ময়মনসিংহ , রবিবার, ০৮ নভেম্বর ২০২৬, ২৪ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
বিপ্লব ও সংহতি দিবসে ময়মনসিংহে বিএনপির বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা নেত্রকোণায় জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান শেরপুরে ডেঙ্গু প্রতিরোধে জেলাব্যাপী পরিচ্ছন্নতা অভিযান, অংশ নিলেন ৬ হাজার ৮৪১ জন মুক্তিযোদ্ধা-সৈনিক হত্যা দিবস’ পালনে নিউইয়র্কে স্মরণসভা অনুষ্ঠিত জামালপুরে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ফরিদপুরে ‘জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস’ উপলক্ষে সভা ও নানা ক্রীড়া আয়োজন পূর্বধলায় জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণ জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) ময়মনসিংহ জেলা শাখার কর্মী সমাবেশ অনুষ্ঠিত ময়মনসিংহ পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস ২০২৬ উদযাপন উপলক্ষে আনন্দ মোহন কলেজে আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণ
নোটিশ :
প্রতিটি জেলা- উপজেলায় একজন করে ভিডিও প্রতিনিধি আবশ্যক। যোগাযোগঃ- Email- matiomanuss@gmail.com. Mobile No- 017-11684104, 013-03300539.

মুক্তিযোদ্ধা-সৈনিক হত্যা দিবস’ পালনে নিউইয়র্কে স্মরণসভা অনুষ্ঠিত

ঙ্গবন্ধু প্রচার কেন্দ্র ও সমাজ কল্যাণ পরিষদের উদ্যোগে নিউইয়র্কে ‘মুক্তিযোদ্ধা-সৈনিক হত্যা দিবস’ উপলক্ষে এক স্মরণসভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। গত শনিবার (৭ নভেম্বর) সন্ধ্যা সাড়ে সাতটায় ম্যানহাটানের একটি রেস্তোরাঁয় এই আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়।
​

সংগঠনের সভাপতি, যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা ও জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক হাকিকুল ইসলাম খোকনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন সাধারণ সম্পাদক কবি আব্দুর রাজ্জাক এম আনোয়ার।

​স্মরণসভায় সম্মানিত অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন জেএসএফ-বাংলাদেশের সংগঠক হাজী আনোয়ার হোসেন লিটন, সাংবাদিক ও আওয়ামী লীগ নেতা হেলাল মাহমুদ এবং সাংবাদিক ও আওয়ামী লীগ নেতা সোহেল চৌধুরী।
​

অনুষ্ঠানের শুরুতে ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট সপরিবারে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, ৩ নভেম্বর ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে নিহত জাতীয় চার নেতা, ৭ নভেম্বর নিহত বীর মুক্তিযোদ্ধা জেনারেল খালেদ মোশাররফ (বীর উত্তম), বীর মুক্তিযোদ্ধা কে এন হুদা (বীর উত্তম) ও বীর মুক্তিযোদ্ধা কর্নেল এ টি এম হায়দার (বীর উত্তম), ১৯৫২-এর ভাষা আন্দোলন, ১৯৭১-এর মহান মুক্তিযুদ্ধ, ২০০৪ সালের ২১ আগস্টের গ্রেনেড হামলা এবং ২০২৪-এর সাম্প্রতিক সহিংসতায় নিহতদের স্মরণে দাঁড়িয়ে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়।

​স্মরণসভায় বক্তারা বলেন, ১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বর মুক্তিযোদ্ধা ও সৈনিকদের ওপর যে নিধনযজ্ঞ শুরু হয়েছিল, তা ছিল ইতিহাসের এক রক্তাক্ত অধ্যায়। ক্ষমতার অন্ধ লোভ ও লাশ ওপর দাঁড়িয়ে জিয়াউর রহমান মসনদ দখল করেছিলেন।
​

বক্তারা আরও উল্লেখ করেন, তথাকথিত ‘সিপাহি বিপ্লব’-এর নামে মুক্তিযুদ্ধ ও রণাঙ্গনের শীর্ষ সমরনায়কদের ঠান্ডা মাথায় খুন করা হয়। ২ নম্বর সেক্টরের অধিনায়ক খালেদ মোশাররফ, আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলার অভিযুক্ত ও সাব-সেক্টর কমান্ডার কে এন হুদা এবং বহু গেরিলা বীরের প্রশিক্ষক এ টি এম হায়দারকে দশম ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের সদর দপ্তরে বর্বরোচিতভাবে হত্যা করা হয়।

​স্মরণসভায় প্রখ্যাত ব্রিটিশ সাংবাদিক অ্যান্থনি ম্যাসকারেনহ্যাস এবং গবেষক গোলাম মুরশিদের গ্রন্থাবলি থেকে উদ্ধৃতি দিয়ে বক্তারা বলেন, ৭ নভেম্বরের পর সশস্ত্র বাহিনীতে একের পর এক অভ্যুত্থানের অজুহাতে হাজার হাজার সেনাসদস্যকে বিনা বিচারে ফাঁসি ও গণকবর দেওয়া হয়েছে। ইনডেমনিটি অধ্যাদেশকে সংবিধানে অন্তর্ভুক্ত করে বিচারহীনতার সংস্কৃতি তৈরি এবং ১৫ আগস্টের খুনিদের রাষ্ট্রীয়ভাবে পুনর্বাসন করা হয়েছিল।
​

