ময়মনসিংহ , শুক্রবার, ০১ মে ২০২৬, ১৮ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
আমরা ধর্মকে রাজনৈতিক স্বার্থে ব্যবহার করতে চাই না জানিয়েছেন তারেক রহমান ​হু হু করে বাড়ছে নদ-নদীর পানি: বন্যার আশঙ্কায় ৪ জেলা পূর্বধলায় আইনশৃঙ্খলা সভায় নবাগত ওসির ঘোষণা: মাদক ও অপরাধ দমনে ‘জিরো টলারেন্স’ গৌরীপুরে ‘মিথ্যা মামলা’ প্রত্যাহারের দাবিতে বিক্ষোভ, এলাকাবাসীর নিন্দা চট্টগ্রামে নবনির্মিত নেভি মেডিকেল কলেজের উদ্বোধন বিশ্ববাজারে হু হু করে বাড়ছে জ্বালানি তেলের দাম আবারও গাজা অভিমুখী গ্লোবাল সুমুদ ফ্লোটিলায় ইসরায়েলের হামলা পেনাল্টি ভাগ্যে সমতা: আর্সেনাল বনাম অ্যাতলেটিকো দ্বৈরথের ফয়সালা দ্বিতীয় লেগে কামরুল-মেননের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের আদেশ আজ ট্রাম্পের দাবি: ইরানের পরমাণু সংকট সমাধানে ওয়াশিংটনকে সাহায্য করতে আগ্রহী পুতিন
নোটিশ :
প্রতিটি জেলা- উপজেলায় একজন করে ভিডিও প্রতিনিধি আবশ্যক। যোগাযোগঃ- Email- matiomanuss@gmail.com. Mobile No- 017-11684104, 013-03300539.

যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন: ইসরায়েলে হিজবুল্লাহর মুহুর্মুহু ক্ষেপণাস্ত্র হামলা

  • ডিজিটাল ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৯:৩৩:৫৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল ২০২৬
  • ৩৬ বার পড়া হয়েছে

লেবাননের ওপর ইসরায়েলি বাহিনীর সাম্প্রতিক হামলার প্রতিবাদে বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) ভোরে উত্তর ইসরায়েল লক্ষ্য করে একের পর এক ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে সশস্ত্র গোষ্ঠী হিজবুল্লাহ। 

এক বিবৃতিতে গোষ্ঠীটি জানিয়েছে, ইসরায়েল কর্তৃক যুদ্ধবিরতি চুক্তি লঙ্ঘনের জেরে তারা মানারা বসতি লক্ষ্য করে এই হামলা চালিয়েছে।

ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যম ইয়েদিওথ আহরোনথ জানিয়েছে, দীর্ঘ নয় ঘণ্টা শান্ত থাকার পর লেবানন থেকে উত্তর ইসরায়েলে ক্ষেপণাস্ত্রটি ছোড়া হয়। তবে আপার গ্যালিলির আকাশে ক্ষেপণাস্ত্রটি প্রতিহত করতে সক্ষম হয়েছে ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা।

তবে যুদ্ধবিরতি চুক্তির ঘোষণা সত্ত্বেও বুধবার লেবানন জুড়ে ব্যাপক বিমান হামলা চালিয়েছে ইসরায়েলি সেনাবাহিনী। লেবানিজ সিভিল ডিফেন্সের তথ্য অনুযায়ী, ইসরায়েলের এই বিশাল ঢেউয়ের মতো চালানো হামলায় অন্তত ২৫৪ জন নিহত এবং ১ হাজার ১৬৫ জন আহত হয়েছেন।

এই রক্তক্ষয়ী সংঘাতের পর হিজবুল্লাহর পক্ষ থেকে রকেট হামলার ঘোষণা মূলত ইসরায়েলি একতরফা সামরিক অভিযানের পাল্টা জবাব হিসেবে দেখা হচ্ছে। ইরান ও পাকিস্তানের কর্মকর্তারা দাবি করেছেন যে এই যুদ্ধবিরতি চুক্তির আওতায় লেবাননও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে, কিন্তু ইসরায়েল শুরু থেকেই জোর দিয়ে বলছে যে লেবানন এই চুক্তির কোনো অংশ নয়।

বর্তমান পরিস্থিতিতে মধ্যপ্রাচ্যের এই সংঘাত থামার পরিবর্তে নতুন করে ঘনীভূত হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। হিজবুল্লাহর এই সাহসী অবস্থান এবং ইসরায়েলের অনড় মনোভাবের কারণে শুক্রবারের পরিকল্পিত ইসলামাবাদ আলোচনা কতটা ফলপ্রসূ হবে তা নিয়ে জনমনে সংশয় দেখা দিয়েছে।

