ময়মনসিংহ , মঙ্গলবার, ১২ মে ২০২৬, ২৯ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
এককভাবে স্থানীয় নির্বাচনে অংশ নেওয়ার ঘোষণা জামায়াতে ইসলামীর একদিন এক ইঞ্চি মোটা লাগলে নেটিজেনরা পরের দিন মেরে ফেলবে বললেন নুসরাত ফারিয়া মির্জা আব্বাস আগের চেয়ে সুস্থ আছেন পূর্বধলায় পিতা:মাতাকে মৃত সাজিয়ে ভোটোর জালিয়াতি অভিযোগ   মধ্যস্বত্বভোগী,সিন্ডিকেট ও চাঁদাবাজিতে বাজার অস্থির বলে মন্তব্য করেছেন জামায়াত আমির প্রধানমন্ত্রী যাচ্ছেন ঢাবি ক্যাম্পাসে ময়মনসিংহের গৌরীপুরে বাক-প্রতিবন্ধী তরুণীকে ধর্ষণের অভিযোগে যুবক গ্রেফতার পূর্বধলায় বৃষ্টির আনন্দ কেড়ে নিল হাবিবার প্রাণ, এলাকায় শোকের ছায়া নেত্রকোনা বারহাট্টায় অভিযানে আটক ১, পূর্বধলায় ফারিয়ার মানববন্ধন ও স্মারকলিপি প্রদান
নোটিশ :
প্রতিটি জেলা- উপজেলায় একজন করে ভিডিও প্রতিনিধি আবশ্যক। যোগাযোগঃ- Email- matiomanuss@gmail.com. Mobile No- 017-11684104, 013-03300539.

​সংকটে অরবিন্দ কেজরিওয়াল: দিল্লির ধাক্কার পর পাঞ্জাবেও বড় হারের আশঙ্কা

  • ডিজিটাল ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১২:১১:৪৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৭ এপ্রিল ২০২৬
  • ৪৭ বার পড়া হয়েছে

ভারতের রাজনৈতিক দল আম আদমি পার্টি (আপ) ভাঙনের পথে। দলটির আলোচিত মুখ রাঘব চাড্ডাসহ রাজ্যসভার দুই-তৃতীয়াংশ সদস্যের বিজেপিতে যোগদানের পর অস্থিরতা বাড়ছে দলটিতে। 

ভারতীয় বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনযায়ী, পার্লামেন্টে রাজ্য প্রতিনিধিত্ব কমে যাওয়ায় আগামী ফেব্রুয়ারিতে অনুষ্ঠিতব্য পাঞ্জাব বিধানসভা নির্বাচনেও ভরাডুবির শঙ্কায় অরবিন্দ কেজরিওয়ালের দল। এমন অবস্থায় দলটির আরও ২৮ বিধায়কের দলত্যাগের গুঞ্জন উঠেছে।

পরে তা ভেঙে গেলেও ২০১৫ সালে একাই ৭০ আসনের ৬৭টিতে বিজয়কেতন ওড়ায় কেজরিওয়ালের পার্টি। ২০২০ সালেও ৬২ আসনে জয় পেয়ে ভারতের রাজনীতিতে নমুন সমীকরণ নিয়ে আসে আম আদমির নেতারা।

সব মিলিয়ে রাজ্যসভার সাংসদের দুই-তৃতীয়াংশই এখন দলবদলের হাওয়ায় গা ভাসিয়েছেন। এমন অবস্থায় সাংগঠনিকভাবে অনেকটা শূন্যতায় ভুগছে দলটি।

সংখ্যার অঙ্কে বিষয়টি অনেক গুরুত্বপূর্ণ। বর্তমান রাজ্যসভায় আম আদমি পার্টির এমপি ১০ জন। যা কমে দাঁড়াচ্ছে মাত্র তিনে। এরমধ্যে পাঞ্জাব থেকে নির্বাচিত সাংসদের সংখ্যাই বেশি। তাই আসন্ন পাঞ্জাব বিধানসভা নির্বাচনে এর সরাসরি প্রভাব পড়তে পারে।

এছাড়াও রাজ্যের সাংগঠনিক শক্তি ও রাজ্যসভায় আম আদমি পার্টির প্রতিনিধিত্ব করার জন্য দুই-তিন জনের বেশি সাংসদ অবশিষ্ট থাকবেন না। ফলে পাঞ্জাবে দলটির আরও কিছু শক্তিক্ষয় হতে পারে।

ভারতের কমিউনিস্ট পার্টির সাধারণ সম্পাদক দোরাইস্বামী রাজা বলেন, ‘আম আদমি পার্টির গুরুত্বসহকারে বিবেচনা করা উচিত কেন এমন লোকদের নির্বাচিত করা হয়েছিল। কীভাবেই বা তারা চলে যাচ্ছে। এটি একটি গুরুতর বিষয়, এর প্রভাব পাঞ্জাবেও পড়বে। কারণ পাঞ্জাবেই এএপি’র সরকার রয়েছে। এই ধরনের কর্মকাণ্ড চলতে থাকলে গণতন্ত্রের কী হবে?’