বক্তারা পরিশেষে বলেন, ‘খালেদ-হুদা-হায়দার থেকে মঞ্জুর পর্যন্ত একের পর এক বীর মুক্তিযোদ্ধাদের নিশ্চিহ্ন করা হয়েছে। এই পরিকল্পিত নিধনযজ্ঞের এবং অন্যায়ের বিচার ইতিহাস ও দেশবাসীর কাছে আজও বকেয়া রয়ে গেছে।’

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

বিপ্লব ও সংহতি দিবসে ময়মনসিংহে বিএনপির বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা

মুক্তিযোদ্ধা-সৈনিক হত্যা দিবস’ পালনে নিউইয়র্কে স্মরণসভা অনুষ্ঠিত

আপডেট সময় ১০:৫৭:২৬ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৮ নভেম্বর ২০২৬

ঙ্গবন্ধু প্রচার কেন্দ্র ও সমাজ কল্যাণ পরিষদের উদ্যোগে নিউইয়র্কে ‘মুক্তিযোদ্ধা-সৈনিক হত্যা দিবস’ উপলক্ষে এক স্মরণসভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। গত শনিবার (৭ নভেম্বর) সন্ধ্যা সাড়ে সাতটায় ম্যানহাটানের একটি রেস্তোরাঁয় এই আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়।
​

সংগঠনের সভাপতি, যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা ও জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক হাকিকুল ইসলাম খোকনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন সাধারণ সম্পাদক কবি আব্দুর রাজ্জাক এম আনোয়ার।

​স্মরণসভায় সম্মানিত অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন জেএসএফ-বাংলাদেশের সংগঠক হাজী আনোয়ার হোসেন লিটন, সাংবাদিক ও আওয়ামী লীগ নেতা হেলাল মাহমুদ এবং সাংবাদিক ও আওয়ামী লীগ নেতা সোহেল চৌধুরী।
​

অনুষ্ঠানের শুরুতে ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট সপরিবারে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, ৩ নভেম্বর ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে নিহত জাতীয় চার নেতা, ৭ নভেম্বর নিহত বীর মুক্তিযোদ্ধা জেনারেল খালেদ মোশাররফ (বীর উত্তম), বীর মুক্তিযোদ্ধা কে এন হুদা (বীর উত্তম) ও বীর মুক্তিযোদ্ধা কর্নেল এ টি এম হায়দার (বীর উত্তম), ১৯৫২-এর ভাষা আন্দোলন, ১৯৭১-এর মহান মুক্তিযুদ্ধ, ২০০৪ সালের ২১ আগস্টের গ্রেনেড হামলা এবং ২০২৪-এর সাম্প্রতিক সহিংসতায় নিহতদের স্মরণে দাঁড়িয়ে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়।

​স্মরণসভায় বক্তারা বলেন, ১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বর মুক্তিযোদ্ধা ও সৈনিকদের ওপর যে নিধনযজ্ঞ শুরু হয়েছিল, তা ছিল ইতিহাসের এক রক্তাক্ত অধ্যায়। ক্ষমতার অন্ধ লোভ ও লাশ ওপর দাঁড়িয়ে জিয়াউর রহমান মসনদ দখল করেছিলেন।
​

বক্তারা আরও উল্লেখ করেন, তথাকথিত ‘সিপাহি বিপ্লব’-এর নামে মুক্তিযুদ্ধ ও রণাঙ্গনের শীর্ষ সমরনায়কদের ঠান্ডা মাথায় খুন করা হয়। ২ নম্বর সেক্টরের অধিনায়ক খালেদ মোশাররফ, আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলার অভিযুক্ত ও সাব-সেক্টর কমান্ডার কে এন হুদা এবং বহু গেরিলা বীরের প্রশিক্ষক এ টি এম হায়দারকে দশম ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের সদর দপ্তরে বর্বরোচিতভাবে হত্যা করা হয়।

​স্মরণসভায় প্রখ্যাত ব্রিটিশ সাংবাদিক অ্যান্থনি ম্যাসকারেনহ্যাস এবং গবেষক গোলাম মুরশিদের গ্রন্থাবলি থেকে উদ্ধৃতি দিয়ে বক্তারা বলেন, ৭ নভেম্বরের পর সশস্ত্র বাহিনীতে একের পর এক অভ্যুত্থানের অজুহাতে হাজার হাজার সেনাসদস্যকে বিনা বিচারে ফাঁসি ও গণকবর দেওয়া হয়েছে। ইনডেমনিটি অধ্যাদেশকে সংবিধানে অন্তর্ভুক্ত করে বিচারহীনতার সংস্কৃতি তৈরি এবং ১৫ আগস্টের খুনিদের রাষ্ট্রীয়ভাবে পুনর্বাসন করা হয়েছিল।
​

বক্তারা পরিশেষে বলেন, ‘খালেদ-হুদা-হায়দার থেকে মঞ্জুর পর্যন্ত একের পর এক বীর মুক্তিযোদ্ধাদের নিশ্চিহ্ন করা হয়েছে। এই পরিকল্পিত নিধনযজ্ঞের এবং অন্যায়ের বিচার ইতিহাস ও দেশবাসীর কাছে আজও বকেয়া রয়ে গেছে।’