ময়মনসিংহ , শুক্রবার, ০৬ মার্চ ২০২৬, ২২ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
পাবনা জেলার ফরিদপুরে মরে যাচ্ছে বড়াল নদী, খনন না হলে হারিয়ে যেতে পারে ঐতিহ্য ও জীবিকা ময়মনসিংহ জেলায় ব্র্যাক এর বিভিন্ন কর্মসূচি ও এন্টারপ্রাইজ পরিদর্শন করেন ব্যারিস্টার জাইমা রহমান গৌরীপুরে থাইল্যান্ডের রঙিন বিটরুট চাষে কৃষক আজিজুলের বাজিমাত! নালিতাবাড়ীতে আকস্মিক হাসপাতাল পরিদর্শনে সংসদ সদস্য ফাহিম চৌধুরী ময়মনসিংহে বিভাগীয় পর্যায়ের ‘অদম্য নারী পুরস্কার’ পেলেন নুরুন নাহার আক্তার অফিসে নেই কোনো কর্মকর্তা ,সারপ্রাইজ ভিজিটে ভূমি প্রতিমন্ত্রী রংপুর ডিসি কার্যালয়ের কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা অফিসে আসতে ‘লেট’, সরকার রপ্তানি খাতে ২ হাজার ৫০০ কোটি টাকা ছাড় দিলো খামেনির মৃত্যুতে ইরানি শাসনব্যবস্থার পতন ঘটাবে না বলে মন্তব্য করেছেন ফারাহ পাহলভি ইরানিদের ভাগ্য নির্ধারণের অধিকার তাদেরই দিতে হবে বলেছেন ফারাহ পাহলভি
নোটিশ :
প্রতিটি জেলা- উপজেলায় একজন করে ভিডিও প্রতিনিধি আবশ্যক। যোগাযোগঃ- Email- matiomanuss@gmail.com. Mobile No- 017-11684104, 013-03300539.

রংপুরে আশ্রয়ন প্রকল্পের বাড়ি বন্টনে অনিয়ম

  • Reporter Name
  • আপডেট সময় ১০:৪৮:৫৮ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৪ মার্চ ২০২৪
  • ৩৯৭ বার পড়া হয়েছে

মামুন রংপুর-

স্থানীয় ও সরেজমিন সূত্র জানা যায়। রংপুরের গঙ্গাচড়া উপজেলাধীন ৭ নং মর্ণেয়া ইউনিয়নের ৮ নং ওয়ার্ড ভাঙ্গাগড়া বাজারে মর্নেয়া আশ্রয়ন প্রকল্পের প্রস্তুতকৃত বাড়ি বন্টনে অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে।

মর্ণেয়া আশ্রয়নের সভাপতি মোনায়েম আলী সাংবাদিকদের বলেন – আমরা ভূমিহীন ১৪০ টি প্রতিবার গত ২২ বছর ধরে এই আশ্রয়ন প্রকল্পে বসবাস করে আসছি । আমাদের বাড়ি-ঘরের টিনের চাল নষ্ট হয়ে বসবাসের অনুপযোগী হয়ে পরায় বিষয়টি গঙ্গাচড়া উপজেলা ইউ এন ও মহোদয় কে অবগত করি । বিষয়টি তিনি আমলে নিয়ে আমাদেরকে নতুন ঘর দেয়ার আশ্বাস দেন।

তারপর আমারের পুরাতন ঘর গুলো ভেঙ্গে দিয়ে নতুন ঘর নির্মাণ শুরু করেন। সেইসাথে আরো ৭০ টি ঘর নতুন করে যোগ করেন। তিনি আমাদেরকে কথা দিয়েছিলেন ১৪০ টি ঘরের সাথে বর্ধিত আরো ৭০ টি ঘর আমাদের সন্তান ও আশেপাশের ভূমিহীন লোকদেরকে উপহার দিবেন। কিন্তু ৭০ টি ঘর হস্তান্তরের জন্য প্রস্তুত হলে তা আমাদেরকে বিতরণ না করে বহিরাগত লোকদেরকে দিচ্ছেন।

এমতাবস্থায় আমরা খুবি দুর্বিষহ জীবন যাপন করছি ,কারো ঘরের চাল নাই, কারো ঘরের বেরা নাই ,কারো বা টয়লেট নাই এমনকি রান্নাবান্না করার জন্য ভালো ব্যবস্থা নাই।  এছাড়াও আশ্রয়নের একাধিক সদস্য অভিযোগ করেন সামনে ঝরবাতাসের দিন আসতেছে, আমাদের এখানে পঙ্গু লোক আছে, গর্ভবতী লোক আছে, অন্ধ লোক আছে, যাদের পুরাতন ঘরগুলো ভেঙ্গে দেয়ার কারণে বসবাসে আমরা অনেক সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছি।

