ট্রাইব্যুনাল আইনে রায়ের বিরুদ্ধে আপিলের জন্য ৩০ দিনের সময়সীমা নির্ধারিত রয়েছে। এছাড়া আপিল দায়েরের পর ৬০ দিনের মধ্যে তা নিষ্পত্তির বিধানও রয়েছে। তবে সংশ্লিষ্টদের মতে, এ সময়সীমা নির্দেশনামূলক হওয়ায় নির্ধারিত সময়ের মধ্যে নিষ্পত্তি না হলেও আপিলের কার্যকারিতা বহাল থাকে।
পরবর্তীতে গত বছরের ১৫ ডিসেম্বর শেখ হাসিনা ও আসাদুজ্জামান খান কামালের সাজা আরও বাড়িয়ে মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের দাবি জানিয়ে আপিল করে প্রসিকিউশন। তবে দীর্ঘ সময় পেরিয়ে গেলেও সেই আপিলের শুনানি শেষ হয়নি।
প্রসিকিউশন বলছে, প্রস্তুতি সম্পন্ন না হওয়ায় আপিল শুনানি থেমে আছে। একই অবস্থায় জুলাই অভ্যুত্থানে চাঁনখারপুলে হত্যাযজ্ঞ ও আশুলিয়ায় হত্যা ও মরদেহ পোড়ানোর মামলাও।
এ বিষয়ে অ্যাডভোকেট আমিনুল ইসলাম আরও বলেন, আমরা এখন পর্যন্ত শুনানির জন্য কোনো উদ্যোগ নিইনি। উদ্যোগ নিইনি এ কারণে যে, আমরা এখন পর্যন্ত আপিলটা শুনানির জন্য প্রস্তুতি নিতে পারিনি।
এদিকে, জুলাই হত্যাযজ্ঞ-সংক্রান্ত মামলায় আওয়ামী লীগ নেতা মাহবুবউল আলম হানিফ এবং জাসদ সভাপতি হাসানুল হক ইনুসহ কয়েকজনের বিরুদ্ধে বিচারিক কার্যক্রম শেষ হয়েছে। এসব মামলার রায় চলতি মাসের মধ্যেই ঘোষণা হতে পারে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।

ডিজিটাল ডেস্ক 























