ময়মনসিংহ , শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬, ৩০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
এআই যুগে শ্রমিক নায্য অধিকার, দক্ষতা উন্নয়ন ও অভিবাসী শ্রমিক সুরক্ষায় বৈশ্বিক উদ্যোগ পরিচয় অনুসন্ধান নাকি পাসপোর্ট জালিয়াতি? নেত্রকোণায় আটক রোহিঙ্গা যুবককে ঘিরে ঘনীভূত রহস্য পূর্বধলায় কৃষি প্রণোদনা তালিকায় অনিয়মের অভিযোগে ঘাগড়া চৌরাস্তায় সংবাদ সম্মেলন ​লোহালিয়া নদীর ওপর ৯ম মৈত্রী সেতু নির্মাণে বাংলাদেশ ও চীনের চুক্তি রামিসা হত্যা মামলা: বিচার চেয়ে রোববার শুনানি করবেন অ্যাটর্নি জেনারেল ​আসছে নবম পে-স্কেল: ১ জুলাই থেকে কার্যকর হচ্ছে নতুন বেতন কাঠামো ​হঠাৎ জার্সি বদলের চাপে হাইতি: ৫২ বছর পর বিশ্বকাপে এসেই সংকটে দলটি গ্যাস লিকেজ থেকে বিস্ফোরণে একই পরিবারের ৪ জনসহ দগ্ধ, ৫ ফুটবল বিশ্বকাপ: স্মারক ডাকটিকিট উন্মোচন করলেন প্রধানমন্ত্রী জাতির প্রত্যাশা পূরণের লক্ষেই এবারের বাজেট প্রণয়ন জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী
নোটিশ :
প্রতিটি জেলা- উপজেলায় একজন করে ভিডিও প্রতিনিধি আবশ্যক। যোগাযোগঃ- Email- matiomanuss@gmail.com. Mobile No- 017-11684104, 013-03300539.

পুতিনের সঙ্গে বৈঠক অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ: ইরানি পররাষ্ট্রমন্ত্রী আরাগচি

  • ডিজিটাল ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১২:৩৫:৩৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৭ এপ্রিল ২০২৬
  • ৭১ বার পড়া হয়েছে

ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি রাশিয়ার সেন্ট পিটার্সবার্গে পৌঁছেছেন এবং দেশটির প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনসহ শীর্ষস্থানীয় রুশ কর্মকর্তাদের সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে মিলিত হওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন। 

রাশিয়ায় পৌঁছানোর পর ইরানি সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে আরাগচি জানান, আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক বিভিন্ন ইস্যুতে তেহরান ও মস্কোর মধ্যে বিদ্যমান ঘনিষ্ঠ পরামর্শ প্রক্রিয়া অব্যাহত রাখাই তার এই সফরের মূল লক্ষ্য। তিনি মনে করেন, বর্তমান যুদ্ধকালীন পরিস্থিতিতে রাশিয়ার সঙ্গে এই উচ্চপর্যায়ের আলোচনা দুই দেশের কৌশলগত সম্পর্কের জন্য অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ।

তিনি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করেন, এই সংকটময় মুহূর্তে দুই দেশের মধ্যে সমন্বয় ও পারস্পরিক পরামর্শ বিশেষ গুরুত্ব বহন করে। বিশেষ করে মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে ইরানের ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে রাশিয়ার সমর্থন ও রাজনৈতিক অবস্থান তেহরানের জন্য বড় একটি শক্তির উৎস হিসেবে কাজ করছে।

রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন।

আরাগচি আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন, এই আলোচনার মাধ্যমে দুই দেশ একটি অভিন্ন অবস্থানে পৌঁছাতে সক্ষম হবে যা যুদ্ধের পরবর্তী ধাপগুলোতে ইরানের অবস্থানকে আরও সুসংহত করবে। সেন্ট পিটার্সবার্গে এই বৈঠকের ফলাফলের দিকে এখন পুরো বিশ্বের কূটনৈতিক মহল গভীর নজর রাখছে।

