ময়মনসিংহ , বুধবার, ১৫ এপ্রিল ২০২৬, ২ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
মার্কিন বাধা অতিক্রম করতে না পেরে হরমুজে ফিরলো তেলবাহী জাহাজ বৈশাখী চাঁদার দাবিতে ব্যবসায়ীকে পিটালেন মৎস্যজীবী দল নেতা রেকর্ড ভাঙার পথে স্বর্ণের দাম: দেশের বাজারে আবারও বাড়লো বড়িপ্রতি মূল্য জ্বালানি সাশ্রয়ে কঠোর নির্দেশনা: ভার্চুয়াল প্ল্যাটফর্মে ফিরছে সরকারি সব সভা “এনসিপিতে যোগ দিয়েই মেয়র পদে লড়াইয়ের ঘোষণা মনজুর আলমের” ভিসা ছাড়াই ৩৬ দেশে ভ্রমণের সুযোগ: সুখবর পাচ্ছেন বাংলাদেশিরা! নানক ও তাপসের বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধে অভিযোগ গঠনের শুনানি আজ এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের জন্য দারুণ সুযোগ: নৌবাহিনীতে যোগ দেওয়ার আহ্বান ১৬ বছরের দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান: আজ শুরু হচ্ছে প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষা গৌরীপুর মহিলা কলেজের উদ্যোগে বর্নিল আয়োজনে নববর্ষ উদযাপন 
নোটিশ :
প্রতিটি জেলা- উপজেলায় একজন করে ভিডিও প্রতিনিধি আবশ্যক। যোগাযোগঃ- Email- matiomanuss@gmail.com. Mobile No- 017-11684104, 013-03300539.

মুন্সীগঞ্জ চালককে হত্যার পর অটোরিকশা ছিনতাইয়ের ঘটনা,গ্রেফতার ৫

  • অনলাইন ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০১:০৭:৩৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ৫ নভেম্বর ২০২৫
  • ২৯৫ বার পড়া হয়েছে

মুন্সীগঞ্জে অটোচালক মোহাম্মদ মজিবল মাঝি হত্যার ঘটনায় অটোরিকশা ছিনতাইকারী চক্রের পাঁচজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। এ সময় ছিনতাই হওয়া অটোরিকশা এবং মোবাইল ফোনও জব্দ করা হয়।

আজ বুধবার (৫ নভেম্বর) মুন্সীগঞ্জ সদর থানায় সংবাদ সম্মেলনে ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এম সাইফুল আলম এ তথ্য জানান।তিনি বলেন, ক্লুলেস এই ঘটনায় প্রযুক্তির সহায়তায় নেয়া হয়। এরপর ২৪ ঘণ্টার মধ্যে আসামিদের গ্রেফতার করা হয়।গ্রেফতাররা হলেন: সোহাগ মোল্লা (৪৩), জয় (৩১), ইমরান (৩০), হারুন (৫১) এবং আলী হোসেন (৪০)। তারা পুলিশের কাছের হত্যার ঘটনা স্বীকার করেছেন।

এর আগে গত ৩১ অক্টোবর বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে অটোরিকশা নিয়ে মুন্সীগঞ্জের বণিক্যপাড়ার বাদলের
গ্যারেজ থেকে মোহাম্মদ মজিবল মাঝি বের হন। এরপর থেকে তার কোনো খোঁজ পাওয়া যাচ্ছিল না। পরদিন তার ছেলে রাসেল মুন্সীগঞ্জ সদর থানায় নিখোঁজের জিডি করেন।
পরে ৩ নভেম্বর সকালে মুন্সীগঞ্জ সদর উপজেলার রতনপুর মধ্যপাড়া এলাকায় একটি ডোবায় বিছানার চাদর ও কম্বল পেঁচানো অবস্থায় ভেসে থাকা অজ্ঞাত মরদেহ দেখতে পান স্থানীয় লোকজন। পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহটি উদ্ধার করে। পরে নিহতের স্বজনরা এসে সেটি মজিবল মাঝির মরদেহ বলে শনাক্ত করেন।
পুলিশ জানায়, নিহতের দুই হাত ও দুই পা মোটা প্লাস্টিকের রশি দিয়ে বাঁধা ছিল। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হয়, তাকে অন্যত্র হত্যা করে মরদেহ গুমের উদ্দেশে ডোবায় ফেলে দেয়া হয়। এই ঘটনায় তার ছেলে মুন্সীগঞ্জ সদর থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন।

