ময়মনসিংহ , বুধবার, ১৫ এপ্রিল ২০২৬, ২ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
নানক ও তাপসের বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধে অভিযোগ গঠনের শুনানি আজ এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের জন্য দারুণ সুযোগ: নৌবাহিনীতে যোগ দেওয়ার আহ্বান ১৬ বছরের দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান: আজ শুরু হচ্ছে প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষা গৌরীপুর মহিলা কলেজের উদ্যোগে বর্নিল আয়োজনে নববর্ষ উদযাপন  মাহমুদা আক্তার জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনে বিএনপি ‘র আলোচিত মুখ পূর্বধলায় বর্ণাঢ্য আয়োজন উপজেলা প্রশাসনের বর্ষবরণ দুদেশের মধ্যে পারস্পরিক বোঝাপড়া ও আস্থার সম্পর্ক শক্তিশালী বলেছেন প্রণয় ভার্মা পহেলা বৈশাখ: ঢাবিতে প্রবেশের ক্ষেত্রে ডিএমপি ও বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের জরুরি নির্দেশনা নববর্ষের আবাহন : ঐতিহ্যের পথ বেয়ে আধুনিকতার উৎসবে ভিসার বিষয়ে ভারতের সঙ্গে ইতিবাচক আলোচনা হয়েছে জানিয়েছেন হুমায়ুন কবির
নোটিশ :
প্রতিটি জেলা- উপজেলায় একজন করে ভিডিও প্রতিনিধি আবশ্যক। যোগাযোগঃ- Email- matiomanuss@gmail.com. Mobile No- 017-11684104, 013-03300539.

প্রচেষ্টা বৃথা যায়নি বরং সংসদে আমাদের উপস্থিতিকে প্রায় চারগুণ বৃদ্ধি করেছি বলেছেন জামায়াত আমির

  • ডিজিটাল ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৯:৪৭:২৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • ৫৯ বার পড়া হয়েছে

তিনি বলেছেন, শুরু থেকে আমরা একটি স্থিতিশীল ও কার্যকর গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার প্রতি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ ছিলাম। সেই প্রতিশ্রুতিতে এখনও অটল। আমরা সামগ্রিক ফলাফলকে স্বীকৃতি দিচ্ছি এবং আইনের শাসনের প্রতি শ্রদ্ধা জানাচ্ছি।

তিনি লিখেন, বিগত মাসগুলোতে যারা অক্লান্ত পরিশ্রম করেছেন, সেই অসংখ্য স্বেচ্ছাসেবক ও সমর্থকদের প্রতি আমি গভীর শ্রদ্ধা ও কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি। অনেকে নিজের সময়, শক্তি ও বিশ্বাস উৎসর্গ করেছেন। অনেকে গণতান্ত্রিক অধিকার প্রয়োগ করতে গিয়ে ভয়ভীতি ও হয়রানির শিকার হয়েছেন। আপনাদের এই সাহসিকতা আমাদের গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করেছে।

তিনি লিখেন, ইতিহাস আমাদের মনে করিয়ে দেয় যে রাজনীতির ভাগ্য পরিবর্তনশীল। ২০০৮ সালে বিএনপি মাত্র ৩০টি আসনে নেমে এসেছিল, যেখান থেকে দীর্ঘ ১৮ বছরের পথ পাড়ি দিয়ে ২০২৬ সালে তারা সরকার গঠন করেছে। গণতান্ত্রিক রাজনীতি একটি দীর্ঘ পথ। আমাদের পথ এখন পরিষ্কার— মানুষের আস্থা অর্জন করা, ক্ষমতাকে জবাবদিহির আওতায় আনা এবং দায়িত্বশীলভাবে ভবিষ্যতের জন্য প্রস্তুতি নেওয়া।

শফিকুর রহমান আরও লিখেন, যেকোনো প্রকৃত গণতান্ত্রিক অভিযাত্রায় নেতৃত্বের আসল পরীক্ষা শুধু নির্বাচনী প্রচারণায় নয়, বরং জনগণের রায়কে কীভাবে গ্রহণ করি তার ওপর নির্ভর করে। শুরু থেকেই আমরা একটি স্থিতিশীল ও কার্যকর গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার প্রতি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ ছিলাম, সেই প্রতিশ্রুতিতে এখনও অটল। আমরা সামগ্রিক ফলাফলকে স্বীকৃতি দিচ্ছি এবং আইনের শাসনের প্রতি শ্রদ্ধা জানাচ্ছি।

