ময়মনসিংহ , শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬, ৫ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
পূর্বধলায় উপজেলা পুষ্টি সমন্বয় কমিটির সভা অনুষ্ঠিত সড়ক দুর্ঘটনারোধে ক্ষুদে বিজ্ঞানীদের আবিষ্কার! ঘুমন্ত চালককে এবার জাগাবে চশমা, নয়তো ঘুরবে না গাড়ির চাকা!! আইনজীবী সনদ হারালেন আলোচিত মাসদার হোসেন স্কুল ছুটি, টয়লেটে আটকা তৃতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী মেহেরপুর প্রধানমন্ত্রী আজ স্বাধীনতা পদক প্রদান করবেন আসল রাজনীতিটা বুঝতে শিখলাম পরে বলেছেন প্রিয়াঙ্কা চোপড়া রাজধানীতে আজ বজ্রসহ বৃষ্টির সম্ভাবনা কুষ্টিয়ায় পীর হত্যা: ‘জামায়াতের কোনো নেতাকর্মী জড়িত নয়’—দলীয় নেতাদের দাবি ইসরায়েলে হিজবুল্লাহর বড় হামলা: ২৪ ঘণ্টায় ৩৬টি ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ ইরানের ওপর চাপ বাড়াতে মধ্যপ্রাচ্যে আরও কয়েক হাজার মার্কিন সেনা মোতায়েন
নোটিশ :
প্রতিটি জেলা- উপজেলায় একজন করে ভিডিও প্রতিনিধি আবশ্যক। যোগাযোগঃ- Email- matiomanuss@gmail.com. Mobile No- 017-11684104, 013-03300539.

ঈদের আগেই ফ্যামিলি কার্ড চালু হচ্ছে পরীক্ষামূলকভাবে

  • স্টাফ রিপোর্টার
  • আপডেট সময় ০২:৫১:১৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • ১৩৭ বার পড়া হয়েছে

নতুন সরকার পবিত্র ঈদুল ফিতরকে সামনে রেখে জনসাধারণের কষ্ট লাঘবে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে রমজান মাসেই ‘ফ্যামিলি কার্ড’ প্রকল্প চালু করতে যাচ্ছে।

১৯ ফেব্রুয়ারি (বৃহস্পতিবার ) সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এক গুরুত্বপূর্ণ আন্তঃমন্ত্রণালয় বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। বৈঠক শেষে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তনমন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টু সাংবাদিকদের জানান, প্রধানমন্ত্রী নিজেই চান অন্তত পাইলট প্রজেক্ট বা পরীক্ষামূলক প্রকল্প হিসেবে আসন্ন ঈদের আগেই এই কার্যক্রম শুরু করতে। নির্বাচনের আগে দেওয়া ইশতেহার অনুযায়ী সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার মান উন্নয়ন ও নিত্যপণ্যের সরবরাহ নিশ্চিত করতেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

ফ্যামিলি কার্ডের আওতা ও সুবিধাভোগীদের সংখ্যা নিয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, এই কার্ড মূলত সার্বজনীন করার লক্ষ্য রয়েছে এবং এতে প্রাথমিক কোনো কঠোর বিধিনিষেধ থাকবে না। তবে একটি উচ্চপর্যায়ের কমিটি গঠন করা হয়েছে যারা পর্যায়ক্রমে হতদরিদ্র, দরিদ্র এবং মধ্যবিত্ত পরিবারগুলোকে এই সুবিধার আওতায় নিয়ে আসবে।

মন্ত্রী স্পষ্ট করেন যে, কার্ড চালুর বিষয়ে কোনো অনিশ্চয়তা নেই এবং সরকার সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে কাজ করছে। কীভাবে কার্ডগুলো বিতরণ করা হবে এবং কোন প্রক্রিয়ায় পণ্য সরবরাহ নিশ্চিত করা হবে, তা নিয়ে এখন কারিগরি কাজ চলছে। পাইলট প্রকল্পের অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে পরবর্তীতে দেশব্যাপী বড় পরিসরে এই কার্যক্রম সম্প্রসারণ করা হবে।

