গত মঙ্গলবার (৫ মে) দুপুরে কিশোরগঞ্জের ইটনা, মিঠামইন ও অষ্টগ্রাম উপজেলার বিভিন্ন হাওড় এলাকা পরিদর্শন শেষে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. সাইদুর রহমান খান এই তথ্য জানান।
সরকারি পরিকল্পনা অনুযায়ী, তালিকাভুক্ত প্রতিটি পরিবারকে কার্ডের মাধ্যমে প্রতি মাসে ২০ কেজি করে চাল দেওয়া হবে। এর পাশাপাশি ক্ষতির মাত্রা বিবেচনা করে তিন ক্যাটাগরিতে নগদ অর্থ সহায়তা দেওয়া হবে।
পরিদর্শনকালে সচিব মো. সাইদুর রহমান খান সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের প্রকৃত ক্ষতিগ্রস্তদের তালিকা তৈরির কঠোর নির্দেশনা দেন।
তিনি জানান, প্রকৃত ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকরাই যেন এই সহায়তার আওতায় আসেন, তা নিশ্চিত করতে হবে। যাচাই-বাছাইয়ের মাধ্যমে তালিকা চূড়ান্ত করে পর্যায়ক্রমে এই সহায়তা বিতরণ করা হবে।
তিনি বলেন, ‘এই সহায়তা প্রদান করা হবে একটি কার্ডের মাধ্যমে, যাতে সঠিক তালিকা প্রণয়ন করে যারা পাওয়ার যোগ্য হকদার তাদেরকেই আমরা দিতে পারি সে উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে’।
জেলা প্রশাসন ও কৃষি বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, কিশোরগঞ্জে অতিবৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলে এ পর্যন্ত প্রায় ১২ হাজার ৫০০ হেক্টর জমির ফসল পানিতে তলিয়ে গেছে। এতে সরাসরি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন প্রায় ৫০ হাজার কৃষক। হঠাৎ করে ফসল হারিয়ে দিশেহারা হয়ে পড়া এসব কৃষকের মুখে হাসি ফোটাতেই এই মানবিক সহায়তার উদ্যোগ।

ডিজিটাল রিপোর্ট 




















