ময়মনসিংহ , মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬, ৮ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
জ্বালানি দামের সঙ্গে সমন্বয় করে পরিবহন ভাড়া নির্ধারণ হবে জানিয়েছেন ডা. জাহেদ আদালতে হাজির না হওয়ায় মুফতি আমির হামজার বিরুদ্ধে পরোয়ানা তৌকীর আমার জীবনের ‘প্রথম ভিলেন’ জানিয়েছেন আবুল হায়াত ​বাংলাদেশ থেকে কর্মী নিতে পর্তুগালের প্রতি আহ্বান প্রশাসনহীন নালিতাবাড়ী: থেমে ছে উন্নয়ন : বেড়েছে ভোগান্তি ” ট্রাম্পের আক্রমণাত্মক বক্তব্যে পাকিস্তানের তীব্র প্রতিবাদ ও সতর্কতা পূর্বধলায় মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসারের বিরুদ্ধে দায়িত্ব অবহেলার অভিযোগ, কারণ দর্শানোর নোটিশ দেশজুড়ে শুরু হলো এসএসসি ও সমমান পরীক্ষা ত্রয়োদশ সংরক্ষিত নারী আসনে ৩৬ জন প্রার্থীর নাম ঘোষণা করেছে বিএনপি গোপালগঞ্জের উলপুরে পাকা ধানের জমি কেটে পুকুর খননের অভিযোগ
নোটিশ :
প্রতিটি জেলা- উপজেলায় একজন করে ভিডিও প্রতিনিধি আবশ্যক। যোগাযোগঃ- Email- matiomanuss@gmail.com. Mobile No- 017-11684104, 013-03300539.

ট্রাম্পের আক্রমণাত্মক বক্তব্যে পাকিস্তানের তীব্র প্রতিবাদ ও সতর্কতা

  • ডিজিটাল ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১০:৪৬:৩৭ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬
  • ১৭ বার পড়া হয়েছে

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে চলমান উত্তেজনা নিরসনে মধ্যস্থতাকারী হিসেবে পাকিস্তান মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে তার জনসভার কড়া ভাষা ও আক্রমণাত্মক বক্তব্য কমিয়ে আনার জন্য বিশেষভাবে অনুরোধ জানিয়েছে। 

আজ মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) দ্য ওয়াশিংটন পোস্টের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইসলামাবাদ সরাসরি ওয়াশিংটনের কাছে বার্তা পাঠিয়ে ট্রাম্পকে জনসমক্ষে কঠোর ভাষা প্রয়োগ থেকে বিরত থাকতে সতর্ক করেছে। পাকিস্তানের আশঙ্কা, ট্রাম্পের এ ধরনের উসকানিমূলক মন্তব্য আগামীতে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া উচ্চপর্যায়ের শান্তি আলোচনার সুষ্ঠু পরিবেশকে বিঘ্নিত করতে পারে।

ওই কর্মকর্তা আরও জানান, পাকিস্তান আগামী বুধ বা বৃহস্পতিবারের মধ্যে ইরানি প্রতিনিধি দলের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার জন্য জোর তৎপরতা চালাচ্ছে। বর্তমান যুদ্ধবিরতির সময়সীমা শেষ হওয়ার আগেই তেহরান ও ওয়াশিংটনের মধ্যে একটি কার্যকরী সংলাপ শুরু করতে ইসলামাবাদ সক্রিয়ভাবে কাজ করে যাচ্ছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

এ কারণেই ইসলামাবাদ অত্যন্ত বিচক্ষণতার সঙ্গে হোয়াইট হাউসকে শান্তি আলোচনার স্বার্থে সংযত থাকার পরামর্শ দিয়েছে। পাকিস্তান মনে করে, মধ্যপ্রাচ্যে স্থায়ী স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনতে এই মুহূর্তে উসকানিমূলক বক্তব্যের চেয়ে কূটনৈতিক শিষ্টাচার অনেক বেশি প্রয়োজন।

