ময়মনসিংহ , বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
সরকার বিদেশি শক্তির কাছে মাথা নত করবে না বলে মন্তব্য করেছেন রাশেদ খাঁন ব্রিকস সম্মেলনে না গিয়ে তারেক রহমান দেশকে সম্মানিত করেছেন বললেন রিজভী ফরিদপুর থানা পুলিশের অভিযানে শিশু হত্যার মূল আসামী গ্রেফতার এবং ছিনতাই হওয়া ব্যাটারী চালিত অটোভ্যান উদ্ধার ​সাইবার সুরক্ষা আইনের সংশোধনী নিয়ে জামায়াতের আপত্তি, কিন্তু সাইবার অপরাধ রুখতে আইনের পক্ষে তথ্যমন্ত্রী ​এশিয়ান গেমসে যোগ দিতে চার দিনের সরকারি সফরে জাপান গেলেন সেনাপ্রধান রাজধানীসহ ২৫ জেলায় তীব্র তাপপ্রবাহ, সাথেই ভারী বর্ষণের প্রবল পূর্বাভাস ইউ গেট আউট ফ্রম দিস রুম’: সিভিল সার্জনকে রেগে ঘর থেকে বের করে দিলেন আইনমন্ত্রী কারাগারে জন্ম ও বেড়ে ওঠা: ৭ বছর পর অবরুদ্ধ জীবন থেকে মুক্ত মোবাশ্বেরা ‘১১ হাজার কোটি’ ফিরিয়ে এনে গ্যাস-বিদ্যুৎ সংকট সমাধানের দাবি: আসিফ দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সোলার প্যানেল বসানো হবে জানিয়েছেন শিক্ষা সচিব
নোটিশ :
প্রতিটি জেলা- উপজেলায় একজন করে ভিডিও প্রতিনিধি আবশ্যক। যোগাযোগঃ- Email- matiomanuss@gmail.com. Mobile No- 017-11684104, 013-03300539.

ময়মনসিংহে মন্দিরের নাম ভাঙ্গিয়ে দখল ও চাঁদাবাজির অভিযোগ

গত ১২ই মে মঙ্গলবার সকালে ময়মনসিংহের কেওয়াটখালীর বলাশপুর আবাসনের মহামায়া কালীমাতা মন্দিরের নাম ভাঙ্গিয়ে অনিয়ম, দখল ও চাঁদাবাজি অভিযোগের বিষয়ে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য ময়মনসিংহ জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপারের বরাবর আবেদন জানিয়েছে মন্দির কমিটির নেতৃবৃন্দ ।
এসময় সার্বজনীন মহামায়া কালীমাতা শিব মন্দিরের সভাপতি উত্তম দে, সাধারণ সম্পাদক অজয় সরকার সহ অনেকেই উপস্থিত ছিলেন ।

লিখিত বক্তব্যে জানানো হয় কেওয়াটখালী শ্মশান সংলগ্ন নদীর চর, ১৯ নং ওয়ার্ড এলাকার স্থায়ী বাসিন্দা । আমাদের এলাকায় অবস্থিত “মহামায়া ভূমিহীন সমবায় সমিতি আবাসন (রেজি নং-৯, পূর্ব-১)” ২০১৫ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় এবং এর অন্তর্গত সার্বজনীন মহামায়া কালীমাতা মন্দির স্থাপিত হয়। দুঃখের বিষয়, মন্দির প্রতিষ্ঠার পর থেকেই শ্রী বাদল সরকার, তার পুত্র শ্রী ঝোটন সরকার মন্দিরের নাম ভাঙ্গিয়ে বিভিন্ন অনিয়ম, দখলদারিত্ব ও অবৈধ কর্মকাণ্ড চালিয়ে যাচ্ছে।

বিশেষ করে- ১. মন্দিরের জায়গা দখল করে ঘর নির্মাণ ও রাস্তা বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে, ফলে ধর্মীয় পরিবেশ নষ্ট হচ্ছে। ২. মন্দিরের সাবমার্সিবল মোটর ব্যবহার করে এলাকার বাসিন্দাদের নিকট থেকে মাসিক ১৫০-২০০ টাকা করে আদায় করা হচ্ছে। ৩. মন্দির কমিটি থাকা সত্ত্বেও তারা এককভাবে মন্দির নিয়ন্ত্রণ করছে এবং কমিটিকে উপেক্ষা করছে। ৪. মন্দিরের নামে বরাদ্দকৃত বিদ্যুৎ সংযোগ তিনটি পরিবার নিজ নিজ ঘরে ব্যবহার করছে ।

