ময়মনসিংহ , মঙ্গলবার, ০৫ মে ২০২৬, ২২ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
পশ্চিমবঙ্গে যেই আসুক, ভারতের সঙ্গে সম্পর্কে প্রভাব পড়বে না বলে মন্তব্য করেছেন গয়েশ্বর চন্দ্র রায় নেইমারের বিরুদ্ধে সতীর্থকে পেটানোর অভিযোগ: তদন্ত শুরু করল সান্তোস ​ইউটিউবার তৌহিদ আফ্রিদির জামিন বহাল রাখলেন আদালত তপ্ত দুপুরে স্বস্তির বৃষ্টি? আজ বজ্রসহ বৃষ্টির সম্ভাবনা ঢাকায় মাঠে মেজাজ হারানোয় বড় শাস্তির মুখে অধিনায়ক জ্যোতি আজ দুপুর থেকে বিদ্যুৎহীন সুনামগঞ্জ, ভোগান্তির আশঙ্কা কেরালার বাম দুর্গে বড় চমক: হিজাবি তরুণীর ঐতিহাসিক জয় নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করেই রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ১১ হলে ছাত্রলীগের কমিটি ঘোষণা অমিত শাহের বিশেষ মিশন: পশ্চিমবঙ্গে বিজেপির ‘গেম চেঞ্জার’ ৬ মুখ হামজা চৌধুরী হঠাৎ ঢাকায় আসছেন
নোটিশ :
প্রতিটি জেলা- উপজেলায় একজন করে ভিডিও প্রতিনিধি আবশ্যক। যোগাযোগঃ- Email- matiomanuss@gmail.com. Mobile No- 017-11684104, 013-03300539.

আজ হাসিনাসহ ১৩ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের আদেশ

  • ডিজিটাল রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ১১:১৭:১০ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৪ ডিসেম্বর ২০২৫
  • ৮৭ বার পড়া হয়েছে

টানা শাসনামলে জয়েন্ট ইন্টারোগেশন সেন্টারে (জেআইসি) গুম-নির্যাতনের ঘটনায় মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও সাবেক-বর্তমান সেনা কর্মকর্তাসহ ১৩ জনের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ গঠনের বিষয়ে আদেশের দিন ধার্য রয়েছে আজ। 

আজ রোববার (১৪ ডিসেম্বর) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এই আদেশ দেবেন। প্রসিকিউশন এই মামলায় পাঁচটি অভিযোগ আনে। এর আগে, গত ৭ ডিসেম্বর অভিযোগ গঠনের ওপর শুনানি করেন চিফ প্রসিকিউটর মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম।

১৩ আসামির মধ্যে বর্তমানে গ্রেপ্তার রয়েছেন তিন সেনা কর্মকর্তা। গত ৯ নভেম্বর উপস্থিত আসামিদের অব্যাহতি চেয়ে আইনজীবী আজিজুর রহমান দুলু চারটি গ্রাউন্ড এনে শুনানি করেন। এর মধ্যে বেআইনি আটক, অপহরণ, নির্যাতন— এই তিনটি গ্রাউন্ড বিবেচনায় নেওয়ার কথা জানিয়েছে ট্রাইব্যুনাল। চতুর্থ গ্রাউন্ডটি ছিল গুম রাখা।দুলুর শুনানি শেষে পলাতক আসামিদের হয়ে ডিসচার্জ চেয়ে আবেদন করেন আইনজীবী হাসান ইমাম, আমির হোসেন সহ অন্যরা। পরে অভিযোগ গঠনের বিষয়ে আদেশের জন্য আজকের দিন ঠিক করেন আদালত। ওই দিন ট্রাইব্যুনালে প্রসিকিউশনের পক্ষে ছিলেন চিফ প্রসিকিউটর মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম, প্রসিকিউটর মিজানুল ইসলাম, শাইখ মাহদীসহ অন্যান্য প্রসিকিউটর।

গ্রেপ্তার তিন সেনা কর্মকর্তা হলেন: ডিজিএফআইয়ের সাবেক পরিচালক মেজর জেনারেল শেখ মো. সরওয়ার হোসেন, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. মাহবুবুর রহমান সিদ্দিকী ও ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আহমেদ তানভির মাজাহার সিদ্দিকী।

শেখ হাসিনাসহ পলাতক অন্য আসামিরা হলেন: শেখ হাসিনার প্রতিরক্ষাবিষয়ক সাবেক উপদেষ্টা মেজর জেনারেল (অব.) তারিক আহমেদ সিদ্দিক, ডিজিএফআইয়ের সাবেক মহাপরিচালক (ডিজি) লে. জেনারেল (অব) মোহাম্মদ আকবর হোসেন, সাবেক ডিজি মেজর জেনারেল (অব) সাইফুল আবেদিন, লে. জেনারেল (অব) মো. সাইফুল আলম, সাবেক ডিজি লে. জেনারেল তাবরেজ শামস চৌধুরী, সাবেক ডিজি মেজর জেনারেল (অব) হামিদুল হক, মেজর জেনারেল তৌহিদুল ইসলাম, মেজর জেনারেল কবির আহাম্মদ ও লে. কর্নেল (অব) মখসুরুল হক।

গত ২৩ নভেম্বর পলাতকদের পক্ষে স্টেট ডিফেন্স নিয়োগ দেন ট্রাইব্যুনাল। স্বেচ্ছায় লড়তে চাইলে শেখ হাসিনার আইনজীবী হন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী জেডআই খান পান্না, তবে শারীরিক অসুস্থতা দেখিয়ে ৩ ডিসেম্বর তিনি তা প্রত্যাহার করলে মো. আমির হোসেনকে শেখ হাসিনার আইনজীবী হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়।

