ময়মনসিংহ , শুক্রবার, ০১ মে ২০২৬, ১৭ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
আমরা ধর্মকে রাজনৈতিক স্বার্থে ব্যবহার করতে চাই না জানিয়েছেন তারেক রহমান ​হু হু করে বাড়ছে নদ-নদীর পানি: বন্যার আশঙ্কায় ৪ জেলা পূর্বধলায় আইনশৃঙ্খলা সভায় নবাগত ওসির ঘোষণা: মাদক ও অপরাধ দমনে ‘জিরো টলারেন্স’ গৌরীপুরে ‘মিথ্যা মামলা’ প্রত্যাহারের দাবিতে বিক্ষোভ, এলাকাবাসীর নিন্দা চট্টগ্রামে নবনির্মিত নেভি মেডিকেল কলেজের উদ্বোধন বিশ্ববাজারে হু হু করে বাড়ছে জ্বালানি তেলের দাম আবারও গাজা অভিমুখী গ্লোবাল সুমুদ ফ্লোটিলায় ইসরায়েলের হামলা পেনাল্টি ভাগ্যে সমতা: আর্সেনাল বনাম অ্যাতলেটিকো দ্বৈরথের ফয়সালা দ্বিতীয় লেগে কামরুল-মেননের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের আদেশ আজ ট্রাম্পের দাবি: ইরানের পরমাণু সংকট সমাধানে ওয়াশিংটনকে সাহায্য করতে আগ্রহী পুতিন
নোটিশ :
প্রতিটি জেলা- উপজেলায় একজন করে ভিডিও প্রতিনিধি আবশ্যক। যোগাযোগঃ- Email- matiomanuss@gmail.com. Mobile No- 017-11684104, 013-03300539.

সাংবাদিকতার শিক্ষক অধ্যাপক সাখাওয়াত আলী খান ইন্তেকাল করেছেন

বাংলাদেশে সাংবাদিকতা শিক্ষার অন্যতম পথিকৃৎ অধ্যাপক সাখাওয়াত আলী খান ইন্তেকাল করেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। গত রোববার (৮ মার্চ) রাতে রাজধানীর একটি হাসপাতালে তিনি মারা যান। তার বয়স হয়েছিল ৮৫ বছর।

পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, অধ্যাপক সাখাওয়াত আলী খান কিছুদিন আগে স্ট্রোক করেন। তখন কয়েক দিন হাসপাতালে চিকিৎসা শেষে তাকে বাসায় নেওয়া হয়। এর মধ্যে রোববার রাতে তিনি আবার অসুস্থ হয়ে পড়েন। তাকে হাসপাতালে নেওয়া হলে মৃত ঘোষণা করা হয়।

অধ্যাপক সাখাওয়াত আলী খান ২০০৮ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগ থেকে অবসরে যান। এরপর তিনি সেখানে পাঁচ বছর সংখ্যাতিরিক্ত (সুপার নিউমারারি) অধ্যাপক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। অদ্যাবধি তিনি বিভাগটির ‘অনারারি প্রফেসর’ ছিলেন।

অধ্যাপক সাখাওয়াত আলী খান নরসিংদীর শিবপুর উপজেলায় এক সম্ভ্রান্ত পরিবারে ১৯৪১ সালে জন্মগ্রহণ করেন। শিক্ষকতা পেশায় আসার আগে প্রায় এক দশক তিনি বিভিন্ন জাতীয় দৈনিকে সাংবাদিকতা করেছেন।

অধ্যাপক সাখাওয়াত আলী খান কনজ্যুমার অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ক্যাব) প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি এবং সোসাইটি ফর এনভায়রনমেন্ট অ্যান্ড সোশ্যাল ডেভেলপমেন্ট-এর চেয়ারম্যান ছিলেন।