৫. সংশ্লিষ্ট পরিবারের সদস্যদের বিরুদ্ধে চর জমি বিক্রির অভিযোগ রয়েছে । ৬. এলাকাবাসী প্রতিবাদ করলে ভয়ভীতি প্রদর্শন, হুমকি ও ভাঙচুরের মতো ঘটনা ঘটানো হয়েছে। এছাড়াও, উক্ত বিষয়ে ইতিপূর্বে বিদ্যুৎ বিভাগের নিকট লিখিত অভিযোগ প্রদান করা হলেও কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়নি। ফলে এলাকাবাসীর মধ্যে চরম আতঙ্ক ও অসন্তোষ বিরাজ করছে এমত অবস্থায় উল্লিখিত বিষয়সমূহ তদন্তপূর্বক দোষীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করে মন্দিরের সম্পত্তি অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ ও পরিবেশ রক্ষা এবং এলাকাবাসীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য আপনার সদয় হস্তক্ষেপ কামনা করছি ।

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সরকার বিদেশি শক্তির কাছে মাথা নত করবে না বলে মন্তব্য করেছেন রাশেদ খাঁন

ময়মনসিংহে মন্দিরের নাম ভাঙ্গিয়ে দখল ও চাঁদাবাজির অভিযোগ

আপডেট সময় ১০:০৮:১৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৩ মে ২০২৬

গত ১২ই মে মঙ্গলবার সকালে ময়মনসিংহের কেওয়াটখালীর বলাশপুর আবাসনের মহামায়া কালীমাতা মন্দিরের নাম ভাঙ্গিয়ে অনিয়ম, দখল ও চাঁদাবাজি অভিযোগের বিষয়ে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য ময়মনসিংহ জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপারের বরাবর আবেদন জানিয়েছে মন্দির কমিটির নেতৃবৃন্দ ।
এসময় সার্বজনীন মহামায়া কালীমাতা শিব মন্দিরের সভাপতি উত্তম দে, সাধারণ সম্পাদক অজয় সরকার সহ অনেকেই উপস্থিত ছিলেন ।

লিখিত বক্তব্যে জানানো হয় কেওয়াটখালী শ্মশান সংলগ্ন নদীর চর, ১৯ নং ওয়ার্ড এলাকার স্থায়ী বাসিন্দা । আমাদের এলাকায় অবস্থিত “মহামায়া ভূমিহীন সমবায় সমিতি আবাসন (রেজি নং-৯, পূর্ব-১)” ২০১৫ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় এবং এর অন্তর্গত সার্বজনীন মহামায়া কালীমাতা মন্দির স্থাপিত হয়। দুঃখের বিষয়, মন্দির প্রতিষ্ঠার পর থেকেই শ্রী বাদল সরকার, তার পুত্র শ্রী ঝোটন সরকার মন্দিরের নাম ভাঙ্গিয়ে বিভিন্ন অনিয়ম, দখলদারিত্ব ও অবৈধ কর্মকাণ্ড চালিয়ে যাচ্ছে।

বিশেষ করে- ১. মন্দিরের জায়গা দখল করে ঘর নির্মাণ ও রাস্তা বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে, ফলে ধর্মীয় পরিবেশ নষ্ট হচ্ছে। ২. মন্দিরের সাবমার্সিবল মোটর ব্যবহার করে এলাকার বাসিন্দাদের নিকট থেকে মাসিক ১৫০-২০০ টাকা করে আদায় করা হচ্ছে। ৩. মন্দির কমিটি থাকা সত্ত্বেও তারা এককভাবে মন্দির নিয়ন্ত্রণ করছে এবং কমিটিকে উপেক্ষা করছে। ৪. মন্দিরের নামে বরাদ্দকৃত বিদ্যুৎ সংযোগ তিনটি পরিবার নিজ নিজ ঘরে ব্যবহার করছে ।

৫. সংশ্লিষ্ট পরিবারের সদস্যদের বিরুদ্ধে চর জমি বিক্রির অভিযোগ রয়েছে । ৬. এলাকাবাসী প্রতিবাদ করলে ভয়ভীতি প্রদর্শন, হুমকি ও ভাঙচুরের মতো ঘটনা ঘটানো হয়েছে। এছাড়াও, উক্ত বিষয়ে ইতিপূর্বে বিদ্যুৎ বিভাগের নিকট লিখিত অভিযোগ প্রদান করা হলেও কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়নি। ফলে এলাকাবাসীর মধ্যে চরম আতঙ্ক ও অসন্তোষ বিরাজ করছে এমত অবস্থায় উল্লিখিত বিষয়সমূহ তদন্তপূর্বক দোষীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করে মন্দিরের সম্পত্তি অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ ও পরিবেশ রক্ষা এবং এলাকাবাসীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য আপনার সদয় হস্তক্ষেপ কামনা করছি ।