উল্লেখ্য, গত কয়েক সপ্তাহ ধরে পাকিস্তান সরকার যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যকার সংঘাত নিরসনে একটি কেন্দ্রীয় ভূমিকা পালন করছে। ইসলামাবাদে পরবর্তী দফার আলোচনার জন্য ইতিমধ্যে নজিরবিহীন নিরাপত্তা ও প্রশাসনিক প্রস্তুতি গ্রহণ করা হয়েছে।

পাকিস্তানের এই মধ্যস্থতা যদি সফল হয়, তবে তা বৈশ্বিক রাজনীতির ইতিহাসে একটি বড় অর্জন হিসেবে বিবেচিত হবে। তবে সব কিছুই এখন নির্ভর করছে দুই দেশের প্রতিনিধিদের নমনীয়তা এবং ট্রাম্প প্রশাসনের ধৈর্যশীল আচরণের ওপর।

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

জ্বালানি দামের সঙ্গে সমন্বয় করে পরিবহন ভাড়া নির্ধারণ হবে জানিয়েছেন ডা. জাহেদ

ট্রাম্পের আক্রমণাত্মক বক্তব্যে পাকিস্তানের তীব্র প্রতিবাদ ও সতর্কতা

আপডেট সময় ১০:৪৬:৩৭ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে চলমান উত্তেজনা নিরসনে মধ্যস্থতাকারী হিসেবে পাকিস্তান মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে তার জনসভার কড়া ভাষা ও আক্রমণাত্মক বক্তব্য কমিয়ে আনার জন্য বিশেষভাবে অনুরোধ জানিয়েছে। 

আজ মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) দ্য ওয়াশিংটন পোস্টের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইসলামাবাদ সরাসরি ওয়াশিংটনের কাছে বার্তা পাঠিয়ে ট্রাম্পকে জনসমক্ষে কঠোর ভাষা প্রয়োগ থেকে বিরত থাকতে সতর্ক করেছে। পাকিস্তানের আশঙ্কা, ট্রাম্পের এ ধরনের উসকানিমূলক মন্তব্য আগামীতে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া উচ্চপর্যায়ের শান্তি আলোচনার সুষ্ঠু পরিবেশকে বিঘ্নিত করতে পারে।

ওই কর্মকর্তা আরও জানান, পাকিস্তান আগামী বুধ বা বৃহস্পতিবারের মধ্যে ইরানি প্রতিনিধি দলের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার জন্য জোর তৎপরতা চালাচ্ছে। বর্তমান যুদ্ধবিরতির সময়সীমা শেষ হওয়ার আগেই তেহরান ও ওয়াশিংটনের মধ্যে একটি কার্যকরী সংলাপ শুরু করতে ইসলামাবাদ সক্রিয়ভাবে কাজ করে যাচ্ছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

এ কারণেই ইসলামাবাদ অত্যন্ত বিচক্ষণতার সঙ্গে হোয়াইট হাউসকে শান্তি আলোচনার স্বার্থে সংযত থাকার পরামর্শ দিয়েছে। পাকিস্তান মনে করে, মধ্যপ্রাচ্যে স্থায়ী স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনতে এই মুহূর্তে উসকানিমূলক বক্তব্যের চেয়ে কূটনৈতিক শিষ্টাচার অনেক বেশি প্রয়োজন।

উল্লেখ্য, গত কয়েক সপ্তাহ ধরে পাকিস্তান সরকার যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যকার সংঘাত নিরসনে একটি কেন্দ্রীয় ভূমিকা পালন করছে। ইসলামাবাদে পরবর্তী দফার আলোচনার জন্য ইতিমধ্যে নজিরবিহীন নিরাপত্তা ও প্রশাসনিক প্রস্তুতি গ্রহণ করা হয়েছে।

পাকিস্তানের এই মধ্যস্থতা যদি সফল হয়, তবে তা বৈশ্বিক রাজনীতির ইতিহাসে একটি বড় অর্জন হিসেবে বিবেচিত হবে। তবে সব কিছুই এখন নির্ভর করছে দুই দেশের প্রতিনিধিদের নমনীয়তা এবং ট্রাম্প প্রশাসনের ধৈর্যশীল আচরণের ওপর।