ময়মনসিংহ , মঙ্গলবার, ১৪ এপ্রিল ২০২৬, ৩০ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
দুদেশের মধ্যে পারস্পরিক বোঝাপড়া ও আস্থার সম্পর্ক শক্তিশালী বলেছেন প্রণয় ভার্মা পহেলা বৈশাখ: ঢাবিতে প্রবেশের ক্ষেত্রে ডিএমপি ও বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের জরুরি নির্দেশনা নববর্ষের আবাহন : ঐতিহ্যের পথ বেয়ে আধুনিকতার উৎসবে ভিসার বিষয়ে ভারতের সঙ্গে ইতিবাচক আলোচনা হয়েছে জানিয়েছেন হুমায়ুন কবির বাংলা নববর্ষ ঘিরে কোনো নাশকতার শঙ্কা নেই জানিয়েছেন র‌্যাব মহাপরিচালক জামিন পেলেন বাউলশিল্পী আবুল সরকার ​দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান: ২০ এপ্রিল নিজ জন্মভূমি বগুড়া সফরে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান যুদ্ধ নয়, কেবল ‘সতর্কবার্তা’? ইরানে সীমিত হামলার পরিকল্পনা ডোনাল্ড ট্রাম্পের। বিকেলে নুসুক কার্ড বিতরণ কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন ঢাকায় আন্তর্জাতিক মানের ডিএনএ ল্যাবরেটরি করা হবে বলেছেন সমাজকল্যাণমন্ত্রী
নোটিশ :
প্রতিটি জেলা- উপজেলায় একজন করে ভিডিও প্রতিনিধি আবশ্যক। যোগাযোগঃ- Email- matiomanuss@gmail.com. Mobile No- 017-11684104, 013-03300539.

হামের ভ্যাকসিন আনতে দ্রুত কাজ করছি জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী

দেশে হামের প্রাদুর্ভাব মোকাবিলায় দ্রুত ভ্যাকসিন সংগ্রহে জোর দিচ্ছে সরকার। এ লক্ষ্যে সম্প্রসারিত টিকাদান কর্মসূচি (ইপিআই) খাতে ৬০৪ কোটি টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে- এমনটাই জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন। সোমবার (৩০ মার্চ) দুপুরে সচিবালয়ে মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি ক্রিস্টেনসেনের সঙ্গে বৈঠক শেষে তিনি এ কথা জানান।

মো. সাখাওয়াত হোসেন বলেন, ‘আমরা ইতোমধ্যে ইপিআই  খাতে ৬০৪ কোটি টাকা বরাদ্দ করেছি। ভ্যাকসিন কেনার জন্য পারচেজ কমিটি অনুমোদন দিয়েছে এবং অর্থ মন্ত্রণালয়ের ফাইন্যান্স কমিটিতেও এটি পাস হয়েছে। আমরা হামের ভ্যাকসিন আনতে দ্রুত কাজ করছি।’

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ‘যত তাড়াতাড়ি সম্ভব আমাদের টিকা আসবে। টিকা আসার সঙ্গে সঙ্গেই আমরা দ্রুত আমাদের জনগণকে টিকা দেওয়ার ব্যবস্থা করব। আমরা জনগণকে আশ্বস্ত করতে চাই— আমাদের সব ধরনের চেষ্টা অব্যাহত থাকবে। ইনশাআল্লাহ, আমরা আমাদের এই প্রচেষ্টা চালিয়ে যাব।’

আপনারা জানেন, বর্তমানে হামের একটি আক্রমণ চলছে উল্লেখ করে মো. সাখাওয়াত হোসেন বলেন, ‘এই পরিস্থিতিতে আমরা দ্রুত ভেন্টিলেটর, আইসিইউ ইউনিট এবং ওয়ার্ডের ব্যবস্থা করেছি- যা অতীতে কখনো হয়নি। আমরা এই প্রচেষ্টা অব্যাহত রাখবো।’

