ময়মনসিংহ , বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
বর্ণিল সাজে বারোমারী তীর্থস্থান, ফাতেমা রাণীর তীর্থোৎসব ঘিরে আনন্দের বন্যা বিদ্যুৎ খাতে লুটপাট করতেই দায়মুক্তি আইন পাস করেছিল আওয়ামী লীগ বললেন রিজভী পাঁচজন সাংবাদিকের হত্যাকাণ্ড, বিচারের দাবিতে ঐক্যবদ্ধ হচ্ছেন ময়মনসিংহের সাংবাদিকবৃন্দ বারোমারী মিশনে ফাতেমা রাণীর তীর্থোৎসবের প্রস্তুতি পরিদর্শন করলেন জেলা প্রশাসক ময়মনসিংহ পুলিশ লাইন্সের আরআই তারা মিয়ার বদলিজনিত বিদায় সংবর্ধনা কিশোরগঞ্জের কটিয়াদীতে বাড়ির পাশের জমে থাকা পানিতে ডুবে হুমাইশা আক্তার (২) নামের এক শিশুর মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে দিনাজপুরে রাস্তার জমি ও পারিশ্রমিক নিয়ে বিরোধ: প্রধান শিক্ষককে পিটিয়ে হত্যা, গ্রেপ্তার ২ সততা, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার অঙ্গীকার পূর্বধলায় শিক্ষক-কর্মচারী ক্রেডিট ইউনিয়নের নির্বাচনে সমর্থন চায় রূপন-নিলয়-মোশারফ পরিষদ রাজশাহীতে প্রথম কমিউনিটি পুলিশ কাবাডি চ্যাম্পিয়নশিপের উদ্বোধন নারায়ণগঞ্জে সিলিন্ডার বিস্ফোরণে একই পরিবারের চারজন নিহত, পরিবারকে ৮০ হাজার টাকা সহায়তা দিল পূর্বধলা প্রশাসন
নোটিশ :
প্রতিটি জেলা- উপজেলায় একজন করে ভিডিও প্রতিনিধি আবশ্যক। যোগাযোগঃ- Email- matiomanuss@gmail.com. Mobile No- 017-11684104, 013-03300539.

নিরাপত্তা ইস্যুতে ভারতের পাশে মিয়ানমার, ভূখণ্ড ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞা প্রেসিডেন্টের

  • ডিজিটাল ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১০:৪৫:৪৬ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২ জুন ২০২৬
  • ৯৪ বার পড়া হয়েছে

বাণিজ্য, সীমান্ত নিরাপত্তা, উন্নয়নমূলক সহায়তা এবং সক্ষমতা বৃদ্ধির ওপর জোর দিয়ে প্রতিরক্ষা সহযোগিতা— এই সমস্ত গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলোই ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে মায়ানমারের সফররত প্রেসিডেন্ট মিন অং হ্লাইংয়ের বৈঠকে মূল প্রাধান্য পেয়েছে। বৈঠকে মিয়ানমারের প্রেসিডেন্ট ভারতকে দৃঢ়ভাবে আশ্বস্ত করেছেন যে, ভারতের নিরাপত্তা বিঘ্নিত করে এমন কোনো কাজে মিয়ানমারের ভূখণ্ড ব্যবহার করতে দেওয়া হবে না।

বৈঠক শেষে ভারতের পররাষ্ট্র সচিব বিক্রম মিস্রি জানান, নরেদ্র মোদি মিয়ানমারের সার্বভৌমত্ব এবং আঞ্চলিক অখণ্ডতার প্রতি ভারতের পূর্ণ সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করেছেন। একই সঙ্গে দুই পক্ষই এই বিষয়ে একমত হয়েছে যে, কোনো দেশেরই সার্বভৌম ভূখণ্ড যেন একে অপরের নিরাপত্তা স্বার্থের পরিপন্থী বা ক্ষতিকর কোনো কার্যকলাপে ব্যবহৃত না হতে পারে।

একটি যৌথ বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, মোদি মিয়ানমারকে ভারতের একটি অবিচল ও বিশ্বস্ত অংশীদার হিসেবে উল্লেখ করেছেন এবং দুই দেশের মধ্যে নিরাপত্তা সহযোগিতা আরও জোরদার করার ব্যাপারে প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেছেন।

