ময়মনসিংহ , বৃহস্পতিবার, ১১ জুন ২০২৬, ২৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
আদ্-দ্বীন হাসপাতালের কারণ দর্শানোর নোটিশের জবাব গ্রহণযোগ্য নয় জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী জরুরি সহায়তা হিসেবে ১০ হাজার কোটি টাকা ধার চায় ইসলামী ব্যাংক বিশ্ব শান্তি প্রতিষ্ঠায় বদ্ধপরিকর শান্তিরক্ষীরা বলেছেন প্রধানমন্ত্রী ​শামীম ওসমানের বিরুদ্ধে সাক্ষ্যগ্রহণ: আদালতের কাঠগড়ায় ১২ জন সরকার ভারসাম্যপূর্ণ পররাষ্ট্র নীতি পরিচালনা করছে বলে মন্তব্য করেছেন শামা ওবায়েদ সন্ধ্যা ৬টার মধ্যে ১৭ অঞ্চলে ৬০ কিমি বেগে ঝড়ের শঙ্কা আলোচিত নাসির-তামিমা মামলার রায় আজ, নজরে আদালত ​মার্কিন পঞ্চম নৌবহরে হামলার হুমকি দিলো ইরান, মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা তুঙ্গে পূর্বধলায় বিদ্যুৎ বিলের বকেয়া আদায়ে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান: ২০৬ সংযোগ বিচ্ছিন্ন সরকারি চাকরিজীবীদের সুখবর: জুনেই নতুন পে-স্কেলের গেজেট, আসছে গ্রেড ও পেনশন সুবিধায় বড় পরিবর্তন
নোটিশ :
প্রতিটি জেলা- উপজেলায় একজন করে ভিডিও প্রতিনিধি আবশ্যক। যোগাযোগঃ- Email- matiomanuss@gmail.com. Mobile No- 017-11684104, 013-03300539.

কেন্দুুয়ায় জোড়াতালি দিয়ে চলছে স্বাস্থ্যসেবা, ৩৩১ পদের ১৬৪টিই শূন্য

নেত্রকোনার কেন্দুুয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সসহ পরিবার পরিকল্পনা বিভাগে চিকিৎসকসহ জনবল সংকটের ফলে কাঙ্ক্ষিত সেবা মিলছে না। স্বাস্থ্য বিভাগের ১৬৪টি পদ শূন্য থাকায় জোড়াতালি দিয়ে দৈনন্দিন স্বাস্থ্যসেবা দিতে গিয়ে হিমশিম খাচ্ছেন সংশ্লিষ্টরা। দীর্ঘদিন ধরে এসব পদ শূন্য থাকার ফলে আশানুরূপ সেবা থেকে বঞ্চিত কেন্দুুয়াবাসী।
জানা যায়, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সটি ৫০ শয্যার পাশাপাশি সিজারিয়ান অপারেশনসহ আরও কয়েকটি আধুনিক সেবা চালু হওয়ায় সেবা প্রার্থীদের ভিড় বেড়েছে। এজন্য শয্যা সংকটে ভর্তিকৃত রোগীরা পড়েন চরম বিপাকে। এতে ২১২ পদ রয়েছে। পরিবার পরিকল্পনা বিভাগসহ ৩৩১টি পদের মধ্যে ১৬৪ পদেই শূন্য। প্রয়োজনীয় সংখ্যক চিকিৎসক, নার্স, মেডিকেল সহকারী, টেকনিশিয়ান না থাকায় রোগী সামাল দিতে হিমশিম খাচ্ছেন কর্মরত স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ও নার্সরা। প্রয়োজনীয় সংখ্যক পরিচ্ছন্নতাকমী না থাকায় প্রায়শই অপরিষ্কার থাকে হাসপাতালটি। চালক না থাকায় প্রায় এক বছর ধরে বন্ধ এম্বুলেন্স সার্ভিস। দায়িত্বপ্রাপ্ত স্বাস্থ্য কর্মকর্তারা জনবল সংকটের বিষয়টি বার বার ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানালেও তেমন সাড়া পাচ্ছেন না বলে জানান উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. এবাদুর রহমান।

তিনি বলেন, জনবল সংকটের ফলে ৩ জনের কাজ একজনকে করতে হয়। কয়দিন আগে অন্য হাসপাতাল থেকে একজন চালককে শাস্তিমূলক আমাদের দিয়েছেন। কিন্তু তাকে দিয়ে এম্বুলেন্স সার্ভিস চালানো সম্ভব না। প্রথম দিন গাড়ি নিয়েই দুর্ঘটনা ঘটিয়েছেন। জনবলের অভাবে আমদেরও সেবা প্রার্থীদের আশানুরূপ সেবা দিতে সম্ভব হয় না।
উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা শফিউল আলম জানান, আমার এখানে সবচেয়ে বেশি জনবল সংকট ৭৪ জন পরিবার কল্যাণ সহকারী মধ্যে আছেন ২৫ জন। আমরা কীভাবে দৈনন্দিন কাজ সামাল দেই বলে বুঝানো যাবে না। উপজেলা চেয়ারম্যান মো. নুরুল ইসলাম বলেন, দিনদিন হাসপাতালে সেবা প্রার্থী রোগীর সংখ্যা বাড়ছে। কিন্তু জনবল সংকটের কারণে স্বাস্থ্যসেবা মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। নেত্রকোনা সিভিল সার্জেন ডা. মো. সেলিম মিঞা জানান, তৃতীয় ও চতুর্থ শ্রেণি কর্মচারী নিয়োগের পরিকল্পনা চলছে। কিছুদিনের মধ্যে সার্কুলার দেবো। আর চিকিৎসক ও নার্স নিয়োগ বা পদায়নের সুযোগ আমাদের হাতে নেই। এগুলো পদে পদায়ন করে অধিদপ্তর।

