ময়মনসিংহ , বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
বর্ণিল সাজে বারোমারী তীর্থস্থান, ফাতেমা রাণীর তীর্থোৎসব ঘিরে আনন্দের বন্যা বিদ্যুৎ খাতে লুটপাট করতেই দায়মুক্তি আইন পাস করেছিল আওয়ামী লীগ বললেন রিজভী পাঁচজন সাংবাদিকের হত্যাকাণ্ড, বিচারের দাবিতে ঐক্যবদ্ধ হচ্ছেন ময়মনসিংহের সাংবাদিকবৃন্দ বারোমারী মিশনে ফাতেমা রাণীর তীর্থোৎসবের প্রস্তুতি পরিদর্শন করলেন জেলা প্রশাসক ময়মনসিংহ পুলিশ লাইন্সের আরআই তারা মিয়ার বদলিজনিত বিদায় সংবর্ধনা কিশোরগঞ্জের কটিয়াদীতে বাড়ির পাশের জমে থাকা পানিতে ডুবে হুমাইশা আক্তার (২) নামের এক শিশুর মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে দিনাজপুরে রাস্তার জমি ও পারিশ্রমিক নিয়ে বিরোধ: প্রধান শিক্ষককে পিটিয়ে হত্যা, গ্রেপ্তার ২ সততা, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার অঙ্গীকার পূর্বধলায় শিক্ষক-কর্মচারী ক্রেডিট ইউনিয়নের নির্বাচনে সমর্থন চায় রূপন-নিলয়-মোশারফ পরিষদ রাজশাহীতে প্রথম কমিউনিটি পুলিশ কাবাডি চ্যাম্পিয়নশিপের উদ্বোধন নারায়ণগঞ্জে সিলিন্ডার বিস্ফোরণে একই পরিবারের চারজন নিহত, পরিবারকে ৮০ হাজার টাকা সহায়তা দিল পূর্বধলা প্রশাসন
নোটিশ :
প্রতিটি জেলা- উপজেলায় একজন করে ভিডিও প্রতিনিধি আবশ্যক। যোগাযোগঃ- Email- matiomanuss@gmail.com. Mobile No- 017-11684104, 013-03300539.

ইরান যুদ্ধ বন্ধে ট্রাম্পের বড় চাল: এবার সহায়তার জন্য বেইজিংয়ের দ্বারস্থ

  • ডিজিটাল ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১১:১৯:৩৫ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৭ এপ্রিল ২০২৬
  • ৯০ বার পড়া হয়েছে

ইরানের সঙ্গে চলমান সংঘাত নিরসনে চীন আরও বড় ধরনের ভূমিকা পালন করতে পারে বলে মন্তব্য করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। 

সোমবার (২৭ এপ্রিল) এক বিবৃতিতে তিনি জানান, তেহরানের সঙ্গে সৃষ্ট এই সংকটময় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে বেইজিংয়ের বর্তমান অবস্থানে তিনি পুরোপুরি হতাশ না হলেও দেশটি ‘আরও অনেক বেশি সাহায্য’ করতে পারত।

আগামী ১৪ মে বেইজিংয়ে চীনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সঙ্গে একটি উচ্চপর্যায়ের দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে বসার কথা রয়েছে ডোনাল্ড ট্রাম্পের। ধারণা করা হচ্ছে, ওই বৈঠকে ইরান ইস্যুটিই সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব পাবে এবং দুই নেতার আলোচনায় মধ্যপ্রাচ্যের অস্থিতিশীলতা নিরসনের উপায়গুলো প্রাধান্য পাবে।

বর্তমানে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার উত্তেজনা যে পর্যায়ে পৌঁছেছে, তাতে বৈশ্বিক পরাশক্তিগুলোর ঐক্যবদ্ধ হওয়া জরুরি হয়ে পড়েছে। ট্রাম্প মনে করেন যে, এশিয়া ও মধ্যপ্রাচ্যে চীনের যে ক্রমবর্ধমান প্রভাব রয়েছে, তাকে কাজে লাগিয়ে ইরানকে আলোচনার টেবিলে ফিরিয়ে আনা সম্ভব।

১৪ মের বৈঠকটি কেবল দুই দেশের বাণিজ্যিক সম্পর্কের জন্যই নয়, বরং বৈশ্বিক শান্তি ও স্থিতিশীলতার জন্যও একটি বড় পরীক্ষা হিসেবে দেখা হচ্ছে। ট্রাম্প প্রশাসনের এই নতুন বার্তা এটাই ইঙ্গিত দেয়, তারা ইরানের বিরুদ্ধে কেবল সামরিক শক্তি নয়, বরং চীনের মাধ্যমে বড় ধরনের কূটনৈতিক চাপও প্রয়োগ করতে চাইছে।

আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকদের মতে, ইরানের তেলের অন্যতম প্রধান ক্রেতা হিসেবে চীনের প্রভাব তেহরানের ওপর অনস্বীকার্য। ট্রাম্প সম্ভবত শি জিনপিংয়ের সঙ্গে বৈঠকে ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি ও আঞ্চলিক সামরিক তৎপরতা বন্ধে চীনের আরও কঠোর অবস্থানের দাবি তুলবেন। তবে চীন এখন পর্যন্ত এই সংঘাতে অনেকটা ভারসাম্যমূলক অবস্থান বজায় রাখার চেষ্টা করে আসছে। আগামী মে মাসে অনুষ্ঠিতব্য এই শীর্ষ বৈঠকটি ইরান যুদ্ধের মোড় ঘুরিয়ে দিতে পারে কি না, সেদিকেই এখন নজর আন্তর্জাতিক বিশ্বের।

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

বর্ণিল সাজে বারোমারী তীর্থস্থান, ফাতেমা রাণীর তীর্থোৎসব ঘিরে আনন্দের বন্যা

ইরান যুদ্ধ বন্ধে ট্রাম্পের বড় চাল: এবার সহায়তার জন্য বেইজিংয়ের দ্বারস্থ

আপডেট সময় ১১:১৯:৩৫ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৭ এপ্রিল ২০২৬

ইরানের সঙ্গে চলমান সংঘাত নিরসনে চীন আরও বড় ধরনের ভূমিকা পালন করতে পারে বলে মন্তব্য করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। 

সোমবার (২৭ এপ্রিল) এক বিবৃতিতে তিনি জানান, তেহরানের সঙ্গে সৃষ্ট এই সংকটময় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে বেইজিংয়ের বর্তমান অবস্থানে তিনি পুরোপুরি হতাশ না হলেও দেশটি ‘আরও অনেক বেশি সাহায্য’ করতে পারত।

আগামী ১৪ মে বেইজিংয়ে চীনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সঙ্গে একটি উচ্চপর্যায়ের দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে বসার কথা রয়েছে ডোনাল্ড ট্রাম্পের। ধারণা করা হচ্ছে, ওই বৈঠকে ইরান ইস্যুটিই সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব পাবে এবং দুই নেতার আলোচনায় মধ্যপ্রাচ্যের অস্থিতিশীলতা নিরসনের উপায়গুলো প্রাধান্য পাবে।

বর্তমানে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার উত্তেজনা যে পর্যায়ে পৌঁছেছে, তাতে বৈশ্বিক পরাশক্তিগুলোর ঐক্যবদ্ধ হওয়া জরুরি হয়ে পড়েছে। ট্রাম্প মনে করেন যে, এশিয়া ও মধ্যপ্রাচ্যে চীনের যে ক্রমবর্ধমান প্রভাব রয়েছে, তাকে কাজে লাগিয়ে ইরানকে আলোচনার টেবিলে ফিরিয়ে আনা সম্ভব।

১৪ মের বৈঠকটি কেবল দুই দেশের বাণিজ্যিক সম্পর্কের জন্যই নয়, বরং বৈশ্বিক শান্তি ও স্থিতিশীলতার জন্যও একটি বড় পরীক্ষা হিসেবে দেখা হচ্ছে। ট্রাম্প প্রশাসনের এই নতুন বার্তা এটাই ইঙ্গিত দেয়, তারা ইরানের বিরুদ্ধে কেবল সামরিক শক্তি নয়, বরং চীনের মাধ্যমে বড় ধরনের কূটনৈতিক চাপও প্রয়োগ করতে চাইছে।

আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকদের মতে, ইরানের তেলের অন্যতম প্রধান ক্রেতা হিসেবে চীনের প্রভাব তেহরানের ওপর অনস্বীকার্য। ট্রাম্প সম্ভবত শি জিনপিংয়ের সঙ্গে বৈঠকে ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি ও আঞ্চলিক সামরিক তৎপরতা বন্ধে চীনের আরও কঠোর অবস্থানের দাবি তুলবেন। তবে চীন এখন পর্যন্ত এই সংঘাতে অনেকটা ভারসাম্যমূলক অবস্থান বজায় রাখার চেষ্টা করে আসছে। আগামী মে মাসে অনুষ্ঠিতব্য এই শীর্ষ বৈঠকটি ইরান যুদ্ধের মোড় ঘুরিয়ে দিতে পারে কি না, সেদিকেই এখন নজর আন্তর্জাতিক বিশ্বের।