রমজানের শুরুতেই বাজারে পেঁয়াজসহ অন্যান্য নিত্যপণ্যের দাম চড়া হওয়ার যে খবর পাওয়া গেছে, তা নিরসনেও এই ফ্যামিলি কার্ড বিশেষ ভূমিকা রাখবে বলে সরকার মনে করছে। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় এবং সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়গুলো এই কার্ডের মাধ্যমে ন্যায্যমূল্যের পণ্যের সরবরাহ বাড়াতে কাজ করছে।

সরকার আশা করছে, ঈদের আগেই পাইলট প্রকল্পের সুবিধাভোগীরা তাঁদের কাঙ্ক্ষিত কার্ড হাতে পাবেন এবং সুলভ মূল্যে পণ্য ক্রয়ের সুবিধা গ্রহণ করতে পারবেন। আজকের বৈঠকের মধ্য দিয়ে দেশের অর্থনৈতিক ও সামাজিক সুরক্ষা বেষ্টনী শক্তিশালী করার নতুন এক যাত্রা শুরু হলো।

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

পূর্বধলায় উপজেলা পুষ্টি সমন্বয় কমিটির সভা অনুষ্ঠিত

ঈদের আগেই ফ্যামিলি কার্ড চালু হচ্ছে পরীক্ষামূলকভাবে

আপডেট সময় ০২:৫১:১৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

নতুন সরকার পবিত্র ঈদুল ফিতরকে সামনে রেখে জনসাধারণের কষ্ট লাঘবে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে রমজান মাসেই ‘ফ্যামিলি কার্ড’ প্রকল্প চালু করতে যাচ্ছে।

১৯ ফেব্রুয়ারি (বৃহস্পতিবার ) সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এক গুরুত্বপূর্ণ আন্তঃমন্ত্রণালয় বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। বৈঠক শেষে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তনমন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টু সাংবাদিকদের জানান, প্রধানমন্ত্রী নিজেই চান অন্তত পাইলট প্রজেক্ট বা পরীক্ষামূলক প্রকল্প হিসেবে আসন্ন ঈদের আগেই এই কার্যক্রম শুরু করতে। নির্বাচনের আগে দেওয়া ইশতেহার অনুযায়ী সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার মান উন্নয়ন ও নিত্যপণ্যের সরবরাহ নিশ্চিত করতেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

ফ্যামিলি কার্ডের আওতা ও সুবিধাভোগীদের সংখ্যা নিয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, এই কার্ড মূলত সার্বজনীন করার লক্ষ্য রয়েছে এবং এতে প্রাথমিক কোনো কঠোর বিধিনিষেধ থাকবে না। তবে একটি উচ্চপর্যায়ের কমিটি গঠন করা হয়েছে যারা পর্যায়ক্রমে হতদরিদ্র, দরিদ্র এবং মধ্যবিত্ত পরিবারগুলোকে এই সুবিধার আওতায় নিয়ে আসবে।

মন্ত্রী স্পষ্ট করেন যে, কার্ড চালুর বিষয়ে কোনো অনিশ্চয়তা নেই এবং সরকার সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে কাজ করছে। কীভাবে কার্ডগুলো বিতরণ করা হবে এবং কোন প্রক্রিয়ায় পণ্য সরবরাহ নিশ্চিত করা হবে, তা নিয়ে এখন কারিগরি কাজ চলছে। পাইলট প্রকল্পের অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে পরবর্তীতে দেশব্যাপী বড় পরিসরে এই কার্যক্রম সম্প্রসারণ করা হবে।

রমজানের শুরুতেই বাজারে পেঁয়াজসহ অন্যান্য নিত্যপণ্যের দাম চড়া হওয়ার যে খবর পাওয়া গেছে, তা নিরসনেও এই ফ্যামিলি কার্ড বিশেষ ভূমিকা রাখবে বলে সরকার মনে করছে। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় এবং সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়গুলো এই কার্ডের মাধ্যমে ন্যায্যমূল্যের পণ্যের সরবরাহ বাড়াতে কাজ করছে।

সরকার আশা করছে, ঈদের আগেই পাইলট প্রকল্পের সুবিধাভোগীরা তাঁদের কাঙ্ক্ষিত কার্ড হাতে পাবেন এবং সুলভ মূল্যে পণ্য ক্রয়ের সুবিধা গ্রহণ করতে পারবেন। আজকের বৈঠকের মধ্য দিয়ে দেশের অর্থনৈতিক ও সামাজিক সুরক্ষা বেষ্টনী শক্তিশালী করার নতুন এক যাত্রা শুরু হলো।