আমরা মাননীয় প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানাই তিনি আমাদেরকে ২০০১ সালে ঘর গুলো দিয়েছিলেন, সেই ঘরগুলো ভেঙ্গে দিয়ে নতুন ঘর তৈরি করা হলো কিন্তু সেই ঘরগুলো আমাদেরকে না দিয়ে বহিরাগত লোকদেরকে দিচ্ছেন। আমরা এখন খুবি সমস্যায় আছি, আমরা দ্রুত আমাদের ঘরগুলো ফেরত চাই ; আর তা নাহলে আমারা কঠোর আন্দোলন করব আমরা প্রধানমন্ত্রী বরাবর স্মারকলিপি দেব। অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে গঙ্গাচড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নাহিদ তামান্না সাংবাদিকদের বলেন- আমরা সকলকে ঘর দেয়ার আশ্বাস দিয়েছি, পূর্বের যারা সদস্য ছিল সবাই ঘর পাবে। ইতোমধ্যে মর্ণেয়া আশ্রয়ন প্রকল্পের ১৪০ জন সদস্যের মধ্যে অনেকেই চলে গেছেন। বাকি যারা আছেন সকলেই ঘর পাবেন।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

পাবনা জেলার ফরিদপুরে মরে যাচ্ছে বড়াল নদী, খনন না হলে হারিয়ে যেতে পারে ঐতিহ্য ও জীবিকা

রংপুরে আশ্রয়ন প্রকল্পের বাড়ি বন্টনে অনিয়ম

আপডেট সময় ১০:৪৮:৫৮ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৪ মার্চ ২০২৪

মামুন রংপুর-

স্থানীয় ও সরেজমিন সূত্র জানা যায়। রংপুরের গঙ্গাচড়া উপজেলাধীন ৭ নং মর্ণেয়া ইউনিয়নের ৮ নং ওয়ার্ড ভাঙ্গাগড়া বাজারে মর্নেয়া আশ্রয়ন প্রকল্পের প্রস্তুতকৃত বাড়ি বন্টনে অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে।

মর্ণেয়া আশ্রয়নের সভাপতি মোনায়েম আলী সাংবাদিকদের বলেন – আমরা ভূমিহীন ১৪০ টি প্রতিবার গত ২২ বছর ধরে এই আশ্রয়ন প্রকল্পে বসবাস করে আসছি । আমাদের বাড়ি-ঘরের টিনের চাল নষ্ট হয়ে বসবাসের অনুপযোগী হয়ে পরায় বিষয়টি গঙ্গাচড়া উপজেলা ইউ এন ও মহোদয় কে অবগত করি । বিষয়টি তিনি আমলে নিয়ে আমাদেরকে নতুন ঘর দেয়ার আশ্বাস দেন।

তারপর আমারের পুরাতন ঘর গুলো ভেঙ্গে দিয়ে নতুন ঘর নির্মাণ শুরু করেন। সেইসাথে আরো ৭০ টি ঘর নতুন করে যোগ করেন। তিনি আমাদেরকে কথা দিয়েছিলেন ১৪০ টি ঘরের সাথে বর্ধিত আরো ৭০ টি ঘর আমাদের সন্তান ও আশেপাশের ভূমিহীন লোকদেরকে উপহার দিবেন। কিন্তু ৭০ টি ঘর হস্তান্তরের জন্য প্রস্তুত হলে তা আমাদেরকে বিতরণ না করে বহিরাগত লোকদেরকে দিচ্ছেন।

এমতাবস্থায় আমরা খুবি দুর্বিষহ জীবন যাপন করছি ,কারো ঘরের চাল নাই, কারো ঘরের বেরা নাই ,কারো বা টয়লেট নাই এমনকি রান্নাবান্না করার জন্য ভালো ব্যবস্থা নাই।  এছাড়াও আশ্রয়নের একাধিক সদস্য অভিযোগ করেন সামনে ঝরবাতাসের দিন আসতেছে, আমাদের এখানে পঙ্গু লোক আছে, গর্ভবতী লোক আছে, অন্ধ লোক আছে, যাদের পুরাতন ঘরগুলো ভেঙ্গে দেয়ার কারণে বসবাসে আমরা অনেক সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছি।

আমরা মাননীয় প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানাই তিনি আমাদেরকে ২০০১ সালে ঘর গুলো দিয়েছিলেন, সেই ঘরগুলো ভেঙ্গে দিয়ে নতুন ঘর তৈরি করা হলো কিন্তু সেই ঘরগুলো আমাদেরকে না দিয়ে বহিরাগত লোকদেরকে দিচ্ছেন। আমরা এখন খুবি সমস্যায় আছি, আমরা দ্রুত আমাদের ঘরগুলো ফেরত চাই ; আর তা নাহলে আমারা কঠোর আন্দোলন করব আমরা প্রধানমন্ত্রী বরাবর স্মারকলিপি দেব। অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে গঙ্গাচড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নাহিদ তামান্না সাংবাদিকদের বলেন- আমরা সকলকে ঘর দেয়ার আশ্বাস দিয়েছি, পূর্বের যারা সদস্য ছিল সবাই ঘর পাবে। ইতোমধ্যে মর্ণেয়া আশ্রয়ন প্রকল্পের ১৪০ জন সদস্যের মধ্যে অনেকেই চলে গেছেন। বাকি যারা আছেন সকলেই ঘর পাবেন।