এছাড়া, মিয়ানমারের চলমান শান্তি প্রক্রিয়া নিয়ে আলোচনা করার সময় মোদি সেখানে একটি স্থায়ী শান্তি, অন্তর্ভুক্তি এবং সমস্ত অংশীদারদের আলোচনার টেবিলে আনার প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্ব দেন।

যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়ন নিয়ে প্রধানমন্ত্রী মোদী উল্লেখ করেন যে, দুই দেশের মধ্যে যোগাযোগ বৃদ্ধি পেলে পারস্পরিক অর্থনৈতিক সম্পর্ক আরও জোরদার হবে। এই লক্ষ্যে কালাদান মাল্টি-মোডাল ট্রানজিট ট্রান্সপোর্ট প্রজেক্ট এবং ভারত-মিয়ানমার-থাইল্যান্ড ত্রিপক্ষীয় হাইওয়ে-র কাজ দ্রুত শেষ করার জন্য উভয় দেশই একযোগে কাজ করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছে।

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

বর্ণিল সাজে বারোমারী তীর্থস্থান, ফাতেমা রাণীর তীর্থোৎসব ঘিরে আনন্দের বন্যা

নিরাপত্তা ইস্যুতে ভারতের পাশে মিয়ানমার, ভূখণ্ড ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞা প্রেসিডেন্টের

আপডেট সময় ১০:৪৫:৪৬ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২ জুন ২০২৬

বাণিজ্য, সীমান্ত নিরাপত্তা, উন্নয়নমূলক সহায়তা এবং সক্ষমতা বৃদ্ধির ওপর জোর দিয়ে প্রতিরক্ষা সহযোগিতা— এই সমস্ত গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলোই ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে মায়ানমারের সফররত প্রেসিডেন্ট মিন অং হ্লাইংয়ের বৈঠকে মূল প্রাধান্য পেয়েছে। বৈঠকে মিয়ানমারের প্রেসিডেন্ট ভারতকে দৃঢ়ভাবে আশ্বস্ত করেছেন যে, ভারতের নিরাপত্তা বিঘ্নিত করে এমন কোনো কাজে মিয়ানমারের ভূখণ্ড ব্যবহার করতে দেওয়া হবে না।

বৈঠক শেষে ভারতের পররাষ্ট্র সচিব বিক্রম মিস্রি জানান, নরেদ্র মোদি মিয়ানমারের সার্বভৌমত্ব এবং আঞ্চলিক অখণ্ডতার প্রতি ভারতের পূর্ণ সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করেছেন। একই সঙ্গে দুই পক্ষই এই বিষয়ে একমত হয়েছে যে, কোনো দেশেরই সার্বভৌম ভূখণ্ড যেন একে অপরের নিরাপত্তা স্বার্থের পরিপন্থী বা ক্ষতিকর কোনো কার্যকলাপে ব্যবহৃত না হতে পারে।

একটি যৌথ বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, মোদি মিয়ানমারকে ভারতের একটি অবিচল ও বিশ্বস্ত অংশীদার হিসেবে উল্লেখ করেছেন এবং দুই দেশের মধ্যে নিরাপত্তা সহযোগিতা আরও জোরদার করার ব্যাপারে প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেছেন।

এছাড়া, মিয়ানমারের চলমান শান্তি প্রক্রিয়া নিয়ে আলোচনা করার সময় মোদি সেখানে একটি স্থায়ী শান্তি, অন্তর্ভুক্তি এবং সমস্ত অংশীদারদের আলোচনার টেবিলে আনার প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্ব দেন।

যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়ন নিয়ে প্রধানমন্ত্রী মোদী উল্লেখ করেন যে, দুই দেশের মধ্যে যোগাযোগ বৃদ্ধি পেলে পারস্পরিক অর্থনৈতিক সম্পর্ক আরও জোরদার হবে। এই লক্ষ্যে কালাদান মাল্টি-মোডাল ট্রানজিট ট্রান্সপোর্ট প্রজেক্ট এবং ভারত-মিয়ানমার-থাইল্যান্ড ত্রিপক্ষীয় হাইওয়ে-র কাজ দ্রুত শেষ করার জন্য উভয় দেশই একযোগে কাজ করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছে।