ময়মনসিংহ , বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
বর্ণিল সাজে বারোমারী তীর্থস্থান, ফাতেমা রাণীর তীর্থোৎসব ঘিরে আনন্দের বন্যা বিদ্যুৎ খাতে লুটপাট করতেই দায়মুক্তি আইন পাস করেছিল আওয়ামী লীগ বললেন রিজভী পাঁচজন সাংবাদিকের হত্যাকাণ্ড, বিচারের দাবিতে ঐক্যবদ্ধ হচ্ছেন ময়মনসিংহের সাংবাদিকবৃন্দ বারোমারী মিশনে ফাতেমা রাণীর তীর্থোৎসবের প্রস্তুতি পরিদর্শন করলেন জেলা প্রশাসক ময়মনসিংহ পুলিশ লাইন্সের আরআই তারা মিয়ার বদলিজনিত বিদায় সংবর্ধনা কিশোরগঞ্জের কটিয়াদীতে বাড়ির পাশের জমে থাকা পানিতে ডুবে হুমাইশা আক্তার (২) নামের এক শিশুর মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে দিনাজপুরে রাস্তার জমি ও পারিশ্রমিক নিয়ে বিরোধ: প্রধান শিক্ষককে পিটিয়ে হত্যা, গ্রেপ্তার ২ সততা, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার অঙ্গীকার পূর্বধলায় শিক্ষক-কর্মচারী ক্রেডিট ইউনিয়নের নির্বাচনে সমর্থন চায় রূপন-নিলয়-মোশারফ পরিষদ রাজশাহীতে প্রথম কমিউনিটি পুলিশ কাবাডি চ্যাম্পিয়নশিপের উদ্বোধন নারায়ণগঞ্জে সিলিন্ডার বিস্ফোরণে একই পরিবারের চারজন নিহত, পরিবারকে ৮০ হাজার টাকা সহায়তা দিল পূর্বধলা প্রশাসন
নোটিশ :
প্রতিটি জেলা- উপজেলায় একজন করে ভিডিও প্রতিনিধি আবশ্যক। যোগাযোগঃ- Email- matiomanuss@gmail.com. Mobile No- 017-11684104, 013-03300539.

​আমাদের সম্পদ বন্ধুদের তহবিল নয়: ইরানের কঠোর বার্তা

  • ডিজিটাল ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১০:৪২:০২ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৮ জুন ২০২৬
  • ৮৫ বার পড়া হয়েছে

উপসাগরীয় অঞ্চলের মার্কিন মিত্রদের যুদ্ধের ক্ষয়ক্ষতি মেটাতে ইরানি অর্থ ব্যবহারের মার্কিন পরিকল্পনার তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছে তেহরান। ইরানের উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রী কাজেম ঘারিবাবাদী স্পষ্ট করেছেন যে আঞ্চলিক কোনো সরকারের ইরানের কাছে ক্ষতিপূরণ চাওয়ার অধিকার নেই। 

গত রোববার সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এক্সে দেওয়া বার্তায় তিনি বলেন, ইরানের রাষ্ট্রীয় সম্পদ ওয়াশিংটনের জন্য কোনো যুদ্ধের লুট নয়, কিংবা তাদের বন্ধুদের দেওয়ার কোনো তহবিলও নয়।

আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে বলা হয়, মার্কিন ট্রেজারি সেক্রেটারি স্কট বেসেন্ট একটি বিশেষজ্ঞ দলকে উপসাগরীয় দেশগুলোতে ইরানি হামলায় হওয়া ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নির্ধারণের নির্দেশ দিয়েছেন।

ওয়াশিংটন মূলত ইরানের জব্দকৃত অর্থ দিয়ে তাদের উপসাগরীয় মিত্রদের অতীত ও ভবিষ্যতের ক্ষতিপূরণ দেওয়ার বিষয়টি নিয়ে ভাবছে। চলমান সংঘাতের মধ্যে ইরান বেশ কয়েকটি উপসাগরীয় দেশে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালিয়েছে, যা তাদের দাবি অনুযায়ী মার্কিন ও ইসরায়েলি স্বার্থকে লক্ষ্য করে করা হয়েছিল।

ইরানের উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রী হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, তেহরানের অনুমতি ছাড়া তাদের সম্পদ বাজেয়াপ্ত বা স্থানান্তর করা হলে তা হবে একটি নতুন আন্তর্জাতিক অপরাধ। আমেরিকার এমন পদক্ষেপ চলমান শান্তি আলোচনাকে বাধাগ্রস্ত করবে এবং ইরান এর উপযুক্ত জবাব দেবে। ঘারিবাবাদী আরও বলেন, আঞ্চলিক কিছু দেশ নিজেদের মাটি ও সামরিক ঘাঁটি ইরানের বিরুদ্ধে ব্যবহারের জন্য মার্কিন বাহিনীকে ছেড়ে দিয়েছে, তাই তারা ক্ষতিপূরণ পাওয়ার যোগ্য নয়, বরং তাদেরই উচিত ইরানকে ক্ষতিপূরণ দেওয়া।

