ময়মনসিংহ , শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬, ২৫ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
স্বামী-স্ত্রীকে দূরে বদলি আমলাতান্ত্রিক খামখেয়ালিপনা বলে মন্তব্য করেছেন রিজভী ফ্যাসিবাদ আমলে নিপীড়িত শিক্ষকদের মূল্যায়নের চিন্তা করছে সরকার জানিয়েছেন মাহদী আমিন ত্রিশাল থানার এস আই নাহিদের বিরুদ্ধে ২০ লাখ টাকা চাঁদাবাজির মামলা পূর্বধলায় ড্রেজারে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনে শ্যালো মেশিন জব্দ সড়কে চাঁদাবাজি নিয়ন্ত্রণে কাজ করবে নতুন কমিটি বলে মন্তব্য করেছেন রিজভী পানির ন্যায্য হিস্যা নিয়ে ভারতকে ছাড় দেওয়া হবে না জানিয়েছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী টুঙ্গিপাড়ায় মা ইলিশ রক্ষায় ৩০০ জেলে পরিবারকে ভিজিএফের চাল বিতরণ নেত্রকোণার নতুন সিভিল সার্জন ডা. মোহাম্মদ ছাইফুল ইসলাম খান ফুলবাড়ীতে নগদ অ্যাকাউন্ট খুলে দেওয়ার লোভ দেখিয়ে প্রতারণা, আটক ৪ গোপালগঞ্জ পাসপোর্ট অফিসে অনিয়ম ও হয়রানির অভিযোগ
নোটিশ :
প্রতিটি জেলা- উপজেলায় একজন করে ভিডিও প্রতিনিধি আবশ্যক। যোগাযোগঃ- Email- matiomanuss@gmail.com. Mobile No- 017-11684104, 013-03300539.

পূর্বধলায় মাদকের ছোবলে নষ্ট হচ্ছে পুরো সমাজ

 নেত্রকোনার পূর্বধলা উপজেলায় মাদক পরিস্থিতি দিন দিন ভয়াবহ রূপ নিচ্ছে যদিও পুলিশি অভিযান অব্যাহত রয়েছে । পাড়া-মহল্লা থেকে শুরু করে প্রত্যন্ত গ্রামাঞ্চল পর্যন্ত বিস্তৃত হয়েছে মাদকের নেটওয়ার্ক। এমন অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে যে, উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় হাত বাড়ালেই মিলছে মরণঘাতী মাদক। আর এই নেশার অর্থ জোগাড় করতে গিয়ে আশঙ্কাজনক হারে বেড়েছে চুরির ঘটনা, ফলে জনজীবনে সৃষ্টি হয়েছে উদ্বেগ ও নিরাপত্তাহীনতা।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মাদক এখন আর কোনো নির্দিষ্ট বয়স বা শ্রেণির মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই। স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থী থেকে শুরু করে বিভিন্ন পেশার মানুষও এতে জড়িয়ে পড়ছেন। পাড়া-মহল্লায় গড়ে ওঠা সংঘবদ্ধ সিন্ডিকেটের মাধ্যমে অপ্রাপ্তবয়স্কদের হাতেও সহজেই পৌঁছে যাচ্ছে নেশাজাত দ্রব্য, যা ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে মারাত্মক ঝুঁকির মুখে ঠেলে দিচ্ছে। মাদকের টাকার যোগান দিতে নেশাগ্রস্তদের একটি অংশ চুরির পথ বেছে নিচ্ছে। সূত্রে জানা যায় মেঘশিমূল বিশ্বাস পাড়া’য় হামিদ ফকির, পিতা মৃত আব্দুল খালেক ফকির দীর্ঘদিন যাবৎ গাঁজা’র ব্যবসা চালিয়ে আসছেন (এলাকায় তিনি গাঁজার ভেন্ডার নামে পরিচিত) তার নেতৃত্বে আশেপাশের এলাকাগুলোতে গড়ে ওঠেছে মাদকের শক্ত সিন্ডিকেট। মাদকদ্রব্য একাধিক মামলার এ আসামী বেশ ক’বার পুলিশের হাতে পাকরাও হলেও আইনের পাক ফোকর গলিয়ে জেল বেরিয়ে আবার শুরু করেন

