তিনি বলেন, এখানে খেলোয়াড়রা তাদের যোগ্যতার ভিত্তিতেই সামনে এগিয়ে যাবে। এটি প্রধানমন্ত্রী ও ক্রীড়ামন্ত্রী ইতোমধ্যে নিশ্চিত করেছেন। আমাদের পরিকল্পনা অনুযায়ী প্রতিটি গ্রাম ও ইউনিয়নের ছেলে-মেয়েরা কোনো না কোনোভাবে নতুন কুঁড়ির সঙ্গে যুক্ত হতে পারবে।
মন্ত্রী বলেন, নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস আমাদের নির্বাচনী ইশতেহারের একটি অংশ। এর উদ্দেশ্য তরুণ প্রজন্মকে শুধু লেখাপড়ায় নয়, শারীরিক, মানসিক ও মনস্তাত্ত্বিক বিকাশের মাধ্যমে উপযুক্ত নাগরিক হিসেবে গড়ে তোলা। এর মাধ্যমে নিজেদের সমৃদ্ধ করে দেশের কাজে নিয়োজিত হওয়ার পাশাপাশি সামাজিক চেতনা অর্জন করতে পারবে।
ফেনীর নানা উন্নয়ন পরিকল্পনা তুলে ধরে তিনি বলেন, ফেনীতে আন্তর্জাতিক মানের স্টেডিয়াম, মেডিকেল কলেজসহ বিভিন্ন উন্নয়ন হবে। এতে কিছুটা সময় লাগবে। ফেনীকে সামনের দিকে এগিয়ে নেওয়ার জন্য জেলার তিনজন সংসদ সদস্য একসঙ্গে কাজ করছফেনীর বন্যা পরিস্থিতি নিয়ে এক প্রশ্নের জবাবে আবদুল আউয়াল মিন্টু বলেন, পরশুরামের বন্যার বিষয়টি ভিন্ন, এটি মূলত উজানের পানির কারণে হয়ে থাকে। অন্যদিকে সোনাগাজীতে সুইসগেট বা রেগুলেটর ভেঙে যাওয়ায় বারবার বন্যা হচ্ছে। ইতোমধ্যে কিছু কাজ শুরু হয়েছে। আশা করছি গত বছরের তুলনায় এবার ভাঙন কম হবে। রেগুলেটর ঠিক হলে আগামী বছর ভাঙন পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আসবে। এটি রাতারাতি সমাধানের বিষয় নয়।
বিএনপির এই ভাইস চেয়ারম্যান আরও বলেন, আমাদের কাজ আইনশৃঙ্খলার উন্নয়ন করা। কোনো অঘটন ঘটলে আমরাও বিব্রত হই এবং দ্রুত ব্যবস্থা নিতে চাই। সম্প্রতি ফেনীর অন্তত ১০টি ঘটনায় আমি নিজে অনুসন্ধান করে দেখেছি, অধিকাংশই পারিবারিক বিরোধ থেকে সৃষ্টি। আমরা আইনশৃঙ্খলা উন্নয়নে কাজ করছি। সামাজিক শৃঙ্খলা নিশ্চিত না হলে আইনশৃঙ্খলা ভালো রাখা কঠিন।
‘ক্রীড়া হলে পেশা, পরিবার পাবে ভরসা’ স্লোগানে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন ফেনী-২ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক জয়নাল আবেদীন, ফেনী-১ আসনের সংসদ সদস্য মুন্সি রফিকুল আলম মজনু।
ফেনীর অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (মানব সম্পদ ও উন্নয়ন) ফাহমিদা হকের সভাপতিত্বে এ সময় জেলা পরিষদের প্রশাসক অধ্যাপক আবদুল খালেক, ফেনী পৌরসভার প্রশাসক রোমেন শর্মা, জেলা বিএনপির আহ্বায়ক শেখ ফরিদ বাহার, সদস্য সচিব আলাল উদ্দিন আলালসহ প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

ডিজিটাল রিপোর্ট 


















