ময়মনসিংহ , বুধবার, ১০ জুন ২০২৬, ২৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
পরীক্ষায় স্বচ্ছতা ফেরাতে উদ্যোগ: আলিমের সব কেন্দ্রে সিসি ক্যামেরা বাধ্যতামূলক জুলাই থেকেই কার্যকর হতে যাচ্ছে নবম পে-স্কেল! প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে চলছে একনেক সভা: অনুমোদনের অপেক্ষায় ৮,১০৬ কোটি টাকার ১২ প্রকল্প বাংলাদেশী শান্তিরক্ষীরা জীবনের ঝুঁকি নিয়ে কাজ করে যাচ্ছেন বলেছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী কর্মবিরতি শেষে কাজে যোগ দিচ্ছেন ইন্টার্ন চিকিৎসকরা দুই পয়েন্ট থেকে ২১ বাংলাদেশিকে ফেরত দিল বিএসএফ পূর্বধলায় ৪৫০ পিস ইয়াবাসহ মাদক কারবারি গ্রেফতার ​টাইগারদের বড় পরীক্ষা: আজ অস্ট্রেলিয়ার মুখোমুখি বাংলাদেশ সাময়িক যুদ্ধবিরতি: ইসরায়েলের সঙ্গে হামলা বন্ধে একমত ইরান ভয়াবহ কম্পন ইরানে: আঘাত হানল ৫ মাত্রার ভূমিকম্প
নোটিশ :
প্রতিটি জেলা- উপজেলায় একজন করে ভিডিও প্রতিনিধি আবশ্যক। যোগাযোগঃ- Email- matiomanuss@gmail.com. Mobile No- 017-11684104, 013-03300539.

পশ্চিম পাকিস্তান পূর্ব পাকিস্তানের জনগণের সঙ্গে ইনসাফপূর্ণ আচরণ করেননি বলেছেন জামায়াত আমির

  • ডিজিটাল ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৯:০৮:১২ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ জানুয়ারী ২০২৬
  • ১০১ বার পড়া হয়েছে

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, ‘২৩ বছর পাকিস্তানের একটি প্রদেশ হিসেবে আমরা একসঙ্গে চলেছি। সে সময়টা যারা পশ্চিম পাকিস্তানের ছিলেন, তারা পূর্ব পাকিস্তানের জনগণের সঙ্গে ইনসাফ পূর্ণ আচরণ করেননি। এই ডেসপারেটির বিরুদ্ধেরই একটা নিরব দ্রোহ ছিল সত্তরের নির্বাচন। পরবর্তীতে এ নির্বাচনের হাত ধরেই আমাদের মুক্তিযুদ্ধ, অসংখ্য জীবনদান, বিপুল ক্ষয়ক্ষতির মধ্য দিয়ে পুনরায় দ্বিতীয় স্বাধীনতা বাংলাদেশের জন্ম।’

গত সোমবার (১২ জানুয়ারি) রাতে রাজধানীর চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে সশস্ত্র বাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে ডা. শফিকুর রহমান এসব কথা বলেন।

জামায়াত আমির আরও বলেন, ১৯৭১ সালের স্বাধীনতার সংগ্রামের পেছনে কোনো এক ব্যক্তিকে মাস্টারমাইন্ড হিসেবে ধরা উচিত নয়। বরং পুরো জাতি, বিপ্লবী জনগণই ইতিহাসে মাস্টারমাইন্ড। তিনি বলেন, “আজ পর্যন্ত আমরা এ পরিবর্তন, বিপ্লব, গণঅভ্যুত্থান যে ভাষায় বলি, তার কোনো ক্রেডিট দল হিসেবে দাবি করি না। এখানে বাংলাদেশের বিপ্লবী জনগণ, সবাইমিলে আমরা মাস্টারমাইন্ড।”