সবশেষে জামায়াত আমির লিখেন, আমাদের আন্দোলন কখনোই কেবল একটি নির্বাচনের জন্য ছিল না। এটি ছিল গণতান্ত্রিক সংস্কৃতিকে শক্তিশালী করা, নাগরিকদের অধিকার রক্ষা করা এবং একটি ন্যায়বিচারপূর্ণ ও জবাবদিহিমূলক রাষ্ট্র গড়ে তোলার জন্য। আমরা নীতিবান, দায়িত্বশীল এবং শান্তিপূর্ণ বিরোধী দল হিসেবে দায়িত্ব পালন করব; একই সঙ্গে সরকারের জবাবদিহি নিশ্চিত করে জাতীয় অগ্রগতিতে গঠনমূলক অবদান রাখব। নীতিভিত্তিক ও শান্তিপূর্ণ রাজনীতির প্রতি আমাদের অঙ্গীকার অবিচল থাকবে।

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

নানক ও তাপসের বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধে অভিযোগ গঠনের শুনানি আজ

প্রচেষ্টা বৃথা যায়নি বরং সংসদে আমাদের উপস্থিতিকে প্রায় চারগুণ বৃদ্ধি করেছি বলেছেন জামায়াত আমির

আপডেট সময় ০৯:৪৭:২৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

তিনি বলেছেন, শুরু থেকে আমরা একটি স্থিতিশীল ও কার্যকর গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার প্রতি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ ছিলাম। সেই প্রতিশ্রুতিতে এখনও অটল। আমরা সামগ্রিক ফলাফলকে স্বীকৃতি দিচ্ছি এবং আইনের শাসনের প্রতি শ্রদ্ধা জানাচ্ছি।

তিনি লিখেন, বিগত মাসগুলোতে যারা অক্লান্ত পরিশ্রম করেছেন, সেই অসংখ্য স্বেচ্ছাসেবক ও সমর্থকদের প্রতি আমি গভীর শ্রদ্ধা ও কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি। অনেকে নিজের সময়, শক্তি ও বিশ্বাস উৎসর্গ করেছেন। অনেকে গণতান্ত্রিক অধিকার প্রয়োগ করতে গিয়ে ভয়ভীতি ও হয়রানির শিকার হয়েছেন। আপনাদের এই সাহসিকতা আমাদের গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করেছে।

তিনি লিখেন, ইতিহাস আমাদের মনে করিয়ে দেয় যে রাজনীতির ভাগ্য পরিবর্তনশীল। ২০০৮ সালে বিএনপি মাত্র ৩০টি আসনে নেমে এসেছিল, যেখান থেকে দীর্ঘ ১৮ বছরের পথ পাড়ি দিয়ে ২০২৬ সালে তারা সরকার গঠন করেছে। গণতান্ত্রিক রাজনীতি একটি দীর্ঘ পথ। আমাদের পথ এখন পরিষ্কার— মানুষের আস্থা অর্জন করা, ক্ষমতাকে জবাবদিহির আওতায় আনা এবং দায়িত্বশীলভাবে ভবিষ্যতের জন্য প্রস্তুতি নেওয়া।

শফিকুর রহমান আরও লিখেন, যেকোনো প্রকৃত গণতান্ত্রিক অভিযাত্রায় নেতৃত্বের আসল পরীক্ষা শুধু নির্বাচনী প্রচারণায় নয়, বরং জনগণের রায়কে কীভাবে গ্রহণ করি তার ওপর নির্ভর করে। শুরু থেকেই আমরা একটি স্থিতিশীল ও কার্যকর গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার প্রতি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ ছিলাম, সেই প্রতিশ্রুতিতে এখনও অটল। আমরা সামগ্রিক ফলাফলকে স্বীকৃতি দিচ্ছি এবং আইনের শাসনের প্রতি শ্রদ্ধা জানাচ্ছি।

সবশেষে জামায়াত আমির লিখেন, আমাদের আন্দোলন কখনোই কেবল একটি নির্বাচনের জন্য ছিল না। এটি ছিল গণতান্ত্রিক সংস্কৃতিকে শক্তিশালী করা, নাগরিকদের অধিকার রক্ষা করা এবং একটি ন্যায়বিচারপূর্ণ ও জবাবদিহিমূলক রাষ্ট্র গড়ে তোলার জন্য। আমরা নীতিবান, দায়িত্বশীল এবং শান্তিপূর্ণ বিরোধী দল হিসেবে দায়িত্ব পালন করব; একই সঙ্গে সরকারের জবাবদিহি নিশ্চিত করে জাতীয় অগ্রগতিতে গঠনমূলক অবদান রাখব। নীতিভিত্তিক ও শান্তিপূর্ণ রাজনীতির প্রতি আমাদের অঙ্গীকার অবিচল থাকবে।