পুতিনের সঙ্গে এই বৈঠকের মাধ্যমে ইরান মূলত রাশিয়ার কাছ থেকে সামরিক ও গোয়েন্দা সহায়তার পাশাপাশি আন্তর্জাতিক অঙ্গনে জোরালো কূটনৈতিক সমর্থন নিশ্চিত করতে চাইছে।

যেহেতু ইরান বর্তমানে বড় ধরনের অর্থনৈতিক ও সামরিক অবরোধের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে, তাই ক্রেমলিনের সঙ্গে এই সমন্বয় তেহরানকে নতুন কোনো চুক্তিতে পৌঁছাতে বা যুদ্ধের ময়দানে টিকে থাকতে সাহায্য করবে বলে মনে করা হচ্ছে। আরাগচি তার বক্তব্যে বারবার এই সমন্বয়ের গুরুত্ব তুলে ধরেছেন এবং একে আঞ্চলিক শান্তি ও স্থিতিশীলতা পুনরুদ্ধারের একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে বর্ণনা করেছেন।

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

এআই যুগে শ্রমিক নায্য অধিকার, দক্ষতা উন্নয়ন ও অভিবাসী শ্রমিক সুরক্ষায় বৈশ্বিক উদ্যোগ

পুতিনের সঙ্গে বৈঠক অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ: ইরানি পররাষ্ট্রমন্ত্রী আরাগচি

আপডেট সময় ১২:৩৫:৩৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৭ এপ্রিল ২০২৬

ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি রাশিয়ার সেন্ট পিটার্সবার্গে পৌঁছেছেন এবং দেশটির প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনসহ শীর্ষস্থানীয় রুশ কর্মকর্তাদের সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে মিলিত হওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন। 

রাশিয়ায় পৌঁছানোর পর ইরানি সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে আরাগচি জানান, আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক বিভিন্ন ইস্যুতে তেহরান ও মস্কোর মধ্যে বিদ্যমান ঘনিষ্ঠ পরামর্শ প্রক্রিয়া অব্যাহত রাখাই তার এই সফরের মূল লক্ষ্য। তিনি মনে করেন, বর্তমান যুদ্ধকালীন পরিস্থিতিতে রাশিয়ার সঙ্গে এই উচ্চপর্যায়ের আলোচনা দুই দেশের কৌশলগত সম্পর্কের জন্য অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ।

তিনি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করেন, এই সংকটময় মুহূর্তে দুই দেশের মধ্যে সমন্বয় ও পারস্পরিক পরামর্শ বিশেষ গুরুত্ব বহন করে। বিশেষ করে মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে ইরানের ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে রাশিয়ার সমর্থন ও রাজনৈতিক অবস্থান তেহরানের জন্য বড় একটি শক্তির উৎস হিসেবে কাজ করছে।

রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন।

আরাগচি আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন, এই আলোচনার মাধ্যমে দুই দেশ একটি অভিন্ন অবস্থানে পৌঁছাতে সক্ষম হবে যা যুদ্ধের পরবর্তী ধাপগুলোতে ইরানের অবস্থানকে আরও সুসংহত করবে। সেন্ট পিটার্সবার্গে এই বৈঠকের ফলাফলের দিকে এখন পুরো বিশ্বের কূটনৈতিক মহল গভীর নজর রাখছে।

পুতিনের সঙ্গে এই বৈঠকের মাধ্যমে ইরান মূলত রাশিয়ার কাছ থেকে সামরিক ও গোয়েন্দা সহায়তার পাশাপাশি আন্তর্জাতিক অঙ্গনে জোরালো কূটনৈতিক সমর্থন নিশ্চিত করতে চাইছে।

যেহেতু ইরান বর্তমানে বড় ধরনের অর্থনৈতিক ও সামরিক অবরোধের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে, তাই ক্রেমলিনের সঙ্গে এই সমন্বয় তেহরানকে নতুন কোনো চুক্তিতে পৌঁছাতে বা যুদ্ধের ময়দানে টিকে থাকতে সাহায্য করবে বলে মনে করা হচ্ছে। আরাগচি তার বক্তব্যে বারবার এই সমন্বয়ের গুরুত্ব তুলে ধরেছেন এবং একে আঞ্চলিক শান্তি ও স্থিতিশীলতা পুনরুদ্ধারের একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে বর্ণনা করেছেন।