ময়মনসিংহ , বুধবার, ২২ এপ্রিল ২০২৬, ৮ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
নেত্রকোনার কলমাকান্দা ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদকের বিরুদ্ধে দলীয় ক্ষমতার অপব্যবহারের অভিযোগে পাবনা জেলার ফরিদপুর উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও সাব-রেজিস্ট্রার দুটি গুরুত্বপূর্ণ পদ শূন্য থাকায় ভূমি সেবা ব্যাহত শিক্ষামন্ত্রীর ঝটিকা অভিযান: না জানিয়েই কেন্দ্র পরিদর্শনে যাওয়ার ঘোষণা জ্বালানি দামের সঙ্গে সমন্বয় করে পরিবহন ভাড়া নির্ধারণ হবে জানিয়েছেন ডা. জাহেদ আদালতে হাজির না হওয়ায় মুফতি আমির হামজার বিরুদ্ধে পরোয়ানা তৌকীর আমার জীবনের ‘প্রথম ভিলেন’ জানিয়েছেন আবুল হায়াত ​বাংলাদেশ থেকে কর্মী নিতে পর্তুগালের প্রতি আহ্বান প্রশাসনহীন নালিতাবাড়ী: থেমে ছে উন্নয়ন : বেড়েছে ভোগান্তি ” ট্রাম্পের আক্রমণাত্মক বক্তব্যে পাকিস্তানের তীব্র প্রতিবাদ ও সতর্কতা পূর্বধলায় মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসারের বিরুদ্ধে দায়িত্ব অবহেলার অভিযোগ, কারণ দর্শানোর নোটিশ
নোটিশ :
প্রতিটি জেলা- উপজেলায় একজন করে ভিডিও প্রতিনিধি আবশ্যক। যোগাযোগঃ- Email- matiomanuss@gmail.com. Mobile No- 017-11684104, 013-03300539.

বেড়েছে মুরগির দাম,থার্টি ফার্স্টের প্রভাবে

পুরাতন বছরকে বিদায় ও নতুন বছরকে বরণ করে নিতে প্রস্তুত সবাই। চারদিকে এখন উৎসবের আমেজ। পাশাপাশি রয়েছে বিয়ে, জন্মদিনসহ নানা সামাজিক অনুষ্ঠানও। যার প্রভাব পড়েছে মুরগির বাজারে।

মঙ্গলবার (৩১ ডিসেম্বর) চলতি বছরের শেষ দিনে কেরানীগঞ্জের আগানগর, রাজধানীর নয়াবাজার ও কারওয়ান বাজারসহ বেশ কয়েকটি বাজার ঘুরে দেখা যায়, কেজিতে ১০ টাকা পর্যন্ত বেড়ে গেছে সোনালি ও ব্রয়লার মুরগির দাম। ঊর্ধ্বমুখী অন্যান্য মুরগির দামও।

বর্তমানে বাজারে প্রতি কেজি ব্রয়লার মুরগি ২১০ থেকে ২২০ টাকা ও সোনালি মুরগি বিক্রি হচ্ছে ৩৪০-৩৬০ টাকায়। এছাড়া, প্রতি কেজি দেশি মুরগি ৫৫০-৬০০ টাকা, সাদা লেয়ার ২৫০ টাকা ও লাল লেয়ার বিক্রি হচ্ছে ৩০০ টাকায়। আর জাতভেদে প্রতি পিস হাঁস বিক্রি হচ্ছে ৬০০-৬৫০ টাকায়।

বিক্রেতারা বলছেন, বিয়ে ও থার্টি ফার্স্ট নাইটকে কেন্দ্র করে কিছুটা চড়া মুরগির বাজার। রাজধানীর কারওয়ান বাজারে মুরগি ব্যবসায়ী দিদার বলেন, আজকে থার্টি ফার্স্ট নাইট হওয়ায় মুরগির চাহিদা বেড়েছে। এতে কেজিতে ১০ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে দাম।

এমনিতেই চড়া বাজার, তারওপর উৎসবকে কেন্দ্র করে কেজিতে আরও ১০ টাকা বাড়তি। এ যেন মরার ওপর খাড়ার ঘা ভোক্তাদের জন্য। সাগর নামে এক ক্রেতা বলেন, গত ১ মাস ধরেই চড়া মুরগির বাজার। এখন আবার নাকি থার্টি ফার্স্টের জন্য দাম বাড়ছে। এভাবে চললে সাধারণ মানুষ খাবে কীভাবে?