উল্লেখ্য, সংঘাত অবসানের লক্ষ্যে দুই দেশের মধ্যে চলমান আলোচনার অংশ হিসেবে যুক্তরাষ্ট্রে আটকে থাকা শত কোটি ডলার ছাড় করার দাবি জানিয়ে আসছে তেহরান। যুদ্ধ বন্ধে ইরানের অন্যতম প্রধান শর্ত হলো তাদের স্থগিত সম্পদ অবমুক্ত করা, সব মার্কিন ও আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার এবং কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালির ওপর তাদের পূর্ণ কর্তৃত্বের স্বীকৃতি দেওয়া।

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

বর্ণিল সাজে বারোমারী তীর্থস্থান, ফাতেমা রাণীর তীর্থোৎসব ঘিরে আনন্দের বন্যা

​আমাদের সম্পদ বন্ধুদের তহবিল নয়: ইরানের কঠোর বার্তা

আপডেট সময় ১০:৪২:০২ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৮ জুন ২০২৬

উপসাগরীয় অঞ্চলের মার্কিন মিত্রদের যুদ্ধের ক্ষয়ক্ষতি মেটাতে ইরানি অর্থ ব্যবহারের মার্কিন পরিকল্পনার তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছে তেহরান। ইরানের উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রী কাজেম ঘারিবাবাদী স্পষ্ট করেছেন যে আঞ্চলিক কোনো সরকারের ইরানের কাছে ক্ষতিপূরণ চাওয়ার অধিকার নেই। 

গত রোববার সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এক্সে দেওয়া বার্তায় তিনি বলেন, ইরানের রাষ্ট্রীয় সম্পদ ওয়াশিংটনের জন্য কোনো যুদ্ধের লুট নয়, কিংবা তাদের বন্ধুদের দেওয়ার কোনো তহবিলও নয়।

আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে বলা হয়, মার্কিন ট্রেজারি সেক্রেটারি স্কট বেসেন্ট একটি বিশেষজ্ঞ দলকে উপসাগরীয় দেশগুলোতে ইরানি হামলায় হওয়া ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নির্ধারণের নির্দেশ দিয়েছেন।

ওয়াশিংটন মূলত ইরানের জব্দকৃত অর্থ দিয়ে তাদের উপসাগরীয় মিত্রদের অতীত ও ভবিষ্যতের ক্ষতিপূরণ দেওয়ার বিষয়টি নিয়ে ভাবছে। চলমান সংঘাতের মধ্যে ইরান বেশ কয়েকটি উপসাগরীয় দেশে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালিয়েছে, যা তাদের দাবি অনুযায়ী মার্কিন ও ইসরায়েলি স্বার্থকে লক্ষ্য করে করা হয়েছিল।

ইরানের উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রী হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, তেহরানের অনুমতি ছাড়া তাদের সম্পদ বাজেয়াপ্ত বা স্থানান্তর করা হলে তা হবে একটি নতুন আন্তর্জাতিক অপরাধ। আমেরিকার এমন পদক্ষেপ চলমান শান্তি আলোচনাকে বাধাগ্রস্ত করবে এবং ইরান এর উপযুক্ত জবাব দেবে। ঘারিবাবাদী আরও বলেন, আঞ্চলিক কিছু দেশ নিজেদের মাটি ও সামরিক ঘাঁটি ইরানের বিরুদ্ধে ব্যবহারের জন্য মার্কিন বাহিনীকে ছেড়ে দিয়েছে, তাই তারা ক্ষতিপূরণ পাওয়ার যোগ্য নয়, বরং তাদেরই উচিত ইরানকে ক্ষতিপূরণ দেওয়া।

উল্লেখ্য, সংঘাত অবসানের লক্ষ্যে দুই দেশের মধ্যে চলমান আলোচনার অংশ হিসেবে যুক্তরাষ্ট্রে আটকে থাকা শত কোটি ডলার ছাড় করার দাবি জানিয়ে আসছে তেহরান। যুদ্ধ বন্ধে ইরানের অন্যতম প্রধান শর্ত হলো তাদের স্থগিত সম্পদ অবমুক্ত করা, সব মার্কিন ও আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার এবং কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালির ওপর তাদের পূর্ণ কর্তৃত্বের স্বীকৃতি দেওয়া।