ময়মনসিংহ , মঙ্গলবার, ০৭ জুলাই ২০২৬, ২৩ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
​আলিমে রেজিস্ট্রেশন বঞ্চিত শিক্ষার্থীদের জন্য সুখবর: সময় বাড়ালো মাদ্রাসা বোর্ড স্বাস্থ্যখাতে জনবল সংকট মোকাবিলায় তরুণদের এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন অক্টোবর থেকে স্থানীয় সরকার নির্বাচন শুরু জানিয়েছেন তথ্য উপদেষ্টা সরকারি চাকরিতে নতুন পে-স্কেল: বেতন ১০০ শতাংশ পর্যন্ত বৃদ্ধির সম্ভাবনা স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করার প্রতিশ্রুতি পূরণে সরকার কাজ করছে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী কৃষক ১০ হাজার টাকার কৃষি ঋণের জন্য কোমরে দড়ি পড়ে, আর হাজার কোটি টাকার ক্ষমতাশালী গ্রহীতাদের বেলায় আইন তার নিজের গতি হারিয়ে ফেলে? এনসিপির সমাবেশে হামলা: দোষীদের শাস্তির দাবি গোলাম পরওয়ারের কলেজগুলোর জন্য জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন নিয়ম ৬ দিনের বিরতি শেষে আজ ফের বসছে জাতীয় সংসদ অধিবেশন ​ঢাকাসহ ১৭ জেলায় ঝড়ের পূর্বাভাস: দুপুরের মধ্যেই বজ্রবৃষ্টির শঙ্কা
নোটিশ :
প্রতিটি জেলা- উপজেলায় একজন করে ভিডিও প্রতিনিধি আবশ্যক। যোগাযোগঃ- Email- matiomanuss@gmail.com. Mobile No- 017-11684104, 013-03300539.

গামছা দিয়ে মুখ বাঁধা অবস্থায় শিশু তিশার মরদেহ উদ্ধার

গামছা দিয়ে মুখ বাঁধা অবস্থায় শিশু তিশার মরদেহ উদ্ধার

মাদারীপুরের রাজৈরে বসতঘর থেকে মুখে গামছা বাঁধা অবস্থায় এক মাদরাসা ছাত্রীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। শুক্রবার (২৭ ডিসেম্বর) রাত ৭টার দিকে রাজৈর উপজেলার স্লুইসগেট নয়াকান্দি গ্রামে ওই ঘটনা ঘটে।

নিহত মাদরাসা ছাত্রীর তিশা আক্তার (১১)। সে একই গ্রামের মিলন শেখের মেয়ে। তিশা নয়াকান্দি মাদরাসার দ্বিতীয় শ্রেণীর ছাত্রী ছিলেন। তবে পরিবারের লোকজনের দাবি, তাকে ধর্ষণের পর হত্যা করা হয়েছে।

পারিবারিক ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার বিকেলে তিশাকে একা ঘরে রেখে তার ছোট বোনকে নিয়ে রাস্তায় যায় তার মা শাহিনুর বেগম। পরে সন্ধ্যার পরে ঘরে ঢোকার সময় কিছু জিনিস এলোমেলো দেখতে পান তিনি। এ সময় তিশার কোনো সাড়া শব্দ না পাওয়ায় ঘরে প্রবেশ করে তাকে খুঁজতে থাকেন। এক পর্যায়ে সুকেজের পাশে মুখ বাঁধা অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখেন। এ সময় শাহিনুরের চিৎকারে আসপাশের লোকজন ছুটে এসে তিশাকে উদ্ধার করে রাজৈর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসে। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত্যু ঘোষণা করেন। শনিবার সকালে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ মাদারীপুর সদর হাসপাতালের মর্গে প্রেরণ করা হবে।

নিহত মাদরাসা ছাত্রীর মা শাহিনুর বেগম জানান, ‘আমি বাড়ির পাশে বালুর মাঠে বসে ছোট মেয়েকে তেল মালিস করছিলাম। এ সময় কান্না করায় তাকে নিয়ে রাস্তায় হাটতে যাই এবং আমার মেঝ মেয়ে তিশাকে বাড়ি পাঠিয়ে দেই। পরে বাড়ি ফিরে দেখি গেইট আটকানো ও ঘরের মেজেতে দেয়া ছালার বস্তা আউলা-ঝাউলা অবস্থায় আছে। এ সময় ভিতরে ঢুকেই দেখি সুকেজের পাশে মুখে গামছা বাঁধা অবস্থায় মাটিতে লুটিয়ে পড়ে আছে তিশা। আমার মেয়েকে ধর্ষণের পর হত্যা করা হয়েছে। এমন নির্মমভাবে যে বা যারা হত্যা করেছে আমি তাদের কঠোর শাস্তি চাই। একই সঙ্গে অপরাধীদের ফাঁসির দাবি জানান নিহত তিশার বাবা মিলন শেখ।

