ময়মনসিংহ , বৃহস্পতিবার, ০৯ এপ্রিল ২০২৬, ২৬ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
​আইনি সংস্কারের পথে বড় পদক্ষেপ: সংসদে পাস হলো অন্তর্বর্তী সরকারের ৫ বিল ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের সহ-সভাপতি তামিমকে অভিনন্দন জানালেন শিক্ষায় বরাদ্দ বাড়ছে, ৪৩টি ক্ষেত্র চিহ্নিত করে বাস্তবায়ন হচ্ছে পরিকল্পনা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী দেশের ২৮৪৭টি গ্রামে কোনো প্রাথমিক বিদ্যালয় নেই জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী সংসদে স্বাস্থ্যমন্ত্রী: ৩ মে নয়, সারাদেশে হামের টিকা শুরু ২০ এপ্রিল ২১ এপ্রিল সংরক্ষিত নারী আসনে মনোনয়নপত্র জমা যুদ্ধবিরতি ইস্যুতে নীরবতা: নিজ দেশেই তোপের মুখে নেতানিয়াহু মার্কিন নাগরিকদের জন্য সতর্কতা: হজে না যাওয়ার পরামর্শ দূতাবাসের রুদ্ধশ্বাস অপেক্ষার অবসান: উন্মুক্ত হচ্ছে হরমুজ, কমছে তেলের দাম ধর্ষণেরস্বীকার দৃষ্টি প্রতিবন্ধী তরুণী
নোটিশ :
প্রতিটি জেলা- উপজেলায় একজন করে ভিডিও প্রতিনিধি আবশ্যক। যোগাযোগঃ- Email- matiomanuss@gmail.com. Mobile No- 017-11684104, 013-03300539.

মাদ্রাসার পরীক্ষায় বই দেখে লেখার অভিযোগ কুমিল্লায়

  • ডিজিটাল রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ১২:১০:৫৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৪ ডিসেম্বর ২০২৫
  • ২০১ বার পড়া হয়েছে

কুমিল্লা সদর দক্ষিণ উপজেলার একটি মাদ্রাসায় ফাজিল স্নাতক (অনার্স) পরীক্ষায় প্রকাশ্যে বই খুলে উত্তরপত্রে লেখার অভিযোগ উঠেছে। এ সংক্রান্ত ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর বিষয়টি তদন্তে তিন সদস্যের একটি কমিটি গঠন করেছে উপজেলা প্রশাসন।

ঘটনাটি ঘটেছে উপজেলার পিপুলিয়া ইসলামিয়া কামিল মাদ্রাসায়। মঙ্গলবার ওই মাদ্রাসার পরীক্ষাকেন্দ্রের কয়েকটি ভিডিও ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়ে, যেখানে দেখা যায়—একটি কক্ষে পরীক্ষাকালীন সময়ে প্রায় প্রতিটি পরীক্ষার্থীর সামনে খোলা বই রাখা রয়েছে এবং সেখান থেকে দেখে তারা উত্তরপত্র লিখছেন।

কুমিল্লা সদর দক্ষিণ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সুজন চন্দ্র রায় মঙ্গলবার রাত ১০টার দিকে বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, ঘটনাটি তদন্তে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা, উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা ও উপজেলা আইসিটি কর্মকর্তাকে নিয়ে তিন সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটিকে আগামী সাত কর্মদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন দিতে বলা হয়েছে। প্রতিবেদন পাওয়ার পর প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, মাদ্রাসাটিতে বর্তমানে ফাজিল (অনার্স) প্রথম, দ্বিতীয়, তৃতীয় ও চতুর্থ বর্ষের পরীক্ষা চলছে। গত রোববার প্রথম ও তৃতীয় বর্ষের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। যে কক্ষের ভিডিও ছড়িয়ে পড়েছে, সেখানে ৪৪ জন পরীক্ষার্থী ছিলেন। তারা সবাই ওই মাদ্রাসার শিক্ষার্থী। নিজ প্রতিষ্ঠানে পরীক্ষাকেন্দ্র হওয়ায় শিক্ষকদের সহায়তায় পরীক্ষায় বই দেখে লেখার সুযোগ দেওয়া হয়েছে—এমন অভিযোগ তুলেছেন স্থানীয়রা। এ ছাড়া মাদ্রাসার ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ আবদুল কুদ্দুসের বিরুদ্ধে অর্থের বিনিময়ে অসদুপায়ের সুযোগ করে দেওয়ার অভিযোগও উঠেছে।

