ময়মনসিংহ , বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন ২০২৬, ১১ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
দেশে বর্তমানে ৮২ লাখ মানুষ মাদকাসক্ত জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী স্বল্পোন্নত দেশগুলোর টেকসই উন্নয়নের জন্য বিশ্বনেতাদের প্রতি বাংলাদেশের আহ্বান নদী ব্যবস্থাপনায় নতুন অধ্যায়: তিস্তা নিয়ে চীন-বাংলাদেশের সমঝোতা ​ঢাকা-তেহরান সরাসরি ফ্লাইটের প্রস্তাব দিল ইরান, বাড়ছে কূটনৈতিক সম্ভাবনা পুকুরে ডুবে ভাই-বোনের মৃত্যু গাইবান্ধায় মদনে কৃষি, পুষ্টি ও উদ্যোক্তা উন্নয়নে ‘পার্টনার কংগ্রেস’ অনুষ্ঠিত সাড়ে ৪ বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ পর্যায়ে দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বিনিয়োগ টানতে চীনে নতুন কার্যালয় খুলছে বাংলাদেশ: প্রধানমন্ত্রীর ঘোষণা গণভবনে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে চীনের কমিউনিস্ট পার্টির মন্ত্রীর বৈঠক সম্পর্ক জোরদারের পথে বিএনপি ও চীনা কমিউনিস্ট পার্টি, স্বাক্ষরিত সমঝোতা স্মারক
নোটিশ :
প্রতিটি জেলা- উপজেলায় একজন করে ভিডিও প্রতিনিধি আবশ্যক। যোগাযোগঃ- Email- matiomanuss@gmail.com. Mobile No- 017-11684104, 013-03300539.

পূর্বধলায় মাদকের ছোবলে নষ্ট হচ্ছে পুরো সমাজ

 নেত্রকোনার পূর্বধলা উপজেলায় মাদক পরিস্থিতি দিন দিন ভয়াবহ রূপ নিচ্ছে যদিও পুলিশি অভিযান অব্যাহত রয়েছে । পাড়া-মহল্লা থেকে শুরু করে প্রত্যন্ত গ্রামাঞ্চল পর্যন্ত বিস্তৃত হয়েছে মাদকের নেটওয়ার্ক। এমন অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে যে, উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় হাত বাড়ালেই মিলছে মরণঘাতী মাদক। আর এই নেশার অর্থ জোগাড় করতে গিয়ে আশঙ্কাজনক হারে বেড়েছে চুরির ঘটনা, ফলে জনজীবনে সৃষ্টি হয়েছে উদ্বেগ ও নিরাপত্তাহীনতা।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মাদক এখন আর কোনো নির্দিষ্ট বয়স বা শ্রেণির মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই। স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থী থেকে শুরু করে বিভিন্ন পেশার মানুষও এতে জড়িয়ে পড়ছেন। পাড়া-মহল্লায় গড়ে ওঠা সংঘবদ্ধ সিন্ডিকেটের মাধ্যমে অপ্রাপ্তবয়স্কদের হাতেও সহজেই পৌঁছে যাচ্ছে নেশাজাত দ্রব্য, যা ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে মারাত্মক ঝুঁকির মুখে ঠেলে দিচ্ছে। মাদকের টাকার যোগান দিতে নেশাগ্রস্তদের একটি অংশ চুরির পথ বেছে নিচ্ছে। সূত্রে জানা যায় মেঘশিমূল বিশ্বাস পাড়া’য় হামিদ ফকির, পিতা মৃত আব্দুল খালেক ফকির দীর্ঘদিন যাবৎ গাঁজা’র ব্যবসা চালিয়ে আসছেন (এলাকায় তিনি গাঁজার ভেন্ডার নামে পরিচিত) তার নেতৃত্বে আশেপাশের এলাকাগুলোতে গড়ে ওঠেছে মাদকের শক্ত সিন্ডিকেট। মাদকদ্রব্য একাধিক মামলার এ আসামী বেশ ক’বার পুলিশের হাতে পাকরাও হলেও আইনের পাক ফোকর গলিয়ে জেল বেরিয়ে আবার শুরু করেন

