গত বুধবার (১ জুলাই) সোমালিল্যান্ডের রাষ্ট্রপতির কার্যালয় থেকে জানানো হয়েছে যে নতুন এই দ্বিপাক্ষিক চুক্তিটি মূলত দুই দেশের মধ্যকার নিরাপত্তা ব্যবস্থা, আর্থিক বিনিয়োগ, আধুনিক প্রযুক্তি এবং সামগ্রিক অর্থনৈতিক অগ্রগতির মতো গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্রগুলোতে পারস্পরিক সহযোগিতা সম্প্রসারণের একটি মজবুত ভিত্তি হিসেবে কাজ করবে। উল্লেখ্য যে ১৯৯১ সালে সোমালিয়া থেকে আলাদা হয়ে স্বাধীনতা ঘোষণা করা সোমালিল্যান্ডকে বিশ্বের প্রথম দেশ হিসেবে আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাধীন রাষ্ট্রের স্বীকৃতি প্রদান করেছে ইসরায়েল।
আন্তর্জাতিক সামরিক ও রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞদের মতে গত বছর ইসরায়েলের দেওয়া এই বিশেষ কূটনৈতিক স্বীকৃতির পেছনে একটি সুনির্দিষ্ট কৌশলগত উদ্দেশ্য রয়েছে। লোহিত সাগরের দক্ষিণ প্রবেশদ্বারে অবস্থিত এডেন উপসাগরে নিজেদের একটি শক্তিশালী সামরিক ও কৌশলগত অবস্থান নিশ্চিত করতেই মূলত ইসরায়েল সোমালিল্যান্ডের সঙ্গে এই মিত্রতা গড়ে তুলেছে।
এই অঞ্চলের নিয়ন্ত্রণ বজায় রাখার মাধ্যমে ইসরায়েল মূলত ইরান এবং তার আঞ্চলিক সহযোগী ও ইয়েমেনের হুথি বিদ্রোহীদের ক্রমবর্ধমান প্রভাব ও সামরিক কার্যক্রম কার্যকরভাবে মোকাবেলা করতে চাইছে।

ডিজিটাল ডেস্ক 






