পরদিন আসামিরা নিহতের অটোরিকশা হারুনের কাছে ৯৫ হাজার টাকায় বিক্রি করেন, পরে হাত বদল হয়ে তা রামসিং আলীর গ্যারেজে এক লাখ এক হাজার টাকায় বিক্রি হয়।

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

মার্কিন বাধা অতিক্রম করতে না পেরে হরমুজে ফিরলো তেলবাহী জাহাজ

মুন্সীগঞ্জ চালককে হত্যার পর অটোরিকশা ছিনতাইয়ের ঘটনা,গ্রেফতার ৫

আপডেট সময় ০১:০৭:৩৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ৫ নভেম্বর ২০২৫

মুন্সীগঞ্জে অটোচালক মোহাম্মদ মজিবল মাঝি হত্যার ঘটনায় অটোরিকশা ছিনতাইকারী চক্রের পাঁচজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। এ সময় ছিনতাই হওয়া অটোরিকশা এবং মোবাইল ফোনও জব্দ করা হয়।

আজ বুধবার (৫ নভেম্বর) মুন্সীগঞ্জ সদর থানায় সংবাদ সম্মেলনে ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এম সাইফুল আলম এ তথ্য জানান।তিনি বলেন, ক্লুলেস এই ঘটনায় প্রযুক্তির সহায়তায় নেয়া হয়। এরপর ২৪ ঘণ্টার মধ্যে আসামিদের গ্রেফতার করা হয়।গ্রেফতাররা হলেন: সোহাগ মোল্লা (৪৩), জয় (৩১), ইমরান (৩০), হারুন (৫১) এবং আলী হোসেন (৪০)। তারা পুলিশের কাছের হত্যার ঘটনা স্বীকার করেছেন।

এর আগে গত ৩১ অক্টোবর বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে অটোরিকশা নিয়ে মুন্সীগঞ্জের বণিক্যপাড়ার বাদলের
গ্যারেজ থেকে মোহাম্মদ মজিবল মাঝি বের হন। এরপর থেকে তার কোনো খোঁজ পাওয়া যাচ্ছিল না। পরদিন তার ছেলে রাসেল মুন্সীগঞ্জ সদর থানায় নিখোঁজের জিডি করেন।
পরে ৩ নভেম্বর সকালে মুন্সীগঞ্জ সদর উপজেলার রতনপুর মধ্যপাড়া এলাকায় একটি ডোবায় বিছানার চাদর ও কম্বল পেঁচানো অবস্থায় ভেসে থাকা অজ্ঞাত মরদেহ দেখতে পান স্থানীয় লোকজন। পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহটি উদ্ধার করে। পরে নিহতের স্বজনরা এসে সেটি মজিবল মাঝির মরদেহ বলে শনাক্ত করেন।
পুলিশ জানায়, নিহতের দুই হাত ও দুই পা মোটা প্লাস্টিকের রশি দিয়ে বাঁধা ছিল। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হয়, তাকে অন্যত্র হত্যা করে মরদেহ গুমের উদ্দেশে ডোবায় ফেলে দেয়া হয়। এই ঘটনায় তার ছেলে মুন্সীগঞ্জ সদর থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন।

পরদিন আসামিরা নিহতের অটোরিকশা হারুনের কাছে ৯৫ হাজার টাকায় বিক্রি করেন, পরে হাত বদল হয়ে তা রামসিং আলীর গ্যারেজে এক লাখ এক হাজার টাকায় বিক্রি হয়।