গাঁজার ব্যবসা। এলাকাবাসীর অভিযোগ কঠোর হস্তে প্রশাসন মাদকের বিরুদ্ধে এখনই পদক্ষেপ না নিলে নষ্ট হয়ে যেতে পারে এ এলাকার যুব সমাজ।
পূর্বধলা থানার (ওসি) মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ আল মামুন জানান, তিনি সদ্য যোগদান করেছেন এবং মাদকের বিরুদ্ধে পুলিশের ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি অব্যাহত রয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

দেশে বর্তমানে ৮২ লাখ মানুষ মাদকাসক্ত জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

পূর্বধলায় মাদকের ছোবলে নষ্ট হচ্ছে পুরো সমাজ

আপডেট সময় ০২:০২:২৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৬ মে ২০২৬

 নেত্রকোনার পূর্বধলা উপজেলায় মাদক পরিস্থিতি দিন দিন ভয়াবহ রূপ নিচ্ছে যদিও পুলিশি অভিযান অব্যাহত রয়েছে । পাড়া-মহল্লা থেকে শুরু করে প্রত্যন্ত গ্রামাঞ্চল পর্যন্ত বিস্তৃত হয়েছে মাদকের নেটওয়ার্ক। এমন অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে যে, উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় হাত বাড়ালেই মিলছে মরণঘাতী মাদক। আর এই নেশার অর্থ জোগাড় করতে গিয়ে আশঙ্কাজনক হারে বেড়েছে চুরির ঘটনা, ফলে জনজীবনে সৃষ্টি হয়েছে উদ্বেগ ও নিরাপত্তাহীনতা।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মাদক এখন আর কোনো নির্দিষ্ট বয়স বা শ্রেণির মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই। স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থী থেকে শুরু করে বিভিন্ন পেশার মানুষও এতে জড়িয়ে পড়ছেন। পাড়া-মহল্লায় গড়ে ওঠা সংঘবদ্ধ সিন্ডিকেটের মাধ্যমে অপ্রাপ্তবয়স্কদের হাতেও সহজেই পৌঁছে যাচ্ছে নেশাজাত দ্রব্য, যা ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে মারাত্মক ঝুঁকির মুখে ঠেলে দিচ্ছে। মাদকের টাকার যোগান দিতে নেশাগ্রস্তদের একটি অংশ চুরির পথ বেছে নিচ্ছে। সূত্রে জানা যায় মেঘশিমূল বিশ্বাস পাড়া’য় হামিদ ফকির, পিতা মৃত আব্দুল খালেক ফকির দীর্ঘদিন যাবৎ গাঁজা’র ব্যবসা চালিয়ে আসছেন (এলাকায় তিনি গাঁজার ভেন্ডার নামে পরিচিত) তার নেতৃত্বে আশেপাশের এলাকাগুলোতে গড়ে ওঠেছে মাদকের শক্ত সিন্ডিকেট। মাদকদ্রব্য একাধিক মামলার এ আসামী বেশ ক’বার পুলিশের হাতে পাকরাও হলেও আইনের পাক ফোকর গলিয়ে জেল বেরিয়ে আবার শুরু করেন

গাঁজার ব্যবসা। এলাকাবাসীর অভিযোগ কঠোর হস্তে প্রশাসন মাদকের বিরুদ্ধে এখনই পদক্ষেপ না নিলে নষ্ট হয়ে যেতে পারে এ এলাকার যুব সমাজ।
পূর্বধলা থানার (ওসি) মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ আল মামুন জানান, তিনি সদ্য যোগদান করেছেন এবং মাদকের বিরুদ্ধে পুলিশের ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি অব্যাহত রয়েছে।