ময়মনসিংহ , শনিবার, ২৩ মে ২০২৬, ৯ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
ময়মনসিংহের পথে প্রধানমন্ত্রী তৃতীয়বারের মতো চলতি মাসে জ্বালানি তেলের দাম বাড়াল ভারত চট্টগ্রামে একদিনের ব্যবধানে আবারও দুই শিশুকে ধর্ষণ চেষ্টা আজই শেষ সুযোগ: বিদ্যুৎ বিল না দিলেই গুনতে হবে জরিমানা দুপুরের মধ্যে ৯ অঞ্চলে বজ্রসহ ঝড়ের পূর্বাভাস ​আশরাফুলের ঘরে নতুন অতিথি, তৃতীয়বারের মতো বাবা হলেন ক্রিকেটার কোটি টাকা আত্মসাৎ: নেত্রকোণায় ‘পল্লী বন্ধু’ এনজিওর অফিস ঘেরাও, গ্রেফতার ২ ​ট্রেনে ফিরতি যাত্রা: আজ বিক্রি হচ্ছে ২ জুনের অগ্রিম টিকিট আজ ময়মনসিংহ আসছেন প্রধানমন্ত্রী: নজরুলের জন্মজয়ন্তী ও খাল পুনঃখনন প্রকল্পের উদ্বোধন করবেন ৪৭ বছর পর পুনঃখনন: প্রধানমন্ত্রীর হাত ধরে নতুন রূপ পাবে বাবার খনন করা ঐতিহাসিক খাল
নোটিশ :
প্রতিটি জেলা- উপজেলায় একজন করে ভিডিও প্রতিনিধি আবশ্যক। যোগাযোগঃ- Email- matiomanuss@gmail.com. Mobile No- 017-11684104, 013-03300539.

তৃতীয়বারের মতো চলতি মাসে জ্বালানি তেলের দাম বাড়াল ভারত

ইরান যুদ্ধের কারণে আন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত জ্বালানি তেলের দাম বেড়ে যাওয়ায় চলতি মাসে তৃতীয়বারের মতো পেট্রোল ও ডিজেলের দাম বাড়িয়েছে ভারতের রাষ্ট্রায়ত্ত তেল বিপণন কোম্পানিগুলো। খবর রয়টার্স-এর। 

আজ শনিবার (২৩ মে) জ্বালানি তেলের এই নতুন দাম কার্যকর করার তথ্য জানিয়েছেন বিক্রেতারা।

নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, রাজধানী নয়াদিল্লিতে প্রতি লিটার পেট্রোলের দাম ৮৭ পয়সা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৯৯.৫১ রূপি। অন্যদিকে, প্রতি লিটার ডিজেলে ৯১ পয়সা বাড়িয়ে নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ৯২.৪৯ রূপি।

চলতি মাসে তিন দফা মূল্যবৃদ্ধির ফলে ভারতে জ্বালানির দাম মোট প্রায় ৫ রুপি বেড়েছে। গত ১৫ মে ঘোষিত মূল্যবৃদ্ধি ছিল চার বছরের মধ্যে ভারতের প্রথম জ্বালানি মূল্য সমন্বয়।

রাষ্ট্রায়ত্ত তেল কোম্পানিগুলো একবারে দাম না বাড়িয়ে ধাপে ধাপে খুচরা মূল্য বাড়াচ্ছে। ২০২২ সালের এপ্রিল মাসে উত্তর প্রদেশসহ বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচন শেষ হওয়ার পরপরই ঠিক একইভাবে তেলের দাম বাড়িয়েছিল কোম্পানিগুলো।

ভারতের প্রধান বিরোধী দলগুলোর অভিযোগ, সম্প্রতি শেষ হওয়া কয়েকটি রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচনে ভোটারদের মন জয় করতে এবং রাজনৈতিক ফায়দা লুটতেই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সরকার এতদিন তেলের দাম বাড়াতে দেয়নি এবং নির্বাচন শেষ হতেই সাধারণ মানুষের পকেট কাটছে।

এদিকে ‘ভারত পেট্রোলিয়াম’-এর চেয়ারম্যান জানিয়েছেন, বর্তমান বর্ধিত মূল্যের পরও তাদের প্রতি লিটার ডিজেলে ২৫ থেকে ৩০ রূপি এবং প্রতি লিটার পেট্রোলে ১০ থেকে ১৪ রূপি পর্যন্ত রাজস্ব ঘাটতি বা লোকসান গুনতে হচ্ছে।