একদিকে তেহরান ও ওয়াশিংটনের মধ্যে আলোচনার প্রস্তুতি চলছে, অন্যদিকে লেবানন সীমান্তে পাল্টাপাল্টি রক্তক্ষয়ী হামলা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলছে। বিশ্ব সম্প্রদায় এখন গভীর উদ্বেগের সঙ্গে লক্ষ্য করছে যে, এই সামরিক অস্থিরতা শেষ পর্যন্ত একটি পূর্ণাঙ্গ আঞ্চলিক যুদ্ধের রূপ নেয় নাকি কূটনীতির মাধ্যমে স্থিতিশীলতা ফিরে আসে।

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

আমরা ধর্মকে রাজনৈতিক স্বার্থে ব্যবহার করতে চাই না জানিয়েছেন তারেক রহমান

যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন: ইসরায়েলে হিজবুল্লাহর মুহুর্মুহু ক্ষেপণাস্ত্র হামলা

আপডেট সময় ০৯:৩৩:৫৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল ২০২৬

লেবাননের ওপর ইসরায়েলি বাহিনীর সাম্প্রতিক হামলার প্রতিবাদে বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) ভোরে উত্তর ইসরায়েল লক্ষ্য করে একের পর এক ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে সশস্ত্র গোষ্ঠী হিজবুল্লাহ। 

এক বিবৃতিতে গোষ্ঠীটি জানিয়েছে, ইসরায়েল কর্তৃক যুদ্ধবিরতি চুক্তি লঙ্ঘনের জেরে তারা মানারা বসতি লক্ষ্য করে এই হামলা চালিয়েছে।

ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যম ইয়েদিওথ আহরোনথ জানিয়েছে, দীর্ঘ নয় ঘণ্টা শান্ত থাকার পর লেবানন থেকে উত্তর ইসরায়েলে ক্ষেপণাস্ত্রটি ছোড়া হয়। তবে আপার গ্যালিলির আকাশে ক্ষেপণাস্ত্রটি প্রতিহত করতে সক্ষম হয়েছে ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা।

তবে যুদ্ধবিরতি চুক্তির ঘোষণা সত্ত্বেও বুধবার লেবানন জুড়ে ব্যাপক বিমান হামলা চালিয়েছে ইসরায়েলি সেনাবাহিনী। লেবানিজ সিভিল ডিফেন্সের তথ্য অনুযায়ী, ইসরায়েলের এই বিশাল ঢেউয়ের মতো চালানো হামলায় অন্তত ২৫৪ জন নিহত এবং ১ হাজার ১৬৫ জন আহত হয়েছেন।

এই রক্তক্ষয়ী সংঘাতের পর হিজবুল্লাহর পক্ষ থেকে রকেট হামলার ঘোষণা মূলত ইসরায়েলি একতরফা সামরিক অভিযানের পাল্টা জবাব হিসেবে দেখা হচ্ছে। ইরান ও পাকিস্তানের কর্মকর্তারা দাবি করেছেন যে এই যুদ্ধবিরতি চুক্তির আওতায় লেবাননও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে, কিন্তু ইসরায়েল শুরু থেকেই জোর দিয়ে বলছে যে লেবানন এই চুক্তির কোনো অংশ নয়।

বর্তমান পরিস্থিতিতে মধ্যপ্রাচ্যের এই সংঘাত থামার পরিবর্তে নতুন করে ঘনীভূত হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। হিজবুল্লাহর এই সাহসী অবস্থান এবং ইসরায়েলের অনড় মনোভাবের কারণে শুক্রবারের পরিকল্পিত ইসলামাবাদ আলোচনা কতটা ফলপ্রসূ হবে তা নিয়ে জনমনে সংশয় দেখা দিয়েছে।

একদিকে তেহরান ও ওয়াশিংটনের মধ্যে আলোচনার প্রস্তুতি চলছে, অন্যদিকে লেবানন সীমান্তে পাল্টাপাল্টি রক্তক্ষয়ী হামলা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলছে। বিশ্ব সম্প্রদায় এখন গভীর উদ্বেগের সঙ্গে লক্ষ্য করছে যে, এই সামরিক অস্থিরতা শেষ পর্যন্ত একটি পূর্ণাঙ্গ আঞ্চলিক যুদ্ধের রূপ নেয় নাকি কূটনীতির মাধ্যমে স্থিতিশীলতা ফিরে আসে।