ময়মনসিংহ , বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬, ১০ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
​গ্রেপ্তার হলেন নাভানা গ্রুপের ভাইস চেয়ারম্যান সাজেদুল ইসলাম শুভ্র বিশ্বকাপ ট্রফি কার হাতে? চূড়ান্ত লড়াই শেষে ঘোষণা মঞ্চে নবম পে-স্কেল নিয়ে সচিব কমিটির বৈঠক আজ, আসতে পারে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত সিলেটে বেড়েছে মোবাইল ছিনতাই, অন্তরালে মহিলা গ্যাং নারী ছিনতাকারী লাকি ও খাদিজা অসমাপ্ত দায়িত্ব রেখে বিদায় ডিসি সারওয়ারের সিলেটের জেলা প্রশাসক (ডিসি) মোঃ সারওয়ার আলম এক কঠিন ও চাপে ভরা সময় পার নাশকতার মামলা: আওয়ামী লীগ-ছাত্রলীগের ৮৪ কর্মী গ্রেফতার কবি নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ে সিনিয়র-জুনিয়র সংঘর্ষে ৬ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন মেসির প্রসঙ্গ আসতেই বিরক্ত রোনালদো বিদেশি শিক্ষার্থীদের জন্য নতুন ভিসা নীতি চালু করছে যুক্তরাষ্ট্র ​হরমুজ সংকটে বিপন্ন হাজারো নাবিক, উদ্ধারে জাতিসংঘের বিশেষ অভিযান
নোটিশ :
প্রতিটি জেলা- উপজেলায় একজন করে ভিডিও প্রতিনিধি আবশ্যক। যোগাযোগঃ- Email- matiomanuss@gmail.com. Mobile No- 017-11684104, 013-03300539.

ময়মনসিংহে মন্দিরের নাম ভাঙ্গিয়ে দখল ও চাঁদাবাজির অভিযোগ

গত ১২ই মে মঙ্গলবার সকালে ময়মনসিংহের কেওয়াটখালীর বলাশপুর আবাসনের মহামায়া কালীমাতা মন্দিরের নাম ভাঙ্গিয়ে অনিয়ম, দখল ও চাঁদাবাজি অভিযোগের বিষয়ে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য ময়মনসিংহ জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপারের বরাবর আবেদন জানিয়েছে মন্দির কমিটির নেতৃবৃন্দ ।
এসময় সার্বজনীন মহামায়া কালীমাতা শিব মন্দিরের সভাপতি উত্তম দে, সাধারণ সম্পাদক অজয় সরকার সহ অনেকেই উপস্থিত ছিলেন ।

লিখিত বক্তব্যে জানানো হয় কেওয়াটখালী শ্মশান সংলগ্ন নদীর চর, ১৯ নং ওয়ার্ড এলাকার স্থায়ী বাসিন্দা । আমাদের এলাকায় অবস্থিত “মহামায়া ভূমিহীন সমবায় সমিতি আবাসন (রেজি নং-৯, পূর্ব-১)” ২০১৫ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় এবং এর অন্তর্গত সার্বজনীন মহামায়া কালীমাতা মন্দির স্থাপিত হয়। দুঃখের বিষয়, মন্দির প্রতিষ্ঠার পর থেকেই শ্রী বাদল সরকার, তার পুত্র শ্রী ঝোটন সরকার মন্দিরের নাম ভাঙ্গিয়ে বিভিন্ন অনিয়ম, দখলদারিত্ব ও অবৈধ কর্মকাণ্ড চালিয়ে যাচ্ছে।

বিশেষ করে- ১. মন্দিরের জায়গা দখল করে ঘর নির্মাণ ও রাস্তা বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে, ফলে ধর্মীয় পরিবেশ নষ্ট হচ্ছে। ২. মন্দিরের সাবমার্সিবল মোটর ব্যবহার করে এলাকার বাসিন্দাদের নিকট থেকে মাসিক ১৫০-২০০ টাকা করে আদায় করা হচ্ছে। ৩. মন্দির কমিটি থাকা সত্ত্বেও তারা এককভাবে মন্দির নিয়ন্ত্রণ করছে এবং কমিটিকে উপেক্ষা করছে। ৪. মন্দিরের নামে বরাদ্দকৃত বিদ্যুৎ সংযোগ তিনটি পরিবার নিজ নিজ ঘরে ব্যবহার করছে ।

