গত সোমবার (২০ এপ্রিল) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এই কূটনৈতিক তৎপরতার বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে। তুরস্কের আন্তালিয়া কূটনীতি ফোরামের সম্মেলনের ফাঁকে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান ইরানের উপপররাষ্ট্রমন্ত্রী সাঈদ খাতিবজাদেহর সঙ্গে এক গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে মিলিত হয়ে এই অনুরোধ জানান।
পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, হরমুজ পারাপারের জন্য বিশেষ অনুমতি পাওয়া ছয়টি দেশের তালিকায় যখন ইরান বাংলাদেশকে অন্তর্ভুক্ত করেছিল, তখন বাংলাদেশ কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছে। বর্তমান উত্তজনাপূর্ণ পরিস্থিতিতেও ‘বাংলার জয়যাত্রা’ যাতে কোনো বাধা ছাড়াই পার হতে পারে, সেজন্য ইরানের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা চাওয়া হয়েছে।
বিষয়টি নিয়ে দুই দেশের প্রতিনিধিরা নিয়মিত যোগাযোগ রক্ষা করে চলছেন। এর আগে গত ৫ এপ্রিল ঢাকায় নিযুক্ত ইরানের রাষ্ট্রদূত জলিল রহিমি জাহানাবাদির সঙ্গে এক বৈঠকেও ‘বাংলার জয়যাত্রা’ এবং অপরিশোধিত তেলবাহী আরেকটি জাহাজের নিরাপদ যাতায়াতের বিষয়ে আলোচনা করেছিলেন খলিলুর রহমান।
তুরস্কের এই বৈঠকে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বর্তমান বৈশ্বিক ও আঞ্চলিক পরিস্থিতির প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশের ধারাবাহিক ও ভারসাম্যপূর্ণ পররাষ্ট্রনীতির অবস্থান পুনব্যক্ত করেন। আলোচনার একপর্যায়ে ইরানের উপপররাষ্ট্রমন্ত্রী বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রীকে সুবিধাজনক সময়ে তেহরান সফরের আমন্ত্রণ জানান। দুই দেশের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক এবং পারস্পরিক সহযোগিতার ভিত্তিতে সমুদ্রপথে বাণিজ্য অব্যাহত রাখার বিষয়ে এই বৈঠকে আশাবাদ ব্যক্ত করা হয়েছে।

ডিজিটাল রিপোর্ট 

