ভারতের তেল মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, তেল শোধনাগারগুলোকে সচল রাখতে সরকারের পক্ষ থেকে কোনো ধরনের আর্থিক প্রণোদনা বা ভর্তুকি দেওয়ার পরিকল্পনা নেই।

উল্লেখ্য, ভারত পেট্রোলিয়াম, ইন্ডিয়ান অয়েল কর্পোরেশন এবং হিন্দুস্তান পেট্রোলিয়াম— এই তিনটি রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থাই যৌথভাবে ভারতের ১ লক্ষ ৩ হাজার জ্বালানি স্টেশনের ৯০ শতাংশের বেশি নিয়ন্ত্রণ করে এবং সাধারণত তারা একযোগেই তেলের দাম নির্ধারণ করে থাকে।

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ময়মনসিংহের পথে প্রধানমন্ত্রী

তৃতীয়বারের মতো চলতি মাসে জ্বালানি তেলের দাম বাড়াল ভারত

আপডেট সময় ১১:৪৪:১৭ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৩ মে ২০২৬

ইরান যুদ্ধের কারণে আন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত জ্বালানি তেলের দাম বেড়ে যাওয়ায় চলতি মাসে তৃতীয়বারের মতো পেট্রোল ও ডিজেলের দাম বাড়িয়েছে ভারতের রাষ্ট্রায়ত্ত তেল বিপণন কোম্পানিগুলো। খবর রয়টার্স-এর। 

আজ শনিবার (২৩ মে) জ্বালানি তেলের এই নতুন দাম কার্যকর করার তথ্য জানিয়েছেন বিক্রেতারা।

নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, রাজধানী নয়াদিল্লিতে প্রতি লিটার পেট্রোলের দাম ৮৭ পয়সা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৯৯.৫১ রূপি। অন্যদিকে, প্রতি লিটার ডিজেলে ৯১ পয়সা বাড়িয়ে নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ৯২.৪৯ রূপি।

চলতি মাসে তিন দফা মূল্যবৃদ্ধির ফলে ভারতে জ্বালানির দাম মোট প্রায় ৫ রুপি বেড়েছে। গত ১৫ মে ঘোষিত মূল্যবৃদ্ধি ছিল চার বছরের মধ্যে ভারতের প্রথম জ্বালানি মূল্য সমন্বয়।

রাষ্ট্রায়ত্ত তেল কোম্পানিগুলো একবারে দাম না বাড়িয়ে ধাপে ধাপে খুচরা মূল্য বাড়াচ্ছে। ২০২২ সালের এপ্রিল মাসে উত্তর প্রদেশসহ বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচন শেষ হওয়ার পরপরই ঠিক একইভাবে তেলের দাম বাড়িয়েছিল কোম্পানিগুলো।

ভারতের প্রধান বিরোধী দলগুলোর অভিযোগ, সম্প্রতি শেষ হওয়া কয়েকটি রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচনে ভোটারদের মন জয় করতে এবং রাজনৈতিক ফায়দা লুটতেই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সরকার এতদিন তেলের দাম বাড়াতে দেয়নি এবং নির্বাচন শেষ হতেই সাধারণ মানুষের পকেট কাটছে।

এদিকে ‘ভারত পেট্রোলিয়াম’-এর চেয়ারম্যান জানিয়েছেন, বর্তমান বর্ধিত মূল্যের পরও তাদের প্রতি লিটার ডিজেলে ২৫ থেকে ৩০ রূপি এবং প্রতি লিটার পেট্রোলে ১০ থেকে ১৪ রূপি পর্যন্ত রাজস্ব ঘাটতি বা লোকসান গুনতে হচ্ছে।

ভারতের তেল মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, তেল শোধনাগারগুলোকে সচল রাখতে সরকারের পক্ষ থেকে কোনো ধরনের আর্থিক প্রণোদনা বা ভর্তুকি দেওয়ার পরিকল্পনা নেই।

উল্লেখ্য, ভারত পেট্রোলিয়াম, ইন্ডিয়ান অয়েল কর্পোরেশন এবং হিন্দুস্তান পেট্রোলিয়াম— এই তিনটি রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থাই যৌথভাবে ভারতের ১ লক্ষ ৩ হাজার জ্বালানি স্টেশনের ৯০ শতাংশের বেশি নিয়ন্ত্রণ করে এবং সাধারণত তারা একযোগেই তেলের দাম নির্ধারণ করে থাকে।