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

আদ্-দ্বীন হাসপাতালের কারণ দর্শানোর নোটিশের জবাব গ্রহণযোগ্য নয় জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী

কেন্দুুয়ায় জোড়াতালি দিয়ে চলছে স্বাস্থ্যসেবা, ৩৩১ পদের ১৬৪টিই শূন্য

আপডেট সময় ১১:২১:৩৯ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৪ মার্চ ২০২৪

নেত্রকোনার কেন্দুুয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সসহ পরিবার পরিকল্পনা বিভাগে চিকিৎসকসহ জনবল সংকটের ফলে কাঙ্ক্ষিত সেবা মিলছে না। স্বাস্থ্য বিভাগের ১৬৪টি পদ শূন্য থাকায় জোড়াতালি দিয়ে দৈনন্দিন স্বাস্থ্যসেবা দিতে গিয়ে হিমশিম খাচ্ছেন সংশ্লিষ্টরা। দীর্ঘদিন ধরে এসব পদ শূন্য থাকার ফলে আশানুরূপ সেবা থেকে বঞ্চিত কেন্দুুয়াবাসী।
জানা যায়, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সটি ৫০ শয্যার পাশাপাশি সিজারিয়ান অপারেশনসহ আরও কয়েকটি আধুনিক সেবা চালু হওয়ায় সেবা প্রার্থীদের ভিড় বেড়েছে। এজন্য শয্যা সংকটে ভর্তিকৃত রোগীরা পড়েন চরম বিপাকে। এতে ২১২ পদ রয়েছে। পরিবার পরিকল্পনা বিভাগসহ ৩৩১টি পদের মধ্যে ১৬৪ পদেই শূন্য। প্রয়োজনীয় সংখ্যক চিকিৎসক, নার্স, মেডিকেল সহকারী, টেকনিশিয়ান না থাকায় রোগী সামাল দিতে হিমশিম খাচ্ছেন কর্মরত স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ও নার্সরা। প্রয়োজনীয় সংখ্যক পরিচ্ছন্নতাকমী না থাকায় প্রায়শই অপরিষ্কার থাকে হাসপাতালটি। চালক না থাকায় প্রায় এক বছর ধরে বন্ধ এম্বুলেন্স সার্ভিস। দায়িত্বপ্রাপ্ত স্বাস্থ্য কর্মকর্তারা জনবল সংকটের বিষয়টি বার বার ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানালেও তেমন সাড়া পাচ্ছেন না বলে জানান উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. এবাদুর রহমান।

তিনি বলেন, জনবল সংকটের ফলে ৩ জনের কাজ একজনকে করতে হয়। কয়দিন আগে অন্য হাসপাতাল থেকে একজন চালককে শাস্তিমূলক আমাদের দিয়েছেন। কিন্তু তাকে দিয়ে এম্বুলেন্স সার্ভিস চালানো সম্ভব না। প্রথম দিন গাড়ি নিয়েই দুর্ঘটনা ঘটিয়েছেন। জনবলের অভাবে আমদেরও সেবা প্রার্থীদের আশানুরূপ সেবা দিতে সম্ভব হয় না।
উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা শফিউল আলম জানান, আমার এখানে সবচেয়ে বেশি জনবল সংকট ৭৪ জন পরিবার কল্যাণ সহকারী মধ্যে আছেন ২৫ জন। আমরা কীভাবে দৈনন্দিন কাজ সামাল দেই বলে বুঝানো যাবে না। উপজেলা চেয়ারম্যান মো. নুরুল ইসলাম বলেন, দিনদিন হাসপাতালে সেবা প্রার্থী রোগীর সংখ্যা বাড়ছে। কিন্তু জনবল সংকটের কারণে স্বাস্থ্যসেবা মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। নেত্রকোনা সিভিল সার্জেন ডা. মো. সেলিম মিঞা জানান, তৃতীয় ও চতুর্থ শ্রেণি কর্মচারী নিয়োগের পরিকল্পনা চলছে। কিছুদিনের মধ্যে সার্কুলার দেবো। আর চিকিৎসক ও নার্স নিয়োগ বা পদায়নের সুযোগ আমাদের হাতে নেই। এগুলো পদে পদায়ন করে অধিদপ্তর।