এ ব্যাপারে রাজৈর থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) হরিদাস রায় জানান, ‘ঘটনাটি তদন্ত চলছে। হত্যা না আত্মহত্যা এখনো বলা যাচ্ছে না। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট হাতে পাওয়ার পর মৃত্যুর আসল কারণ জানা যাবে।’

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

​আলিমে রেজিস্ট্রেশন বঞ্চিত শিক্ষার্থীদের জন্য সুখবর: সময় বাড়ালো মাদ্রাসা বোর্ড

গামছা দিয়ে মুখ বাঁধা অবস্থায় শিশু তিশার মরদেহ উদ্ধার

আপডেট সময় ১০:৫৭:৫০ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৮ ডিসেম্বর ২০২৪

গামছা দিয়ে মুখ বাঁধা অবস্থায় শিশু তিশার মরদেহ উদ্ধার

মাদারীপুরের রাজৈরে বসতঘর থেকে মুখে গামছা বাঁধা অবস্থায় এক মাদরাসা ছাত্রীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। শুক্রবার (২৭ ডিসেম্বর) রাত ৭টার দিকে রাজৈর উপজেলার স্লুইসগেট নয়াকান্দি গ্রামে ওই ঘটনা ঘটে।

নিহত মাদরাসা ছাত্রীর তিশা আক্তার (১১)। সে একই গ্রামের মিলন শেখের মেয়ে। তিশা নয়াকান্দি মাদরাসার দ্বিতীয় শ্রেণীর ছাত্রী ছিলেন। তবে পরিবারের লোকজনের দাবি, তাকে ধর্ষণের পর হত্যা করা হয়েছে।

পারিবারিক ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার বিকেলে তিশাকে একা ঘরে রেখে তার ছোট বোনকে নিয়ে রাস্তায় যায় তার মা শাহিনুর বেগম। পরে সন্ধ্যার পরে ঘরে ঢোকার সময় কিছু জিনিস এলোমেলো দেখতে পান তিনি। এ সময় তিশার কোনো সাড়া শব্দ না পাওয়ায় ঘরে প্রবেশ করে তাকে খুঁজতে থাকেন। এক পর্যায়ে সুকেজের পাশে মুখ বাঁধা অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখেন। এ সময় শাহিনুরের চিৎকারে আসপাশের লোকজন ছুটে এসে তিশাকে উদ্ধার করে রাজৈর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসে। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত্যু ঘোষণা করেন। শনিবার সকালে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ মাদারীপুর সদর হাসপাতালের মর্গে প্রেরণ করা হবে।

নিহত মাদরাসা ছাত্রীর মা শাহিনুর বেগম জানান, ‘আমি বাড়ির পাশে বালুর মাঠে বসে ছোট মেয়েকে তেল মালিস করছিলাম। এ সময় কান্না করায় তাকে নিয়ে রাস্তায় হাটতে যাই এবং আমার মেঝ মেয়ে তিশাকে বাড়ি পাঠিয়ে দেই। পরে বাড়ি ফিরে দেখি গেইট আটকানো ও ঘরের মেজেতে দেয়া ছালার বস্তা আউলা-ঝাউলা অবস্থায় আছে। এ সময় ভিতরে ঢুকেই দেখি সুকেজের পাশে মুখে গামছা বাঁধা অবস্থায় মাটিতে লুটিয়ে পড়ে আছে তিশা। আমার মেয়েকে ধর্ষণের পর হত্যা করা হয়েছে। এমন নির্মমভাবে যে বা যারা হত্যা করেছে আমি তাদের কঠোর শাস্তি চাই। একই সঙ্গে অপরাধীদের ফাঁসির দাবি জানান নিহত তিশার বাবা মিলন শেখ।

এ ব্যাপারে রাজৈর থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) হরিদাস রায় জানান, ‘ঘটনাটি তদন্ত চলছে। হত্যা না আত্মহত্যা এখনো বলা যাচ্ছে না। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট হাতে পাওয়ার পর মৃত্যুর আসল কারণ জানা যাবে।’