ময়মনসিংহ , শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৭ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
জ্বালানি খাতে বিনিয়োগ করতে চায় যুক্তরাজ্য জানিয়েছেন মীর শাহে আলম স্থানীয় সরকার নির্বাচনে দলীয় প্রতীক থাকছে না, বৈধ হলেই প্রার্থী বলেছেন মীর শাহে আলম অবৈধ ড্রেজারে মাটি কাটা রোধে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান, পাইপ ও যন্ত্রপাতি জব্দ ও বিনষ্ট ঠাকুরগাঁও-১ আসনে উপ-নির্বাচন আগামী ২৯ অক্টোবর জানিয়েছেন ইসি সচিব ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ডিজিটাল পাল্লায় রশি বেঁধে ওজনে কারচুপি, ইলিশ ব্যবসায়ীর ১ লাখ টাকা জরিমানা বৃদ্ধ স্ত্রীকে কোলে নিয়ে খাবারের আকুতি: শেরপুর জেলা প্রশাসনের মানবিক সহায়তা খুলনার ভৈরব নদে ট্রলার-ফেরি সংঘর্ষ: আট দিন পর নিখোঁজ রাকিবের মরদেহ উদ্ধার, শোকাহত পরিবারের পাশে জেলা প্রশাসক কালিয়াকৈরে তীব্র গ্যাস সংকট: উৎপাদন ব্যাহত, দিশেহারা শিল্প মালিকরা নেত্রকোণায় জেলা প্রশাসকের সাপ্তাহিক গণশুনানি জনসাধারণের সমস্যা শুনে তাৎক্ষণিক সমাধান, কর্মকর্তাদের প্রয়োজনীয় নির্দেশনা ডোমারে পৃথক ঘটনায় যুবক ও অজ্ঞাতপরিচয়ের ব্যক্তির মৃত্যু
নোটিশ :
প্রতিটি জেলা- উপজেলায় একজন করে ভিডিও প্রতিনিধি আবশ্যক। যোগাযোগঃ- Email- matiomanuss@gmail.com. Mobile No- 017-11684104, 013-03300539.

জনসমক্ষে নিকাব নিষিদ্ধের বিল পাস পর্তুগালে

  • ডিজিটাল ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১১:২৭:৪৯ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৫
  • ১৫০ বার পড়া হয়েছে

পর্তুগালে অধিকাংশ উন্মুক্ত স্থান বা জনসমক্ষে ‘লিঙ্গভিত্তিক ও ধর্মীয় উদ্দেশ্যে’ নিকাব পরা নিষিদ্ধ করতে পার্লামেন্টে একটি বিল পাস হয়েছে। অতি দক্ষিণপন্থী চেগা পার্টি এই বিলটি উত্থাপন করেছিল, যা মূলত মুসলিম নারীদের বোরকা ও নিকাবের ব্যবহার লক্ষ্য করে পার্লামেন্টে তোলা হয়েছিল।

শুক্রবার (১৭ অক্টোবর) পাস হওয়া বিলটিতে জনসমক্ষে নিকাব পরলে ২০০ থেকে ৪ হাজার ইউরো জরিমানা করার প্রস্তাব করা হয়েছে। সেইসঙ্গে কাউকে নিকাব পরতে বাধ্য করলে সর্বোচ্চ তিন বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড হতে পারে। তবে এই নিষেধাজ্ঞার আওতার বাইরে থাকবে উড়োজাহাজ, কূটনৈতিক প্রাঙ্গণ ও উপাসনালয়গুলো।

অন্যদিকে, পার্লামেন্টে ভোটাভুটির আগে ক্ষমতাসীন সোশ্যাল ডেমোক্রেটিক পার্টির আইনপ্রণেতা আন্দ্রেয়া নেটো বলেন, এটি নারী ও পুরুষের সমতা নিয়ে বিতর্ক এবং কোনো নারীকে তার মুখ ঢেকে রাখতে বাধ্য করা উচিত নয়। পার্লামেন্টের অধিবেশনে বামপন্থী দলগুলোর কয়েকজন নারী আইনপ্রণেতা বিলটির বিরোধিতা করলেও মধ্যদক্ষিণপন্থী জোটের সমর্থনে বিলটি শেষ পর্যন্ত পাস হয়। স্থানীয় সংবাদমাধ্যমগুলো জানিয়েছে, পার্লামেন্টে ১০টি রাজনৈতিক দলের মধ্যে দুটি দল—পিপল-অ্যানিমেলস-নেচার পার্টি ও টুগেদার ফর দ্য পিপল পার্টি—ভোট দেওয়া থেকে বিরত ছিল, যাদের মতে এই প্রস্তাব বৈষম্য উসকে দিয়েছে।পর্তুগালের স্থানীয় সংবাদমাধ্যমগুলো জানিয়েছে, বিলটি এখন সাংবিধানিক বিষয়–সম্পর্কিত আইন পর্যালোচনার দায়িত্বে থাকা সংসদীয় কমিটিতে আলোচনা হবে। বিলটি শেষ পর্যন্ত আইনে পরিণত হলে, পর্তুগালের প্রেসিডেন্ট মার্সেলো রেবেলো ডি সুজা বিলটিতে ভেটো দিতে পারেন কিংবা আরও যাচাই-বাছাইয়ের জন্য সাংবিধানিক আদালতে পাঠাতে পারেন।

