ময়মনসিংহ , রবিবার, ০৮ নভেম্বর ২০২৬, ২৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
মাদারীপুর জেলা পুলিশের মাস্টার প্যারেড ও মাসিক কল্যাণ সভা অনুষ্ঠিত খুলনায় মোবাইল ব্যাংকিংয়ের সিম ভাড়া দিয়ে বিপাকে লিটন, তিন দিনে লেনদেন ২ কোটি ২৬ লাখ টাকা তেঁতুলিয়ায় মেশিন দিয়ে পাথর-বালু উত্তোলনের অভিযোগ, পরিবেশ বিপর্যয়ের আশঙ্কা নরসিংদীর রায়পুরায় কমিউনিটি পুলিশিং কমিটির মতবিনিময় ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত পূর্বধলায় শিক্ষক-কর্মচারী কো-অপারেটিভ ক্রেডিট ইউনিয়নের চেয়ারম্যান গোলাম মোস্তফা, সেক্রেটারি নিলয় চক্রবর্তী কৃষক ও শিক্ষার্থীদের কল্যাণে ব্যাংকগুলোকে এগিয়ে আসার আহ্বান ইঞ্জিনিয়ার তুহিনের শিশু-কিশোরদের ক্রীড়া প্রতিভা অন্বেষণে ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস-২’ উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী বাউবি ও মালয়েশিয়ার IIUM-এর মধ্যে একাডেমিক ও গবেষণা সহযোগিতা বৃদ্ধির সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা নেত্রকোনায় থামছে না বাল্যবিয়ে, ১১ মাসে প্রতিরোধ ২১টি শেরপুরে ভিডিও কনফারেন্সে ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস (সিজন ২)’ এর উদ্বোধন
নোটিশ :
প্রতিটি জেলা- উপজেলায় একজন করে ভিডিও প্রতিনিধি আবশ্যক। যোগাযোগঃ- Email- matiomanuss@gmail.com. Mobile No- 017-11684104, 013-03300539.

একুশে পাঠচক্রের সার্ধশত আসর অনুষ্ঠিত 

জ্ঞানভিত্তিক সমাজ নির্মাণে পাঠ’এই শ্লোগানে একুশে পাঠচক্রের নিয়মিত আসর ১০ সেপ্টেম্বর বৃহস্পতিবার সকাল ১১টায় শেরপুর নালিতাবাড়ী সেঁজুতি অঙ্গনে অনুষ্ঠিত হয়েছে।

‘ একাত্তরের জননী রমা চৌধুরী ‘ শিরোনামে একুশে পাঠচক্রের সার্ধশত আসরে প্রেসক্লাব নালিতাবাড়ী’র আহ্বায়ক বৈশাখী টেলিভিশন’এর জেলা প্রতিনিধি বিপ্লব দে কেটু’র সভাপতিত্বে বক্তব্য উপস্থাপন করেন শিক্ষক শঙ্করী পাঠক, মনি গাঙ্গুলি, সাংবাদিক হারুন অর রশিদ ও সাংবাদিক আমিরুল ইসলাম।এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন কালের কণ্ঠের উপজেলা প্রতিনিধি কেয়া নকরেক,মিলন শেখ,সুজানা,অমিত চক্রবর্তী প্রমুখ।উপস্থাপনা করেন আবৃত্তিকার ও উপস্থাপিকা একুশে দ্যুতি।রমা চৌধুরী ছিলেন বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের একজন বীর রমা চৌধুরী এবং স্বনামধন্য লেখক।

জন্ম ও শিক্ষা
১৯৪১ সালের ১৪ অক্টোবর রমা চৌধুরী: একাত্তরের জননী হয়েই বেঁচে ছিলেন যিনি চট্টগ্রামের বোয়ালখালী থানার পোপাদিয়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
তিনি ১৯৬১ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বাংলা ভাষা ও সাহিত্যে স্নাতকোত্তর (এমএ) ডিগ্রি অর্জন করেন একাত্তরের জননী একজন বীরাঙ্গনা রমা চৌধুরী। তিনি ছিলেন দক্ষিণ চট্টগ্রামের প্রথম নারী স্নাতকোত্তর।

মুক্তিযুদ্ধ ও একাত্তরের নির্যাতন
১৯৭১ সালের ১৩ মে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী তার বাড়িতে আক্রমণ করে। তারা তাকে অমানবিক নির্যাতন করে এবং তার ঘরবাড়ি পুড়িয়ে দেয়।
এই যুদ্ধের ভয়াবহতা ও নির্যাতনের শিকার হয়েও তিনি বেঁচে ছিলেন এবং ত্যাগের প্রতীক হিসেবে পরিচিত হন।

জীবনসংগ্রাম ও সাহিত্যকর্ম।তার বিখ্যাত আত্মজীবনীমূলক গ্রন্থ হলো ‘একাত্তরের জননী’। এছাড়া তিনি প্রায় ১৮টির মতো বই লিখেছেন।
তিনি দীর্ঘ ৩০ বছর জুতো পরেননি। তিনি বলতেন, যে মাটিতে তার সন্তানদের স্মৃতি ও মৃতদেহ রয়েছে, সে মাটিতে তিনি জুতো পায়ে হাঁটবেন না। তিনি নিজেই নিজের লেখা বই চট্টগ্রাম শহরের রাস্তায় ঘুরে বিক্রি করতেন।
২০১৮ সালের ৩ সেপ্টেম্বর তিনি চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে মৃত্যুবরণ করেন।

দ্বিতীয় পর্বে গান পরিবেশন করেন সঙ্গীত শিক্ষক ও শিশু শিক্ষার্থীরা।

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

মাদারীপুর জেলা পুলিশের মাস্টার প্যারেড ও মাসিক কল্যাণ সভা অনুষ্ঠিত

একুশে পাঠচক্রের সার্ধশত আসর অনুষ্ঠিত 

আপডেট সময় ০৯:৪৯:৫২ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬

জ্ঞানভিত্তিক সমাজ নির্মাণে পাঠ’এই শ্লোগানে একুশে পাঠচক্রের নিয়মিত আসর ১০ সেপ্টেম্বর বৃহস্পতিবার সকাল ১১টায় শেরপুর নালিতাবাড়ী সেঁজুতি অঙ্গনে অনুষ্ঠিত হয়েছে।

‘ একাত্তরের জননী রমা চৌধুরী ‘ শিরোনামে একুশে পাঠচক্রের সার্ধশত আসরে প্রেসক্লাব নালিতাবাড়ী’র আহ্বায়ক বৈশাখী টেলিভিশন’এর জেলা প্রতিনিধি বিপ্লব দে কেটু’র সভাপতিত্বে বক্তব্য উপস্থাপন করেন শিক্ষক শঙ্করী পাঠক, মনি গাঙ্গুলি, সাংবাদিক হারুন অর রশিদ ও সাংবাদিক আমিরুল ইসলাম।এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন কালের কণ্ঠের উপজেলা প্রতিনিধি কেয়া নকরেক,মিলন শেখ,সুজানা,অমিত চক্রবর্তী প্রমুখ।উপস্থাপনা করেন আবৃত্তিকার ও উপস্থাপিকা একুশে দ্যুতি।রমা চৌধুরী ছিলেন বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের একজন বীর রমা চৌধুরী এবং স্বনামধন্য লেখক।

জন্ম ও শিক্ষা
১৯৪১ সালের ১৪ অক্টোবর রমা চৌধুরী: একাত্তরের জননী হয়েই বেঁচে ছিলেন যিনি চট্টগ্রামের বোয়ালখালী থানার পোপাদিয়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
তিনি ১৯৬১ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বাংলা ভাষা ও সাহিত্যে স্নাতকোত্তর (এমএ) ডিগ্রি অর্জন করেন একাত্তরের জননী একজন বীরাঙ্গনা রমা চৌধুরী। তিনি ছিলেন দক্ষিণ চট্টগ্রামের প্রথম নারী স্নাতকোত্তর।

মুক্তিযুদ্ধ ও একাত্তরের নির্যাতন
১৯৭১ সালের ১৩ মে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী তার বাড়িতে আক্রমণ করে। তারা তাকে অমানবিক নির্যাতন করে এবং তার ঘরবাড়ি পুড়িয়ে দেয়।
এই যুদ্ধের ভয়াবহতা ও নির্যাতনের শিকার হয়েও তিনি বেঁচে ছিলেন এবং ত্যাগের প্রতীক হিসেবে পরিচিত হন।

জীবনসংগ্রাম ও সাহিত্যকর্ম।তার বিখ্যাত আত্মজীবনীমূলক গ্রন্থ হলো ‘একাত্তরের জননী’। এছাড়া তিনি প্রায় ১৮টির মতো বই লিখেছেন।
তিনি দীর্ঘ ৩০ বছর জুতো পরেননি। তিনি বলতেন, যে মাটিতে তার সন্তানদের স্মৃতি ও মৃতদেহ রয়েছে, সে মাটিতে তিনি জুতো পায়ে হাঁটবেন না। তিনি নিজেই নিজের লেখা বই চট্টগ্রাম শহরের রাস্তায় ঘুরে বিক্রি করতেন।
২০১৮ সালের ৩ সেপ্টেম্বর তিনি চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে মৃত্যুবরণ করেন।

দ্বিতীয় পর্বে গান পরিবেশন করেন সঙ্গীত শিক্ষক ও শিশু শিক্ষার্থীরা।