আগামী ৭ জুলাই (বাংলাদেশ সময়) কোয়ার্টার ফাইনালে ওঠার হাইভোল্টেজ লড়াইয়ে বেলজিয়ামের মুখোমুখি হবে স্বাগতিক এই দলটি।
তবে আমরিকান স্ট্রাইকারদের ক্রমাগত আক্রমণের চাপ বসনিয়া বেশি সময় সামাল দিতে পারেনি। প্রথমার্ধের ঠিক শেষ মুহূর্তে ৪৫তম মিনিটে কাঙ্ক্ষিত গোলের দেখা পায় যুক্তরাষ্ট্র। মালিক টিলম্যানের চমৎকার এক পাস থেকে এই আক্রমণের সূত্রপাত হয়। তার বাড়িয়ে দেওয়া বলটি বসনিয়ার দুজন ডিফেন্ডারের গায়ে লেগে দিক পরিবর্তন করে চলে যায় ফ্লোরিয়ান বালোগানের সামনে। এমন সুবর্ণ সুযোগ হাতছাড়া করেননি তিনি, সামনে তেড়ে আসা বসনিয়ান গোলরক্ষক নিকোলা ভাসিলকে বোকা বানিয়ে অত্যন্ত ঠান্ডা মাথায় বল জালে জড়ান এই আমেরিকান স্ট্রাইকার।
১০ জনের দলে পরিণত হওয়া যুক্তরাষ্ট্রের বিপক্ষে ম্যাচে ফেরার দারুণ সুযোগ পায় বসনিয়া। তবে দেমিরোভিচ ও বাজারাকতারেভিচের নেওয়া বেশ কয়েকটি শট লক্ষ্যভ্রষ্ট হলে সমতায় ফেরা হয়নি তাদের। উল্টো ম্যাচের ৭৯ মিনিটে আবারও বসনিয়ার জাল কাঁপিয়েছিল স্বাগতিকরা। ম্যাককেন্নির বাড়ানো বল ধরে ডেস্ট পাস দেন পুলিসিককে, আর তিনি সহজেই বল জালে ঠেলে দেন। তবে আমেরিকানদের উদযাপনের মাঝেই লাইন্সম্যান অফসাইডের পতাকা তোলায় গোলটি বাতিল হয়ে যায়।
অবশ্য সেই গোল বাতিলের ধাক্কা ভুলে যেতে মাত্র তিন মিনিট সময় নেয় যুক্তরাষ্ট্র। ম্যাচের ৮২ মিনিটে স্কোরলাইন ২-০ করে উল্লাসে মাতে তারা। এবার বক্সের ঠিক বাইরে থেকে অসাধারণ এক ফ্রি-কিক নেন মালিক টিলম্যান। তাঁর নেওয়া নিখুঁত শটটি দারুণভাবে কার্ভ (বক্রপথ) করে বসনিয়ার পোস্টের ডান কোণ দিয়ে জালে প্রবেশ করে। বসনিয়ান গোলরক্ষক নিকোলা ভাসিল ডানদিকে পুরো শরীর ছুড়েও সেই বলের নাগাল পাননি।
টিলম্যানের এই অবিশ্বাস্য ও চোখধাঁধানো গোলের সাথে সাথেই পুরো সান ফ্রান্সিসকো স্টেডিয়াম উল্লাসে মেতে ওঠে। ১ জন কম নিয়ে খেলার সব ক্লান্তি ও প্রতিকূলতা দূর করে এই গোলটিই মূলত যুক্তরাষ্ট্রের শেষ ষোলোর জয় নিশ্চিত করে দেয়।

ডিজিটাল ডেস্ক 