এর আগে গত ২২ অক্টোবর সেনা হেফাজতে থাকা এই মামলার তিন সেনা কর্মকর্তাকে ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়। শুনানি শেষে তাদের গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠান ট্রাইব্যুনাল। একইসঙ্গে পলাতক আসামিদের হাজিরের জন্য সাতদিনের মধ্যে দুটি জাতীয় পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের নির্দেশ দেওয়া হয়। ৮ অক্টোবর এ মামলায় ১৩ জনের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দাখিল করে প্রসিকিউশন। পরে অভিযোগ আমলে নিয়ে তাদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়।

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

পশ্চিমবঙ্গে যেই আসুক, ভারতের সঙ্গে সম্পর্কে প্রভাব পড়বে না বলে মন্তব্য করেছেন গয়েশ্বর চন্দ্র রায়

আজ হাসিনাসহ ১৩ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের আদেশ

আপডেট সময় ১১:১৭:১০ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৪ ডিসেম্বর ২০২৫

টানা শাসনামলে জয়েন্ট ইন্টারোগেশন সেন্টারে (জেআইসি) গুম-নির্যাতনের ঘটনায় মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও সাবেক-বর্তমান সেনা কর্মকর্তাসহ ১৩ জনের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ গঠনের বিষয়ে আদেশের দিন ধার্য রয়েছে আজ। 

আজ রোববার (১৪ ডিসেম্বর) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এই আদেশ দেবেন। প্রসিকিউশন এই মামলায় পাঁচটি অভিযোগ আনে। এর আগে, গত ৭ ডিসেম্বর অভিযোগ গঠনের ওপর শুনানি করেন চিফ প্রসিকিউটর মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম।

১৩ আসামির মধ্যে বর্তমানে গ্রেপ্তার রয়েছেন তিন সেনা কর্মকর্তা। গত ৯ নভেম্বর উপস্থিত আসামিদের অব্যাহতি চেয়ে আইনজীবী আজিজুর রহমান দুলু চারটি গ্রাউন্ড এনে শুনানি করেন। এর মধ্যে বেআইনি আটক, অপহরণ, নির্যাতন— এই তিনটি গ্রাউন্ড বিবেচনায় নেওয়ার কথা জানিয়েছে ট্রাইব্যুনাল। চতুর্থ গ্রাউন্ডটি ছিল গুম রাখা।দুলুর শুনানি শেষে পলাতক আসামিদের হয়ে ডিসচার্জ চেয়ে আবেদন করেন আইনজীবী হাসান ইমাম, আমির হোসেন সহ অন্যরা। পরে অভিযোগ গঠনের বিষয়ে আদেশের জন্য আজকের দিন ঠিক করেন আদালত। ওই দিন ট্রাইব্যুনালে প্রসিকিউশনের পক্ষে ছিলেন চিফ প্রসিকিউটর মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম, প্রসিকিউটর মিজানুল ইসলাম, শাইখ মাহদীসহ অন্যান্য প্রসিকিউটর।

গ্রেপ্তার তিন সেনা কর্মকর্তা হলেন: ডিজিএফআইয়ের সাবেক পরিচালক মেজর জেনারেল শেখ মো. সরওয়ার হোসেন, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. মাহবুবুর রহমান সিদ্দিকী ও ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আহমেদ তানভির মাজাহার সিদ্দিকী।

শেখ হাসিনাসহ পলাতক অন্য আসামিরা হলেন: শেখ হাসিনার প্রতিরক্ষাবিষয়ক সাবেক উপদেষ্টা মেজর জেনারেল (অব.) তারিক আহমেদ সিদ্দিক, ডিজিএফআইয়ের সাবেক মহাপরিচালক (ডিজি) লে. জেনারেল (অব) মোহাম্মদ আকবর হোসেন, সাবেক ডিজি মেজর জেনারেল (অব) সাইফুল আবেদিন, লে. জেনারেল (অব) মো. সাইফুল আলম, সাবেক ডিজি লে. জেনারেল তাবরেজ শামস চৌধুরী, সাবেক ডিজি মেজর জেনারেল (অব) হামিদুল হক, মেজর জেনারেল তৌহিদুল ইসলাম, মেজর জেনারেল কবির আহাম্মদ ও লে. কর্নেল (অব) মখসুরুল হক।

গত ২৩ নভেম্বর পলাতকদের পক্ষে স্টেট ডিফেন্স নিয়োগ দেন ট্রাইব্যুনাল। স্বেচ্ছায় লড়তে চাইলে শেখ হাসিনার আইনজীবী হন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী জেডআই খান পান্না, তবে শারীরিক অসুস্থতা দেখিয়ে ৩ ডিসেম্বর তিনি তা প্রত্যাহার করলে মো. আমির হোসেনকে শেখ হাসিনার আইনজীবী হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়।

এর আগে গত ২২ অক্টোবর সেনা হেফাজতে থাকা এই মামলার তিন সেনা কর্মকর্তাকে ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়। শুনানি শেষে তাদের গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠান ট্রাইব্যুনাল। একইসঙ্গে পলাতক আসামিদের হাজিরের জন্য সাতদিনের মধ্যে দুটি জাতীয় পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের নির্দেশ দেওয়া হয়। ৮ অক্টোবর এ মামলায় ১৩ জনের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দাখিল করে প্রসিকিউশন। পরে অভিযোগ আমলে নিয়ে তাদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়।