এদিকে হামের সংক্রমণ বৃদ্ধির কারণ ব্যাখ্যা করে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা বর্তমানে হামের একটি তীব্র আক্রমণের মুখোমুখি। হঠাৎ করে কেন এটি বেড়ে গেল, সেটাও বুঝতে হবে। গত এক দশকের বেশি সময় ধরে নিয়মিত ক্যাম্পেইন হওয়ার কথা ছিল। ২০১৮ সালে একটি ক্যাম্পেইন হয়েছিল, যা প্রতি চার বছর পরপর হওয়ার কথা। এই ক্যাম্পেইনের উদ্দেশ্য হলো- যেসব শিশু বাদ পড়ে গেছে বা নতুন জন্ম নেওয়া শিশুদের টিকা দেওয়া। কিন্তু ২০১৮ সালের পর আর কোনো ক্যাম্পেইন হয়নি। ফলে যেসব শিশু টিকা পায়নি, তাদের মধ্যেই এখন হাম বেশি ছড়াচ্ছে এবং মারাত্মক আকার ধারণ করছে।’

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

দুদেশের মধ্যে পারস্পরিক বোঝাপড়া ও আস্থার সম্পর্ক শক্তিশালী বলেছেন প্রণয় ভার্মা

হামের ভ্যাকসিন আনতে দ্রুত কাজ করছি জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী

আপডেট সময় ০৩:২০:৪৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩০ মার্চ ২০২৬

দেশে হামের প্রাদুর্ভাব মোকাবিলায় দ্রুত ভ্যাকসিন সংগ্রহে জোর দিচ্ছে সরকার। এ লক্ষ্যে সম্প্রসারিত টিকাদান কর্মসূচি (ইপিআই) খাতে ৬০৪ কোটি টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে- এমনটাই জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন। সোমবার (৩০ মার্চ) দুপুরে সচিবালয়ে মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি ক্রিস্টেনসেনের সঙ্গে বৈঠক শেষে তিনি এ কথা জানান।

মো. সাখাওয়াত হোসেন বলেন, ‘আমরা ইতোমধ্যে ইপিআই  খাতে ৬০৪ কোটি টাকা বরাদ্দ করেছি। ভ্যাকসিন কেনার জন্য পারচেজ কমিটি অনুমোদন দিয়েছে এবং অর্থ মন্ত্রণালয়ের ফাইন্যান্স কমিটিতেও এটি পাস হয়েছে। আমরা হামের ভ্যাকসিন আনতে দ্রুত কাজ করছি।’

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ‘যত তাড়াতাড়ি সম্ভব আমাদের টিকা আসবে। টিকা আসার সঙ্গে সঙ্গেই আমরা দ্রুত আমাদের জনগণকে টিকা দেওয়ার ব্যবস্থা করব। আমরা জনগণকে আশ্বস্ত করতে চাই— আমাদের সব ধরনের চেষ্টা অব্যাহত থাকবে। ইনশাআল্লাহ, আমরা আমাদের এই প্রচেষ্টা চালিয়ে যাব।’

আপনারা জানেন, বর্তমানে হামের একটি আক্রমণ চলছে উল্লেখ করে মো. সাখাওয়াত হোসেন বলেন, ‘এই পরিস্থিতিতে আমরা দ্রুত ভেন্টিলেটর, আইসিইউ ইউনিট এবং ওয়ার্ডের ব্যবস্থা করেছি- যা অতীতে কখনো হয়নি। আমরা এই প্রচেষ্টা অব্যাহত রাখবো।’

এদিকে হামের সংক্রমণ বৃদ্ধির কারণ ব্যাখ্যা করে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা বর্তমানে হামের একটি তীব্র আক্রমণের মুখোমুখি। হঠাৎ করে কেন এটি বেড়ে গেল, সেটাও বুঝতে হবে। গত এক দশকের বেশি সময় ধরে নিয়মিত ক্যাম্পেইন হওয়ার কথা ছিল। ২০১৮ সালে একটি ক্যাম্পেইন হয়েছিল, যা প্রতি চার বছর পরপর হওয়ার কথা। এই ক্যাম্পেইনের উদ্দেশ্য হলো- যেসব শিশু বাদ পড়ে গেছে বা নতুন জন্ম নেওয়া শিশুদের টিকা দেওয়া। কিন্তু ২০১৮ সালের পর আর কোনো ক্যাম্পেইন হয়নি। ফলে যেসব শিশু টিকা পায়নি, তাদের মধ্যেই এখন হাম বেশি ছড়াচ্ছে এবং মারাত্মক আকার ধারণ করছে।’