আরেক ক্রেতা হাসিব জানান, যার থেকে যেভাবে পারছে দাম নিচ্ছেন ব্যবসায়ীরা। অনেকেই বারবিকিউ করার জন্য মুরগি কিনতে আসছেন। সুযোগ বুঝে তাদের থেকে বাড়তি টাকা হাতিয়ে নিচ্ছেন ব্যবসায়ীরা।

মুরগির বাজারে অস্থিরতা চললেও অনেকটাই স্বাভাবিক রয়েছে ডিমের বাজার। প্রতি ডজন লাল ডিম ১৩৮-১৪০ টাকা ও সাদা ডিম বিক্রি হচ্ছে ১৩৫ টাকায়। আর প্রতি ডজন হাঁসের ডিম ২৩৫-২৪০ টাকা ও দেশি মুরগির ডিম ২২০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। আর বাজারে বর্তমানে প্রতি কেজি গরুর মাংস বিক্রি হচ্ছে ৭৫০-৮০০ টাকায়। এছাড়া প্রতি কেজি খাসির মাংস ১ হাজার ৫০ টাকা থেকে ১ হাজার ১০০ টাকা ও ছাগলের মাংস বিক্রি হচ্ছে ১ হাজার টাকায়।

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

নেত্রকোনার কলমাকান্দা ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদকের বিরুদ্ধে দলীয় ক্ষমতার অপব্যবহারের অভিযোগে

বেড়েছে মুরগির দাম,থার্টি ফার্স্টের প্রভাবে

আপডেট সময় ০১:৫৩:৫৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩১ ডিসেম্বর ২০২৪

পুরাতন বছরকে বিদায় ও নতুন বছরকে বরণ করে নিতে প্রস্তুত সবাই। চারদিকে এখন উৎসবের আমেজ। পাশাপাশি রয়েছে বিয়ে, জন্মদিনসহ নানা সামাজিক অনুষ্ঠানও। যার প্রভাব পড়েছে মুরগির বাজারে।

মঙ্গলবার (৩১ ডিসেম্বর) চলতি বছরের শেষ দিনে কেরানীগঞ্জের আগানগর, রাজধানীর নয়াবাজার ও কারওয়ান বাজারসহ বেশ কয়েকটি বাজার ঘুরে দেখা যায়, কেজিতে ১০ টাকা পর্যন্ত বেড়ে গেছে সোনালি ও ব্রয়লার মুরগির দাম। ঊর্ধ্বমুখী অন্যান্য মুরগির দামও।

বর্তমানে বাজারে প্রতি কেজি ব্রয়লার মুরগি ২১০ থেকে ২২০ টাকা ও সোনালি মুরগি বিক্রি হচ্ছে ৩৪০-৩৬০ টাকায়। এছাড়া, প্রতি কেজি দেশি মুরগি ৫৫০-৬০০ টাকা, সাদা লেয়ার ২৫০ টাকা ও লাল লেয়ার বিক্রি হচ্ছে ৩০০ টাকায়। আর জাতভেদে প্রতি পিস হাঁস বিক্রি হচ্ছে ৬০০-৬৫০ টাকায়।

বিক্রেতারা বলছেন, বিয়ে ও থার্টি ফার্স্ট নাইটকে কেন্দ্র করে কিছুটা চড়া মুরগির বাজার। রাজধানীর কারওয়ান বাজারে মুরগি ব্যবসায়ী দিদার বলেন, আজকে থার্টি ফার্স্ট নাইট হওয়ায় মুরগির চাহিদা বেড়েছে। এতে কেজিতে ১০ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে দাম।

এমনিতেই চড়া বাজার, তারওপর উৎসবকে কেন্দ্র করে কেজিতে আরও ১০ টাকা বাড়তি। এ যেন মরার ওপর খাড়ার ঘা ভোক্তাদের জন্য। সাগর নামে এক ক্রেতা বলেন, গত ১ মাস ধরেই চড়া মুরগির বাজার। এখন আবার নাকি থার্টি ফার্স্টের জন্য দাম বাড়ছে। এভাবে চললে সাধারণ মানুষ খাবে কীভাবে?

আরেক ক্রেতা হাসিব জানান, যার থেকে যেভাবে পারছে দাম নিচ্ছেন ব্যবসায়ীরা। অনেকেই বারবিকিউ করার জন্য মুরগি কিনতে আসছেন। সুযোগ বুঝে তাদের থেকে বাড়তি টাকা হাতিয়ে নিচ্ছেন ব্যবসায়ীরা।

মুরগির বাজারে অস্থিরতা চললেও অনেকটাই স্বাভাবিক রয়েছে ডিমের বাজার। প্রতি ডজন লাল ডিম ১৩৮-১৪০ টাকা ও সাদা ডিম বিক্রি হচ্ছে ১৩৫ টাকায়। আর প্রতি ডজন হাঁসের ডিম ২৩৫-২৪০ টাকা ও দেশি মুরগির ডিম ২২০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। আর বাজারে বর্তমানে প্রতি কেজি গরুর মাংস বিক্রি হচ্ছে ৭৫০-৮০০ টাকায়। এছাড়া প্রতি কেজি খাসির মাংস ১ হাজার ৫০ টাকা থেকে ১ হাজার ১০০ টাকা ও ছাগলের মাংস বিক্রি হচ্ছে ১ হাজার টাকায়।