কুমিল্লা সদর দক্ষিণ উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা সৈয়দ মো. তৈয়ব হোসেন বলেন, ‘অসদুপায়ে পরীক্ষা নেওয়ার বিষয়টি আমাদের নজরে এসেছে। বিষয়টি আমরা তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা নেব।’

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

​আইনি সংস্কারের পথে বড় পদক্ষেপ: সংসদে পাস হলো অন্তর্বর্তী সরকারের ৫ বিল

মাদ্রাসার পরীক্ষায় বই দেখে লেখার অভিযোগ কুমিল্লায়

আপডেট সময় ১২:১০:৫৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৪ ডিসেম্বর ২০২৫

কুমিল্লা সদর দক্ষিণ উপজেলার একটি মাদ্রাসায় ফাজিল স্নাতক (অনার্স) পরীক্ষায় প্রকাশ্যে বই খুলে উত্তরপত্রে লেখার অভিযোগ উঠেছে। এ সংক্রান্ত ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর বিষয়টি তদন্তে তিন সদস্যের একটি কমিটি গঠন করেছে উপজেলা প্রশাসন।

ঘটনাটি ঘটেছে উপজেলার পিপুলিয়া ইসলামিয়া কামিল মাদ্রাসায়। মঙ্গলবার ওই মাদ্রাসার পরীক্ষাকেন্দ্রের কয়েকটি ভিডিও ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়ে, যেখানে দেখা যায়—একটি কক্ষে পরীক্ষাকালীন সময়ে প্রায় প্রতিটি পরীক্ষার্থীর সামনে খোলা বই রাখা রয়েছে এবং সেখান থেকে দেখে তারা উত্তরপত্র লিখছেন।

কুমিল্লা সদর দক্ষিণ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সুজন চন্দ্র রায় মঙ্গলবার রাত ১০টার দিকে বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, ঘটনাটি তদন্তে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা, উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা ও উপজেলা আইসিটি কর্মকর্তাকে নিয়ে তিন সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটিকে আগামী সাত কর্মদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন দিতে বলা হয়েছে। প্রতিবেদন পাওয়ার পর প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, মাদ্রাসাটিতে বর্তমানে ফাজিল (অনার্স) প্রথম, দ্বিতীয়, তৃতীয় ও চতুর্থ বর্ষের পরীক্ষা চলছে। গত রোববার প্রথম ও তৃতীয় বর্ষের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। যে কক্ষের ভিডিও ছড়িয়ে পড়েছে, সেখানে ৪৪ জন পরীক্ষার্থী ছিলেন। তারা সবাই ওই মাদ্রাসার শিক্ষার্থী। নিজ প্রতিষ্ঠানে পরীক্ষাকেন্দ্র হওয়ায় শিক্ষকদের সহায়তায় পরীক্ষায় বই দেখে লেখার সুযোগ দেওয়া হয়েছে—এমন অভিযোগ তুলেছেন স্থানীয়রা। এ ছাড়া মাদ্রাসার ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ আবদুল কুদ্দুসের বিরুদ্ধে অর্থের বিনিময়ে অসদুপায়ের সুযোগ করে দেওয়ার অভিযোগও উঠেছে।

কুমিল্লা সদর দক্ষিণ উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা সৈয়দ মো. তৈয়ব হোসেন বলেন, ‘অসদুপায়ে পরীক্ষা নেওয়ার বিষয়টি আমাদের নজরে এসেছে। বিষয়টি আমরা তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা নেব।’