গাঁজার ব্যবসা। এলাকাবাসীর অভিযোগ কঠোর হস্তে প্রশাসন মাদকের বিরুদ্ধে এখনই পদক্ষেপ না নিলে নষ্ট হয়ে যেতে পারে এ এলাকার যুব সমাজ।
পূর্বধলা থানার (ওসি) মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ আল মামুন জানান, তিনি সদ্য যোগদান করেছেন এবং মাদকের বিরুদ্ধে পুলিশের ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি অব্যাহত রয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

স্বামী-স্ত্রীকে দূরে বদলি আমলাতান্ত্রিক খামখেয়ালিপনা বলে মন্তব্য করেছেন রিজভী

পূর্বধলায় মাদকের ছোবলে নষ্ট হচ্ছে পুরো সমাজ

আপডেট সময় ০২:০২:২৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৬ মে ২০২৬

 নেত্রকোনার পূর্বধলা উপজেলায় মাদক পরিস্থিতি দিন দিন ভয়াবহ রূপ নিচ্ছে যদিও পুলিশি অভিযান অব্যাহত রয়েছে । পাড়া-মহল্লা থেকে শুরু করে প্রত্যন্ত গ্রামাঞ্চল পর্যন্ত বিস্তৃত হয়েছে মাদকের নেটওয়ার্ক। এমন অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে যে, উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় হাত বাড়ালেই মিলছে মরণঘাতী মাদক। আর এই নেশার অর্থ জোগাড় করতে গিয়ে আশঙ্কাজনক হারে বেড়েছে চুরির ঘটনা, ফলে জনজীবনে সৃষ্টি হয়েছে উদ্বেগ ও নিরাপত্তাহীনতা।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মাদক এখন আর কোনো নির্দিষ্ট বয়স বা শ্রেণির মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই। স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থী থেকে শুরু করে বিভিন্ন পেশার মানুষও এতে জড়িয়ে পড়ছেন। পাড়া-মহল্লায় গড়ে ওঠা সংঘবদ্ধ সিন্ডিকেটের মাধ্যমে অপ্রাপ্তবয়স্কদের হাতেও সহজেই পৌঁছে যাচ্ছে নেশাজাত দ্রব্য, যা ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে মারাত্মক ঝুঁকির মুখে ঠেলে দিচ্ছে। মাদকের টাকার যোগান দিতে নেশাগ্রস্তদের একটি অংশ চুরির পথ বেছে নিচ্ছে। সূত্রে জানা যায় মেঘশিমূল বিশ্বাস পাড়া’য় হামিদ ফকির, পিতা মৃত আব্দুল খালেক ফকির দীর্ঘদিন যাবৎ গাঁজা’র ব্যবসা চালিয়ে আসছেন (এলাকায় তিনি গাঁজার ভেন্ডার নামে পরিচিত) তার নেতৃত্বে আশেপাশের এলাকাগুলোতে গড়ে ওঠেছে মাদকের শক্ত সিন্ডিকেট। মাদকদ্রব্য একাধিক মামলার এ আসামী বেশ ক’বার পুলিশের হাতে পাকরাও হলেও আইনের পাক ফোকর গলিয়ে জেল বেরিয়ে আবার শুরু করেন

গাঁজার ব্যবসা। এলাকাবাসীর অভিযোগ কঠোর হস্তে প্রশাসন মাদকের বিরুদ্ধে এখনই পদক্ষেপ না নিলে নষ্ট হয়ে যেতে পারে এ এলাকার যুব সমাজ।
পূর্বধলা থানার (ওসি) মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ আল মামুন জানান, তিনি সদ্য যোগদান করেছেন এবং মাদকের বিরুদ্ধে পুলিশের ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি অব্যাহত রয়েছে।