৫. সংশ্লিষ্ট পরিবারের সদস্যদের বিরুদ্ধে চর জমি বিক্রির অভিযোগ রয়েছে । ৬. এলাকাবাসী প্রতিবাদ করলে ভয়ভীতি প্রদর্শন, হুমকি ও ভাঙচুরের মতো ঘটনা ঘটানো হয়েছে। এছাড়াও, উক্ত বিষয়ে ইতিপূর্বে বিদ্যুৎ বিভাগের নিকট লিখিত অভিযোগ প্রদান করা হলেও কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়নি। ফলে এলাকাবাসীর মধ্যে চরম আতঙ্ক ও অসন্তোষ বিরাজ করছে এমত অবস্থায় উল্লিখিত বিষয়সমূহ তদন্তপূর্বক দোষীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করে মন্দিরের সম্পত্তি অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ ও পরিবেশ রক্ষা এবং এলাকাবাসীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য আপনার সদয় হস্তক্ষেপ কামনা করছি ।

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

​গ্রেপ্তার হলেন নাভানা গ্রুপের ভাইস চেয়ারম্যান সাজেদুল ইসলাম শুভ্র

ময়মনসিংহে মন্দিরের নাম ভাঙ্গিয়ে দখল ও চাঁদাবাজির অভিযোগ

আপডেট সময় ১০:০৮:১৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৩ মে ২০২৬

গত ১২ই মে মঙ্গলবার সকালে ময়মনসিংহের কেওয়াটখালীর বলাশপুর আবাসনের মহামায়া কালীমাতা মন্দিরের নাম ভাঙ্গিয়ে অনিয়ম, দখল ও চাঁদাবাজি অভিযোগের বিষয়ে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য ময়মনসিংহ জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপারের বরাবর আবেদন জানিয়েছে মন্দির কমিটির নেতৃবৃন্দ ।
এসময় সার্বজনীন মহামায়া কালীমাতা শিব মন্দিরের সভাপতি উত্তম দে, সাধারণ সম্পাদক অজয় সরকার সহ অনেকেই উপস্থিত ছিলেন ।

লিখিত বক্তব্যে জানানো হয় কেওয়াটখালী শ্মশান সংলগ্ন নদীর চর, ১৯ নং ওয়ার্ড এলাকার স্থায়ী বাসিন্দা । আমাদের এলাকায় অবস্থিত “মহামায়া ভূমিহীন সমবায় সমিতি আবাসন (রেজি নং-৯, পূর্ব-১)” ২০১৫ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় এবং এর অন্তর্গত সার্বজনীন মহামায়া কালীমাতা মন্দির স্থাপিত হয়। দুঃখের বিষয়, মন্দির প্রতিষ্ঠার পর থেকেই শ্রী বাদল সরকার, তার পুত্র শ্রী ঝোটন সরকার মন্দিরের নাম ভাঙ্গিয়ে বিভিন্ন অনিয়ম, দখলদারিত্ব ও অবৈধ কর্মকাণ্ড চালিয়ে যাচ্ছে।

বিশেষ করে- ১. মন্দিরের জায়গা দখল করে ঘর নির্মাণ ও রাস্তা বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে, ফলে ধর্মীয় পরিবেশ নষ্ট হচ্ছে। ২. মন্দিরের সাবমার্সিবল মোটর ব্যবহার করে এলাকার বাসিন্দাদের নিকট থেকে মাসিক ১৫০-২০০ টাকা করে আদায় করা হচ্ছে। ৩. মন্দির কমিটি থাকা সত্ত্বেও তারা এককভাবে মন্দির নিয়ন্ত্রণ করছে এবং কমিটিকে উপেক্ষা করছে। ৪. মন্দিরের নামে বরাদ্দকৃত বিদ্যুৎ সংযোগ তিনটি পরিবার নিজ নিজ ঘরে ব্যবহার করছে ।

৫. সংশ্লিষ্ট পরিবারের সদস্যদের বিরুদ্ধে চর জমি বিক্রির অভিযোগ রয়েছে । ৬. এলাকাবাসী প্রতিবাদ করলে ভয়ভীতি প্রদর্শন, হুমকি ও ভাঙচুরের মতো ঘটনা ঘটানো হয়েছে। এছাড়াও, উক্ত বিষয়ে ইতিপূর্বে বিদ্যুৎ বিভাগের নিকট লিখিত অভিযোগ প্রদান করা হলেও কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়নি। ফলে এলাকাবাসীর মধ্যে চরম আতঙ্ক ও অসন্তোষ বিরাজ করছে এমত অবস্থায় উল্লিখিত বিষয়সমূহ তদন্তপূর্বক দোষীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করে মন্দিরের সম্পত্তি অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ ও পরিবেশ রক্ষা এবং এলাকাবাসীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য আপনার সদয় হস্তক্ষেপ কামনা করছি ।