অধ্যাপক সাখাওয়াত আলী খান ১৫টি দেশের বিভিন্ন সেমিনারে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেছেন। তিনি যুক্তরাষ্ট্রের সাউদার্ন ইলিনয় ইউনিভার্সিটিতে ভিজিটিং স্কলার হিসেবে কাজ করেছেন। দেশি-বিদেশি জার্নালে তাঁর ৩০টিরও বেশি গবেষণা প্রবন্ধ প্রকাশিত হয়েছে। তার গবেষণার প্রিয় বিষয় ছিল ‘সাংবাদিকতা ও রাজনীতির মিথস্ক্রিয়া’। তিনি বাংলাদেশ প্রেস কাউন্সিলের সদস্য এবং প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশের (পিআইবি) ব্যবস্থাপনা বোর্ডের সদস্য হিসেবে একাধিকবার দায়িত্ব পালন করেছেন।

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

আমরা ধর্মকে রাজনৈতিক স্বার্থে ব্যবহার করতে চাই না জানিয়েছেন তারেক রহমান

সাংবাদিকতার শিক্ষক অধ্যাপক সাখাওয়াত আলী খান ইন্তেকাল করেছেন

আপডেট সময় ০৯:৩৬:২০ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৯ মার্চ ২০২৬

বাংলাদেশে সাংবাদিকতা শিক্ষার অন্যতম পথিকৃৎ অধ্যাপক সাখাওয়াত আলী খান ইন্তেকাল করেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। গত রোববার (৮ মার্চ) রাতে রাজধানীর একটি হাসপাতালে তিনি মারা যান। তার বয়স হয়েছিল ৮৫ বছর।

পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, অধ্যাপক সাখাওয়াত আলী খান কিছুদিন আগে স্ট্রোক করেন। তখন কয়েক দিন হাসপাতালে চিকিৎসা শেষে তাকে বাসায় নেওয়া হয়। এর মধ্যে রোববার রাতে তিনি আবার অসুস্থ হয়ে পড়েন। তাকে হাসপাতালে নেওয়া হলে মৃত ঘোষণা করা হয়।

অধ্যাপক সাখাওয়াত আলী খান ২০০৮ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগ থেকে অবসরে যান। এরপর তিনি সেখানে পাঁচ বছর সংখ্যাতিরিক্ত (সুপার নিউমারারি) অধ্যাপক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। অদ্যাবধি তিনি বিভাগটির ‘অনারারি প্রফেসর’ ছিলেন।

অধ্যাপক সাখাওয়াত আলী খান নরসিংদীর শিবপুর উপজেলায় এক সম্ভ্রান্ত পরিবারে ১৯৪১ সালে জন্মগ্রহণ করেন। শিক্ষকতা পেশায় আসার আগে প্রায় এক দশক তিনি বিভিন্ন জাতীয় দৈনিকে সাংবাদিকতা করেছেন।

অধ্যাপক সাখাওয়াত আলী খান কনজ্যুমার অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ক্যাব) প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি এবং সোসাইটি ফর এনভায়রনমেন্ট অ্যান্ড সোশ্যাল ডেভেলপমেন্ট-এর চেয়ারম্যান ছিলেন।

অধ্যাপক সাখাওয়াত আলী খান ১৫টি দেশের বিভিন্ন সেমিনারে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেছেন। তিনি যুক্তরাষ্ট্রের সাউদার্ন ইলিনয় ইউনিভার্সিটিতে ভিজিটিং স্কলার হিসেবে কাজ করেছেন। দেশি-বিদেশি জার্নালে তাঁর ৩০টিরও বেশি গবেষণা প্রবন্ধ প্রকাশিত হয়েছে। তার গবেষণার প্রিয় বিষয় ছিল ‘সাংবাদিকতা ও রাজনীতির মিথস্ক্রিয়া’। তিনি বাংলাদেশ প্রেস কাউন্সিলের সদস্য এবং প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশের (পিআইবি) ব্যবস্থাপনা বোর্ডের সদস্য হিসেবে একাধিকবার দায়িত্ব পালন করেছেন।