ডা. শফিকুর রহমান উল্লেখ করেন, ইতিহাস থেকে শিক্ষা নিয়ে বর্তমানে এবং ভবিষ্যতে রাজনীতিতে ন্যায়বিচার, জবাবদিহি এবং পারস্পরিক আস্থা নিশ্চিত করতে হবে। তিনি বলেন, “১৯০ বছরের শোষণমূলক দাসত্বের জিঞ্জির ছিঁড়ে উপমহাদেশ স্বাধীনতা লাভ করেছে। পূর্ব পাকিস্তানের জনগণের সঙ্গে পশ্চিম পাকিস্তানের শাসকরা কখনোই ন্যায্য আচরণ করেননি। সেই অন্যায়ের বিরুদ্ধে জনগণের নীরব প্রতিরোধই স্বাধীনতার প্রথম ধাপ। পরে, সত্তরের নির্বাচন ও মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে জন্ম নেয় স্বাধীন বাংলাদেশ।”

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

পরীক্ষায় স্বচ্ছতা ফেরাতে উদ্যোগ: আলিমের সব কেন্দ্রে সিসি ক্যামেরা বাধ্যতামূলক

পশ্চিম পাকিস্তান পূর্ব পাকিস্তানের জনগণের সঙ্গে ইনসাফপূর্ণ আচরণ করেননি বলেছেন জামায়াত আমির

আপডেট সময় ০৯:০৮:১২ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ জানুয়ারী ২০২৬

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, ‘২৩ বছর পাকিস্তানের একটি প্রদেশ হিসেবে আমরা একসঙ্গে চলেছি। সে সময়টা যারা পশ্চিম পাকিস্তানের ছিলেন, তারা পূর্ব পাকিস্তানের জনগণের সঙ্গে ইনসাফ পূর্ণ আচরণ করেননি। এই ডেসপারেটির বিরুদ্ধেরই একটা নিরব দ্রোহ ছিল সত্তরের নির্বাচন। পরবর্তীতে এ নির্বাচনের হাত ধরেই আমাদের মুক্তিযুদ্ধ, অসংখ্য জীবনদান, বিপুল ক্ষয়ক্ষতির মধ্য দিয়ে পুনরায় দ্বিতীয় স্বাধীনতা বাংলাদেশের জন্ম।’

গত সোমবার (১২ জানুয়ারি) রাতে রাজধানীর চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে সশস্ত্র বাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে ডা. শফিকুর রহমান এসব কথা বলেন।

জামায়াত আমির আরও বলেন, ১৯৭১ সালের স্বাধীনতার সংগ্রামের পেছনে কোনো এক ব্যক্তিকে মাস্টারমাইন্ড হিসেবে ধরা উচিত নয়। বরং পুরো জাতি, বিপ্লবী জনগণই ইতিহাসে মাস্টারমাইন্ড। তিনি বলেন, “আজ পর্যন্ত আমরা এ পরিবর্তন, বিপ্লব, গণঅভ্যুত্থান যে ভাষায় বলি, তার কোনো ক্রেডিট দল হিসেবে দাবি করি না। এখানে বাংলাদেশের বিপ্লবী জনগণ, সবাইমিলে আমরা মাস্টারমাইন্ড।”

ডা. শফিকুর রহমান উল্লেখ করেন, ইতিহাস থেকে শিক্ষা নিয়ে বর্তমানে এবং ভবিষ্যতে রাজনীতিতে ন্যায়বিচার, জবাবদিহি এবং পারস্পরিক আস্থা নিশ্চিত করতে হবে। তিনি বলেন, “১৯০ বছরের শোষণমূলক দাসত্বের জিঞ্জির ছিঁড়ে উপমহাদেশ স্বাধীনতা লাভ করেছে। পূর্ব পাকিস্তানের জনগণের সঙ্গে পশ্চিম পাকিস্তানের শাসকরা কখনোই ন্যায্য আচরণ করেননি। সেই অন্যায়ের বিরুদ্ধে জনগণের নীরব প্রতিরোধই স্বাধীনতার প্রথম ধাপ। পরে, সত্তরের নির্বাচন ও মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে জন্ম নেয় স্বাধীন বাংলাদেশ।”