দেশটির সংস্কারকর্মী আন্না হাজারের দৃষ্টিতে এই দলবদল ব্যক্তিগত স্বার্থসিদ্ধির বিপরীতে গণতন্ত্র ও সংবিধানের জন্য নেতিবাচক। তিনি বলেন, ‘এক দল ছেড়ে অন্য দলে যোগ দেওয়া উচিত নয়।

স্বার্থসিদ্ধির জন্য রাজনৈতিক দল পরিবর্তন করা ঠিক কাজ নয়। আমাদের সংবিধানে এর উল্লেখ নেই। আমাদের সংবিধানই সর্বোচ্চ। আমাদের দেশ সংবিধানের ভিত্তিতেই চলে।’

এমন পরিস্থিতির মাঝেই নতুন করে গুঞ্জন ছড়িয়েছে আম আদমি পার্টির অন্তঃকোন্দল। হরিয়ানায় সাবেক রাজ্য সভাপতি নবীন জয়হিন্দ দাবি করেছেন, একযোগে দলটির ২৮ বিধায়ক আম আদমি পার্টি ছাড়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন। ঘটনা সত্যি হলে বড় ধরনের বিপাকে পড়তে পারে দলটি।

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

এককভাবে স্থানীয় নির্বাচনে অংশ নেওয়ার ঘোষণা জামায়াতে ইসলামীর

​সংকটে অরবিন্দ কেজরিওয়াল: দিল্লির ধাক্কার পর পাঞ্জাবেও বড় হারের আশঙ্কা

আপডেট সময় ১২:১১:৪৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৭ এপ্রিল ২০২৬

ভারতের রাজনৈতিক দল আম আদমি পার্টি (আপ) ভাঙনের পথে। দলটির আলোচিত মুখ রাঘব চাড্ডাসহ রাজ্যসভার দুই-তৃতীয়াংশ সদস্যের বিজেপিতে যোগদানের পর অস্থিরতা বাড়ছে দলটিতে। 

ভারতীয় বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনযায়ী, পার্লামেন্টে রাজ্য প্রতিনিধিত্ব কমে যাওয়ায় আগামী ফেব্রুয়ারিতে অনুষ্ঠিতব্য পাঞ্জাব বিধানসভা নির্বাচনেও ভরাডুবির শঙ্কায় অরবিন্দ কেজরিওয়ালের দল। এমন অবস্থায় দলটির আরও ২৮ বিধায়কের দলত্যাগের গুঞ্জন উঠেছে।

পরে তা ভেঙে গেলেও ২০১৫ সালে একাই ৭০ আসনের ৬৭টিতে বিজয়কেতন ওড়ায় কেজরিওয়ালের পার্টি। ২০২০ সালেও ৬২ আসনে জয় পেয়ে ভারতের রাজনীতিতে নমুন সমীকরণ নিয়ে আসে আম আদমির নেতারা।

সব মিলিয়ে রাজ্যসভার সাংসদের দুই-তৃতীয়াংশই এখন দলবদলের হাওয়ায় গা ভাসিয়েছেন। এমন অবস্থায় সাংগঠনিকভাবে অনেকটা শূন্যতায় ভুগছে দলটি।

সংখ্যার অঙ্কে বিষয়টি অনেক গুরুত্বপূর্ণ। বর্তমান রাজ্যসভায় আম আদমি পার্টির এমপি ১০ জন। যা কমে দাঁড়াচ্ছে মাত্র তিনে। এরমধ্যে পাঞ্জাব থেকে নির্বাচিত সাংসদের সংখ্যাই বেশি। তাই আসন্ন পাঞ্জাব বিধানসভা নির্বাচনে এর সরাসরি প্রভাব পড়তে পারে।

এছাড়াও রাজ্যের সাংগঠনিক শক্তি ও রাজ্যসভায় আম আদমি পার্টির প্রতিনিধিত্ব করার জন্য দুই-তিন জনের বেশি সাংসদ অবশিষ্ট থাকবেন না। ফলে পাঞ্জাবে দলটির আরও কিছু শক্তিক্ষয় হতে পারে।

ভারতের কমিউনিস্ট পার্টির সাধারণ সম্পাদক দোরাইস্বামী রাজা বলেন, ‘আম আদমি পার্টির গুরুত্বসহকারে বিবেচনা করা উচিত কেন এমন লোকদের নির্বাচিত করা হয়েছিল। কীভাবেই বা তারা চলে যাচ্ছে। এটি একটি গুরুতর বিষয়, এর প্রভাব পাঞ্জাবেও পড়বে। কারণ পাঞ্জাবেই এএপি’র সরকার রয়েছে। এই ধরনের কর্মকাণ্ড চলতে থাকলে গণতন্ত্রের কী হবে?’

দেশটির সংস্কারকর্মী আন্না হাজারের দৃষ্টিতে এই দলবদল ব্যক্তিগত স্বার্থসিদ্ধির বিপরীতে গণতন্ত্র ও সংবিধানের জন্য নেতিবাচক। তিনি বলেন, ‘এক দল ছেড়ে অন্য দলে যোগ দেওয়া উচিত নয়।

স্বার্থসিদ্ধির জন্য রাজনৈতিক দল পরিবর্তন করা ঠিক কাজ নয়। আমাদের সংবিধানে এর উল্লেখ নেই। আমাদের সংবিধানই সর্বোচ্চ। আমাদের দেশ সংবিধানের ভিত্তিতেই চলে।’

এমন পরিস্থিতির মাঝেই নতুন করে গুঞ্জন ছড়িয়েছে আম আদমি পার্টির অন্তঃকোন্দল। হরিয়ানায় সাবেক রাজ্য সভাপতি নবীন জয়হিন্দ দাবি করেছেন, একযোগে দলটির ২৮ বিধায়ক আম আদমি পার্টি ছাড়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন। ঘটনা সত্যি হলে বড় ধরনের বিপাকে পড়তে পারে দলটি।