বিলটি আইনে পরিণত হলে পর্তুগালও ইউরোপের সেসব দেশের তালিকায় নাম লেখাবে, যারা জনসমক্ষে নিকাব পরার বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছে। বর্তমানে ইউরোপের দেশগুলোর মধ্যে ফ্রান্স, অস্ট্রিয়া, বেলজিয়াম ও নেদারল্যান্ডসে উন্মুক্ত স্থানে নিকাব পরা আংশিক বা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ।

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

জ্বালানি খাতে বিনিয়োগ করতে চায় যুক্তরাজ্য জানিয়েছেন মীর শাহে আলম

জনসমক্ষে নিকাব নিষিদ্ধের বিল পাস পর্তুগালে

আপডেট সময় ১১:২৭:৪৯ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৫

পর্তুগালে অধিকাংশ উন্মুক্ত স্থান বা জনসমক্ষে ‘লিঙ্গভিত্তিক ও ধর্মীয় উদ্দেশ্যে’ নিকাব পরা নিষিদ্ধ করতে পার্লামেন্টে একটি বিল পাস হয়েছে। অতি দক্ষিণপন্থী চেগা পার্টি এই বিলটি উত্থাপন করেছিল, যা মূলত মুসলিম নারীদের বোরকা ও নিকাবের ব্যবহার লক্ষ্য করে পার্লামেন্টে তোলা হয়েছিল।

শুক্রবার (১৭ অক্টোবর) পাস হওয়া বিলটিতে জনসমক্ষে নিকাব পরলে ২০০ থেকে ৪ হাজার ইউরো জরিমানা করার প্রস্তাব করা হয়েছে। সেইসঙ্গে কাউকে নিকাব পরতে বাধ্য করলে সর্বোচ্চ তিন বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড হতে পারে। তবে এই নিষেধাজ্ঞার আওতার বাইরে থাকবে উড়োজাহাজ, কূটনৈতিক প্রাঙ্গণ ও উপাসনালয়গুলো।

অন্যদিকে, পার্লামেন্টে ভোটাভুটির আগে ক্ষমতাসীন সোশ্যাল ডেমোক্রেটিক পার্টির আইনপ্রণেতা আন্দ্রেয়া নেটো বলেন, এটি নারী ও পুরুষের সমতা নিয়ে বিতর্ক এবং কোনো নারীকে তার মুখ ঢেকে রাখতে বাধ্য করা উচিত নয়। পার্লামেন্টের অধিবেশনে বামপন্থী দলগুলোর কয়েকজন নারী আইনপ্রণেতা বিলটির বিরোধিতা করলেও মধ্যদক্ষিণপন্থী জোটের সমর্থনে বিলটি শেষ পর্যন্ত পাস হয়। স্থানীয় সংবাদমাধ্যমগুলো জানিয়েছে, পার্লামেন্টে ১০টি রাজনৈতিক দলের মধ্যে দুটি দল—পিপল-অ্যানিমেলস-নেচার পার্টি ও টুগেদার ফর দ্য পিপল পার্টি—ভোট দেওয়া থেকে বিরত ছিল, যাদের মতে এই প্রস্তাব বৈষম্য উসকে দিয়েছে।পর্তুগালের স্থানীয় সংবাদমাধ্যমগুলো জানিয়েছে, বিলটি এখন সাংবিধানিক বিষয়–সম্পর্কিত আইন পর্যালোচনার দায়িত্বে থাকা সংসদীয় কমিটিতে আলোচনা হবে। বিলটি শেষ পর্যন্ত আইনে পরিণত হলে, পর্তুগালের প্রেসিডেন্ট মার্সেলো রেবেলো ডি সুজা বিলটিতে ভেটো দিতে পারেন কিংবা আরও যাচাই-বাছাইয়ের জন্য সাংবিধানিক আদালতে পাঠাতে পারেন।

বিলটি আইনে পরিণত হলে পর্তুগালও ইউরোপের সেসব দেশের তালিকায় নাম লেখাবে, যারা জনসমক্ষে নিকাব পরার বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছে। বর্তমানে ইউরোপের দেশগুলোর মধ্যে ফ্রান্স, অস্ট্রিয়া, বেলজিয়াম ও নেদারল্যান্ডসে উন্মুক্ত স্থানে নিকাব পরা আংশিক বা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ।