ডেঙ্গু ও অন্যান্য মশাবাহিত রোগ প্রতিরোধে জনসচেতনতা বৃদ্ধি এবং মশার প্রজননস্থল ধ্বংসের লক্ষ্যে শেরপুর জেলাজুড়ে একযোগে পরিচ্ছন্নতা অভিযান পরিচালিত হয়েছে। গত শনিবার (৭ নভেম্বর ২০২৬) জেলা শহরসহ জেলার পাঁচটি উপজেলায় এ কর্মসূচি পালিত হয়।
জেলার বিভিন্ন স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠান, সরকারি দপ্তর, বাজার, হাসপাতাল, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানসহ গুরুত্বপূর্ণ স্থানে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, উপজেলা ভিত্তিক অভিযানে নকলা উপজেলায় ২০৯টি স্থানে ২ হাজার ৯৮৬ জন, শ্রীবরদী উপজেলায় ৫৪টি স্থানে ১ হাজার ১৯০ জন, শেরপুর সদর উপজেলায় ১৪৬টি স্থানে ১ হাজার ২১৭ জন, ঝিনাইগাতী উপজেলায় ১৬টি স্থানে ১৮৮ জন এবং নালিতাবাড়ী উপজেলায় ৫৫টি স্থানে ১ হাজার ২৬০ জন অংশগ্রহণ করেন।
জেলাব্যাপী মোট ৪৮০টি স্থানে পরিচালিত এ পরিচ্ছন্নতা অভিযানে অংশ নেন ৬ হাজার ৮৪১ জন।শেরপুর জেলা শহরে পরিচালিত অভিযানে উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মো. শাকিল আহমেদ এবং শেরপুর সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মিজ্ আসমা বিনতে রফিক। এ ছাড়া অন্যান্য উপজেলায় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাদের নেতৃত্বে সংশ্লিষ্ট সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী, জনপ্রতিনিধি, সাংবাদিক, শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও স্থানীয় বাসিন্দারা এ কর্মসূচিতে অংশ নেন।
অভিযানকালে বিভিন্ন স্থানে জমে থাকা পানি অপসারণ, বর্জ্য পরিষ্কার, মশার প্রজননস্থল ধ্বংস এবং ডেঙ্গুসহ অন্যান্য মশাবাহিত রোগ প্রতিরোধে জনসচেতনতামূলক প্রচারণা চালানো হয়।
সংশ্লিষ্টরা মনে করেন, ডেঙ্গু ও অন্যান্য মশাবাহিত রোগ প্রতিরোধে নিয়মিত পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখা এবং জনসচেতনতা বৃদ্ধির কোনো বিকল্প নেই। এ জন্য নিজ নিজ বাড়ি, আঙিনা ও কর্মস্থল পরিচ্ছন্ন রাখা, কোথাও পানি জমতে না দেওয়া এবং মশার প্রজননস্থল ধ্বংসে সবাইকে সচেতন ও দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।সম্মিলিত উদ্যোগ ও নাগরিক সচেতনতায় শেরপুরকে পরিচ্ছন্ন, সুস্থ ও নিরাপদ জেলা হিসেবে গড়ে তোলার প্রত্যাশা সংশ্লিষ্টদের।

ডিজিটাল ডেস্ক 


















