিতীয় ডিজেলবাহী জাহাজের আগমন।

বন্দর সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার (১০ মার্চ) বিকেলে ট্যাংকারটি বন্দরে পৌঁছানোর পর ওই দিন সন্ধ্যা সাড়ে ৭টা থেকেই জ্বালানি খালাস প্রক্রিয়া শুরু করা হয়েছে। এর আগে গত সোমবার ২৭ হাজার ২০৪ মেট্রিক টন ডিজেল নিয়ে শিউ চি নামের আরও একটি জাহাজ চট্টগ্রাম বন্দরে এসেছিল। এই নতুন চালানের ফলে দেশের জ্বালানি তেলের মজুত পরিস্থিতির উল্লেখযোগ্য উন্নতি হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

এ ছাড়া ১৩ মার্চ র‍্যাফেলস সামুরাই এবং ১৫ মার্চ চাং হাং হং তু নামের আরও দুটি ট্যাংকার বন্দরে এসে পৌঁছানোর কথা রয়েছে, যার প্রতিটিতে প্রায় ৩০ হাজার মেট্রিক টন করে ডিজেল রয়েছে। এশিয়ায় বিভিন্ন দেশ থেকে আমদানি করা এই পাঁচটি ট্যাংকার মিলিয়ে দেশে মোট ১ লাখ ৪৪ হাজার ২০৫ মেট্রিক টন পরিশোধিত ডিজেল যুক্ত হচ্ছে।

সরকারের এই সাশ্রয়ী সরবরাহ ব্যবস্থা বজায় থাকলে বর্তমানে আসা ডিজেল দিয়ে ১৬ দিনের চাহিদা মেটানো যাবে। বর্তমানে দেশে যে পরিমাণ জ্বালানি মজুত রয়েছে, তা দিয়ে আরও ১৬ থেকে ১৭ দিনের প্রয়োজন মেটানো সম্ভব। ফলে নতুন আসা এই বিশাল চালানের পর সব মিলিয়ে দেশের প্রায় এক মাসের ডিজেল চাহিদা পূরণ নিয়ে আর কোনো শঙ্কা থাকবে না।

বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশনের বাণিজ্যিক ও অপারেশন বিভাগের কর্মকর্তা মাসুদ পারভেজ জানিয়েছেন, যুদ্ধ পরিস্থিতির মধ্যেও সোমবার প্রথম জাহাজটি আসার পরপরই দ্রুততার সঙ্গে জ্বালানি খালাসের ব্যবস্থা করা হয়েছে। মঙ্গলবারের দ্বিতীয় জাহাজটির খালাস প্রক্রিয়াও সচল রয়েছে এবং পরবর্তী জাহাজগুলো সময়মতো পৌঁছালে দেশের জ্বালানি পরিস্থিতি দ্রুত স্বাভাবিক হয়ে আসবে।

এই নিরবচ্ছিন্ন সরবরাহ ব্যবস্থা নিশ্চিত হওয়ার ফলে বাজারে যে কৃত্রিম সংকট বা আতঙ্কের পরিবেশ তৈরি হয়েছিল, তা প্রশমিত হবে বলে মনে করছে বিপিসি কর্তৃপক্ষ। জ্বালানি সরবরাহ স্থিতিশীল রাখতে বন্দর ও বিপিসি সমন্বিতভাবে কাজ করে যাচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

২৭ হাজার টন ডিজেলবাহী আরও একটি ট্যাংকার চট্টগ্রামে পৌঁছেছে

আপডেট সময় ১০:১৮:০১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১১ মার্চ ২০২৬

সিঙ্গাপুর থেকে ২৭ হাজার মেট্রিক টন ডিজেল নিয়ে লিয়ান হুয়ান হু নামক আরও একটি ট্যাংকার চট্টগ্রাম বন্দরের জলসীমায় এসে পৌঁছেছে। মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে জ্বালানি সংকটের যে আশঙ্কা তৈরি হয়েছিল, তার মধ্যে গত ১১ দিনের ব্যবধানে এটি দ্বিতীয় ডিজেলবাহী জাহাজের আগমন।

বন্দর সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার (১০ মার্চ) বিকেলে ট্যাংকারটি বন্দরে পৌঁছানোর পর ওই দিন সন্ধ্যা সাড়ে ৭টা থেকেই জ্বালানি খালাস প্রক্রিয়া শুরু করা হয়েছে। এর আগে গত সোমবার ২৭ হাজার ২০৪ মেট্রিক টন ডিজেল নিয়ে শিউ চি নামের আরও একটি জাহাজ চট্টগ্রাম বন্দরে এসেছিল। এই নতুন চালানের ফলে দেশের জ্বালানি তেলের মজুত পরিস্থিতির উল্লেখযোগ্য উন্নতি হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

এ ছাড়া ১৩ মার্চ র‍্যাফেলস সামুরাই এবং ১৫ মার্চ চাং হাং হং তু নামের আরও দুটি ট্যাংকার বন্দরে এসে পৌঁছানোর কথা রয়েছে, যার প্রতিটিতে প্রায় ৩০ হাজার মেট্রিক টন করে ডিজেল রয়েছে। এশিয়ায় বিভিন্ন দেশ থেকে আমদানি করা এই পাঁচটি ট্যাংকার মিলিয়ে দেশে মোট ১ লাখ ৪৪ হাজার ২০৫ মেট্রিক টন পরিশোধিত ডিজেল যুক্ত হচ্ছে।

সরকারের এই সাশ্রয়ী সরবরাহ ব্যবস্থা বজায় থাকলে বর্তমানে আসা ডিজেল দিয়ে ১৬ দিনের চাহিদা মেটানো যাবে। বর্তমানে দেশে যে পরিমাণ জ্বালানি মজুত রয়েছে, তা দিয়ে আরও ১৬ থেকে ১৭ দিনের প্রয়োজন মেটানো সম্ভব। ফলে নতুন আসা এই বিশাল চালানের পর সব মিলিয়ে দেশের প্রায় এক মাসের ডিজেল চাহিদা পূরণ নিয়ে আর কোনো শঙ্কা থাকবে না।

বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশনের বাণিজ্যিক ও অপারেশন বিভাগের কর্মকর্তা মাসুদ পারভেজ জানিয়েছেন, যুদ্ধ পরিস্থিতির মধ্যেও সোমবার প্রথম জাহাজটি আসার পরপরই দ্রুততার সঙ্গে জ্বালানি খালাসের ব্যবস্থা করা হয়েছে। মঙ্গলবারের দ্বিতীয় জাহাজটির খালাস প্রক্রিয়াও সচল রয়েছে এবং পরবর্তী জাহাজগুলো সময়মতো পৌঁছালে দেশের জ্বালানি পরিস্থিতি দ্রুত স্বাভাবিক হয়ে আসবে।

এই নিরবচ্ছিন্ন সরবরাহ ব্যবস্থা নিশ্চিত হওয়ার ফলে বাজারে যে কৃত্রিম সংকট বা আতঙ্কের পরিবেশ তৈরি হয়েছিল, তা প্রশমিত হবে বলে মনে করছে বিপিসি কর্তৃপক্ষ। জ্বালানি সরবরাহ স্থিতিশীল রাখতে বন্দর ও বিপিসি সমন্বিতভাবে কাজ করে যাচ্ছে।